সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৫

ইসলামের কতিপয় হত্যার নির্দেশ এবং কার্যকর করার ইতিহাস

(ক)ক্রমিক নং
(খ)অপরাধী ব্যক্তির নাম ও পরিচয়
(গ)অপরাধ
(ঘ)আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সিদ্ধান্ত
(ঙ)লক্ষণীয় দিক
(চ)যিনি শাস্তি কার্যকর করেছেন —- এই ক্রম বজায় রেখে পড়ুন।

১ কাব বিন আল আশরাফ
একজন সফল কবি ও ইহুদী নেতা
দ্র. বুখারী
আল্লাহর রাসূল (সা) এর প্রতি বিদ্রুপ ও মুসলিম নারীদের নিয়ে কাব্য রচনা
হত্যার আদেশ
প্রয়োজনে মিথ্যা ও আল্লাহর রাসূলের বিরুদ্ধে কথা বলার অনুমতি প্রদান।-
সাহাবী মুহাম্মাদ ইবনে মাসলামাহ ও অন্যান্য (রা)

২ আবু রাফে
দ্র. বুখারী আল্লাহর রাসূল (সা) এর প্রতি বিদ্রুপ হত্যার আদেশ – নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দূর্গের ভিতর শয়নকক্ষে ঢুকে হত্যার আদেশ কার্যকর সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে আতিক ও অন্যান্য (রা)

৩ আব্দুল্লাহ বিন কাতাল ও তার দুই নর্তকী দাসী
সময়কালঃ মক্কা বিজয়ের পর
দ্র. বুখারী,তাবারী, ইবন ইসহাকের বর্ণনা রাসুলুল্লাহ (সা) কে কটাক্ষ করে, অপমান করে গান গাওয়া-হত্যার আদেশ-প্রকাশ্যে হত্যার আদেশ (যদিও কাবার গিলাফ ঝুলে আশ্রয় চায় তবুও)
-ক্রীতদাসী যাদের স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি নেই, অন্যের অনুগত তাদেরকেও হত্যা করার আদেশ দান
-সাঈদ ও আবু বারযাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুম

৪ উকবা ইবনে আবী মুয়িদ এবং নাদার ইবন আবি হারিস
সময়কালঃ (বদর যুদ্ধের পর)
দ্র. বুখারী, মুসলিম কথার মাধ্যমে কষ্ট প্রদান
-নাদার ইবন হারিস আল্লাহর রাসূল (সা) এর সাথে পালটা হালাকার আয়োজন করত ও কাহিনী বর্ণনা করত – যুদ্ধবন্দীদের মধ্য হতে বাছাই করে হত্যার আদেশ -যুদ্ধবন্দীদের হত্যা করবেন না মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দিবেন এই সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বেই যুদ্ধ হতে ফেরার পথে উভয়কে বাছাই করে হত্যা করা হয়েছিল। অর্থাৎ তাদের দুজনকে হত্যার ব্যাপারে কোন সন্দেহ ছিল না।
ক্ষমা প্রার্থনা ও অজুহাত প্রদর্শনের পরেও ক্ষমা করা হয়নি। -খুবাইব (রা)
৫ উম্মু ওয়ালাদ নামক দাসী
দ্র. আবু দাউদ ৪৩৬১ কথার দ্বারা কষ্ট প্রদান, কটাক্ষ করে বিদ্রুপ করে কথা বলা -বিনা অবগতি ও পূর্বানুমতি ছাড়াই হত্যা করা হয়েছিল।
-পরবর্তীতে অনুমতি লাভ ও প্রশংসা অর্জন। নারী+জিম্মি+চুক্তিবদ্ধ হওয়া সত্তেও পূর্ব অবগতি ব্যতীত হত্যা ও পরবর্তীতে এর অনুমোদন লাভ।
-“জেনে রেখো যে, এ রক্তের কোন পণ নেই” আবু দাউদ হত্যাকারী অন্ধ সাহাবী ছিলেন উক্ত মহিলার স্বামী
৬ আবু আফাক
দ্র. ইবনে ইসহাক, ইবন সাদ রচিত
কিতাব আল তাবাকাত আল কাবির’ কবিতা রচনা হত্যার আদেশ – শতবর্ষী বৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও হত্যা করা হয়েছিল সালিম বিন উমায়ের (রা), তাবুক যুদ্ধে বাহন না পেয়ে যোগদানে অক্ষম ক্রন্দনকারীদের একজন
৭ আল হুয়াইরিদ বিন নুকাইদ
দ্র. ইবন সাদ রচিত
কিতাব আল তাবাকাত আল কাবির’ কথার মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কষ্ট দিত হত্যার আদেশ -লোকটি বাড়িতে নেই, এ মিথ্যা কথা শুনে আলী (রা) তার ঘরের পিছনে লুকিয়ে ছিলেন, পরবর্তীতে তাকে হত্যা করেন-আলী (রা)



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন