শনিবার, ২৮ মে, ২০১৬

‪ফ্যাক্টস হাউজ অফ উইজডম


১. প্রায় ১২০০ বছর আগে মুসলমান সম্রাজ্যের রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বর্তমান ইরাকের বাগদাদ শহর। বাগদাদকে বলা হয় জ্ঞান উৎপাদনের কারখানা। যেখানে চর্চা হতো ধর্ম থেকে শুরু করে বিজ্ঞান, গণিত সবকিছু নিয়ে। প্রায় ৫শ’ বছর বাগদাদ ছিল খিলাফতের রাজধানী।

২. বাগদাদের তৎকালীন খলিফা আল-রাসিদ এবং আল-মামুন ব্যক্তিগত উদ্যোগেই সেখানে বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র তৈরি করেছিলেন। আল হিকমা (হাউজ অফ ইউজডম) নামের এ লাইব্রেরিতে সমস্ত পৃথিবীর বই সংগ্রহ করে রাখতেন। মুসলমান সম্রাজ্যের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা স্কলারদের সংগ্রহ করে পৃষ্ঠপোষকতাও করতেন। এই স্কলাররাই পরবর্তীতে ইতিহাসে জ্ঞান চর্চায় হয়ে ওঠেন অনন্য।

৩. হাউজ অফ উইজডম ছিল সেই সময়কার বিখ্যাত জ্ঞানী, দার্শনিক, চিন্তাবিদ, লেখক, প্রকাশক, বিজ্ঞানীদের নিত্যদিনের মিলন মেলা। সেখানে তারা নিয়মিত অনুবাদ, লেখালেখি ও গবেষণার কাজগুলো করতেন।

৪. হাইজ অফ উইসডমে নানা ভাষায় বই অনূদিত হতো। খলিফা আল-মামুন অনুবাদে এবং স্কলারদের নতুন নতুন বই যোগ করতে সবাইকে উৎসাহ দিতেন। লেখকদের সম্মানী হিসেবে দেওয়া হতো বইয়ের ওজন সমপরিমাণ স্বর্ণ।

৫. ১২শ’ শতাব্দীতে স্পেনের মুসলমান সাম্রাজ্য বিস্তারের পর সেখানেও জ্ঞান চর্চা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। সেখানে প্রচুর পরিমাণে অনুবাদের কাজ হতো। এই সময় কাজটি বেশি ছিল আরবি থেকে ল্যাটিন। কারণ ইউরোপীয়দের কাছে নিজ সভ্যতা পৌঁছাতে এটা করা দরকার ছিল।

৬. এভাবেই জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বে মুসলমানরা নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল... আর এখন...

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন