মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৭

সামরিক হস্তক্ষেপ ছাড়া মিয়ানমারকে থামানো যাবে না


জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান কমিশনের সুপারিশ অগ্রাহ্য করতেই নতুন করে হামলা শুরু করেছে মিয়ানমার সরকারি বাহিনী। এই কমিশন রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে, নচেৎ নিজ দেশেই সশস্ত্র প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছে। অং সান সূচির সরকার ও সামরিক বাহিনী মনে করছে চীন ও ভারতের সমর্থন রয়েছে তাদের এসব কর্মকাণ্ডে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তেমন আশঙ্কা নেই। কারণ এখানকার সরকার নিজেই অনির্বাচিত ও জনবিচ্ছিন্ন। প্রভৃতি কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমনিতেই চাপে রয়েছে আওয়ামীলীগ সরকার। তবে বাংলাদেশের জনগণ মজলুম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত। আশাব্যঞ্জক হচ্ছে রোহিঙ্গাদের প্রতি আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থার সহানুভূতি বাড়ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মিডিয়া তাদেরকে হাইলাইটস করছে। রোহিঙ্গাদেরও নিজস্ব প্রায় অর্ধডজন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এখন সরব। ইউরোপ-আমেরিকান রোহিঙ্গা কমিউনিটিও বেশ সোচ্চার সেসব দেশে।
তুরস্ক, সৌদি আরব, মালয়েশিয়ার মতো অনেক মুসলিম দেশ রোহিঙ্গাদের সরকারিভাবে সহযোগিতা করছে। বাকী মুসলিম বেসরকারিভাবে সহযোগিতা করছে। তবে এবার রোহিঙ্গারা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এখন স্বাধীন আরাকানের স্বপ্ন দেখছে তারা। বার্মিজদের হাতে হারানো স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে কয়েকটি নামে তারা সংঘবদ্ধ হচ্ছে।
এবার শরণার্থীদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা অনেক কম দেখা গেছে। কারণ জানা গেছে যে, নারী-শিশুদের বাংলাদেশ সীমান্তে পাঠিয়ে পুরুষরা প্রতিরোধ যুদ্ধে যোগ দিয়েছে। বাংলাদেশের আশ্রয় ক্যাম্পগুলো থেকেও রোহিঙ্গা পুরুষরা যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন