সোমবার, ২০ জুন, ২০১৬

উইঘুর মুসলিম : উম্মাহর দুঃখ -


ড আহমদ আবদুল কাদের

ইঘুর মুসলিম হচ্ছে চীনের বৃহত্তম অঞ্চল জিনজিয়াংয়ের সর্ববৃহৎ নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী। তাদের ওপর বিগত অর্ধশতাব্দী ধরে চলছে জাতিগত-ধর্মীয় নিপীড়ন-নির্যাতন। তাদের ওপর ধর্মীয় নির্যাতন এমন পর্যায়ের, যা যেকোনো বিচারে মানবাধিকারের লঙ্ঘন। কয়দিন আগেও পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, উইঘুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতে কেউ রমজান পালন না করতে পারে এ জন্য কতগুলো ‘বিশেষ ব্যবস্থা’ নেয়া হয়েছে। শিশুদের ইসলাম শিক্ষা দেয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। রেস্টুরেন্টগুলোতে মদ ও শূকরের মাংস বিক্রি করার আদেশ জারি করা হয়েছে। তারাবি নামাজের ওপর আরোপ করা হয়েছে বিধিনিষেধ। দাড়ি ও হিজাবের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মোট কথা, চীনা কর্তৃপক্ষ নানাভাবে উইঘুর মুসলমানদের নৃতাত্ত্বিক পরিচয় ও ধর্মীয় পরিচয় মুছে ফেলার সর্বাত্মক তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে।
জিনজিয়াং চীনের সর্ববৃহৎ অঞ্চল। এর আয়তন ১৬ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ৬৩৫৮০০ বর্গমাইলÑ এটি বাংলাদেশের আয়তনের বারোগুণ)। আয়তনে চীনের প্রায় এক-ষষ্ঠাংশ এবং চীনের উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত। এর পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে আছে মুসলিম দেশ তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান ও কাজাখস্তান; আর দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে আছে আফগানিস্তান এবং ভারত অধিকৃত জম্মু কাশ্মির। দেশটির পূর্ব-পশ্চিম দূরত্ব ১২০০ মাইল ও উত্তর-দক্ষিণ দিকে দূরত্ব ৯০০ মাইল। এর জনসংখ্যা ২.১৮ কোটি এবং এর মধ্যে মুসলিম হচ্ছে প্রায় ১.২৫ কোটি। অর্থাৎ প্রায় ৫৮ শতাংশ মুসলিম। উইঘুর মুসলিমই তাদের বৃহত্তর অংশ। মধ্যযুগে তাং সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ার পর থেকেই সেখানে ইসলাম ও আরবের প্রভাব বাড়তে থাকে। স্থানীয় উইঘুর জনগোষ্ঠীর বিপুলসংখ্যক লোক ইসলাম গ্রহণ করেন, এমনকি উইঘুর বললেই আজকে মুসলিম জনগোষ্ঠী বোঝানো হয়। অন্য দিকে, চীনা মুসলমানদের হুই বলা হয়। উইঘুরের বর্ণমালাও আরবি। সাংস্কৃতিক দিক থেকে এটি তুর্কি ও আরবি প্রভাবিত। উরুমকি বর্তমান জিনজিয়াংয়ের রাজধানী। কাশগড় অন্যতম বৃহৎ শহর। জিনজিয়াং একটি প্রধান ফসল উৎপাদন কেন্দ্র। এখানে বিপুল পরিমাণ খনিজ ও তেলসম্পদ মজুদ রয়েছে।
১৮৮৪ সালে কিং রাজত্বের সময় জিনজিয়াং চীনের একটি প্রদেশে পরিণত হয়েছিল। ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট বিপ্লবের পর চীনা কমিউনিস্ট সেনারা জিনজিয়াংয়ে অভিযান চালায়। এর সূত্র ধরে চীনের হান সামরিক গোষ্ঠী জিনজিয়াংয়ে অভিবাসিত হয়েছে। ১৯৫৫ সালে জিনজিয়াং চীনের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলরূপে স্বীকৃতি লাভ করে। হান সাংস্কৃতিক আত্তীকরণের বিরুদ্ধে বিশেষত ১৯৫৮-৬২ সালে মাও সে তুং পরিচালিত তথাকথিত Great Leap Forward এবং ১৯৬৬-৭৬ সালের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের কারণে বহু লোক নির্যাতিত হয় এবং বিপুল সংখ্যায় কাজাখ জনগোষ্ঠী পার্শ্ববর্তী কাজাখস্তানে পালিয়ে যায়। এসবকে কেন্দ্র করে উইঘুর মুসলমানদের সাথে চীনা কর্তৃপক্ষের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এক সময় তা সঙ্ঘাত ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। বিগত শতাব্দীর শেষ দশকে উইঘুর মুসলমানেরা স্বাধীনতার দাবিতে সশস্ত্র আন্দোলন আরম্ভ করে। বিশেষত উরুমকি ও ইয়ানিংয়ে ব্যাপক বোমাবাজি ও দাঙ্গা সংঘটিত হয়েছিল। এতে অনেক লোক নিহত ও আহত হয়েছে। চীন নানাভাবে দেশটি নিজ দখলে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অদ্যাবধি সেখানে সঙ্ঘাতের পরিসমাপ্তি ঘটেনি। বর্তমান চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কথিত সংস্কারপন্থী নেতারা চীনে এখনো তাদের ধর্মীয় পলিসির তেমন পরিবর্তন আনেনি। চিরায়ত কমিউনিজমের নাস্তিকতা ও চরম ধর্মবিরোধিতা তারা অব্যাহত রেখেছেন। বর্তমান জিনজিয়াংয়ের উইঘুর মুসলমানদের ওপর কমিউনিস্টদের অকথ্য নিপীড়ন, নির্যাতন এবং ধর্মীয় বিষয়ে নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা এর বড় প্রমাণ।
উইঘুর মুসলমানদের অন্যতম নেত্রী রাবেয়া কাদির বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত। প্রবাসী উইঘুর মুসলমানদের সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেস’ উইঘুর মুসলমানদের সমস্যা ও দাবি-দাওয়া বিভিন্ন ফোরামে পেশ করে যাচ্ছে। 
ফ্রিডম ওয়াচের মতে, চীন হচ্ছে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধর্মীয় নিপীড়ক দেশ। যেহেতু, সেখানে মিডিয়ার স্বাধীনতা নেই, তাই এসব নিপীড়নের কথা বিশ^বাসী খুব কমই জানতে পারে। কালেভদ্রে মাত্র কিছু বিষয় জানা যায়; বিশেষ করে জিনজিয়াংয়ের উইঘুর মুসলমানদের কথা। 
চীনের উইঘুর মুসলমানদের বিরুদ্ধে এই জঘন্য ও বর্বরোচিত পলিসির ব্যাপারে চীনা কর্তৃপক্ষ বলে বেড়ায় যে, বিচ্ছিন্নতাবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মীয় চরমপন্থার মোকাবেলা করার জন্যই এসব পলিসি তারা নিতে ‘বাধ্য হচ্ছে’। কিন্তু হিজাব পরা, দাড়ি রাখা, রমজান মাসে সিয়াম পালন কিভাবে ধর্মীয় চরমপন্থা হয় আমরা তা বুঝতে অক্ষম। মূলত সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানই তাদের মতে ‘চরমপন্থী’। তা ছাড়া কথিত চরমপন্থী দমনের নামে নির্বিচারে গ্রেফতার চলছে, তাদের জেল-জরিমানা করা হচ্ছে। ধর্মীয় পোশাক পরিধান করার কারণেও গ্রেফতার করা হচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে মুসলিম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে, যদি তারা ধর্মীয় কারণে মদ ও সিগারেট বিক্রয় করতে অস্বীকৃতি জানায়। অতীতেও বিভিন্ন সময় হাজার হাজার উইঘুর মুসলমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে ধর্মীয় জমায়েত ও অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জন্য। 
২০১৬ সালে সরকারি এক শে^তপত্রে বলা হয়েছে, ‘কোনো নাগরিক ধর্মীয় বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের কারণে বৈষম্যমূলক ও মন্দ আচরণের সম্মুখীন হবে না। ধর্মীয় অনুভূতি ও প্রয়োজনকে পুরোপুরি শ্রদ্ধা করা হবে।’ বাস্তবে যেসব সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে, তাতে এর বিপরীতটাই প্রমাণিত হয়। এ প্রসঙ্গে ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেসের (WUC) নির্বাহী কমিটির সভাপতি দুলকাম ঈসা খ্রিষ্টান টুডে পত্রিকায় বলেছেন, ‘চীন সরকারের শে^তপত্রের ওপর আস্থা রাখা যায় না। তাদের মিথ্যাচার সত্যকে চেপে রাখতে পারবে না। অবশ্য যদি তারা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে, তবে আমরা খুবই খুশি হবো, কিন্তু আমি বিশ^াস করি না যে, তাদের বিবৃতির কোনো নির্ভরযোগ্যতা রয়েছে।’ বস্তুত, ধর্মীয় প্রশ্নে সব কমিউনিস্ট সরকারই নীতিভ্রষ্টতার আশ্রয় নিয়ে থাকে। দুনিয়াকে বোঝানোর জন্য তারা ধর্মীয় অধিকারের কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে মানুষকে ধর্মমুক্ত-ধর্মবিরোধী করার পলিসিই অনুসরণ করে থাকেÑ ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর ওপর নির্বিচার নিপীড়ন চালায়। যে কারণে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ভিয়েতনাম, চীন, আলবেনিয়াসহ সব কমিউনিস্ট দেশেই মানুষের ধর্মীয় জীবন ছিল চরমভাবে দুর্বিষহ। ইদানীং সংস্কারকৃত কমিউনিস্ট চীনও খুব একটা ব্যতিক্রম নয়।
ঈসা আরো অভিযোগ করেন, ‘তারা নানাভাবে নাগরিকদের হয়রানি করে যাচ্ছে। এমনকি পুলিশের অনুমতি ছাড়া তাদের ভ্রমণ করতে দেয়া হয় না। কোনো আত্মীয় বেড়াতে এলে তাদের পুলিশের কাছে নিবন্ধন করতে হয়। তাদের অবশ্যই সব সময় দুটো আইডি কার্ড সাথে রাখতে হয়।’ মোট কথা, উইঘুর মুসলমানেরা ন্যূনতম মানবিক ও ধর্মীয় অধিকার থেকেও বঞ্চিত। অন্য কোনো দেশে মুসলমানদের মানবিক ও ধর্মীয় পরিস্থিতি এতটা খারাপ বলে জানা যায় না। কিন্তু সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে, গণতন্ত্র আর মানবাধিকারের প্রবক্তা কোনো পশ্চিমা দেশ এমনকি কোনো মুসলিম দেশেরও এ নিয়ে মাথাব্যথা নেই। অর্ধশতাধিক মুসলিম রাষ্ট্র থাকলেও তারা আজ নির্বিকার এমন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে। একটি অঞ্চলের মানুষ তাদের ধর্মের কারণে এ যুগে এতটা নিপীড়িত হবে, তা ভাবাই যায় না। ইতিহাসে দেখা যায়, মানুষ কোথাও কোথাও ধর্মের জন্য নিগৃহীত হতো। আজকের যুগে বিশ^াসের স্বাধীনতা মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত বলে স্বীকার করা হয়েছে। সেই যুগে চীনের এই নীতি যে কত নিন্দনীয় ও দুঃখজনক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তারা বিচ্ছিন্নতাবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মীয় উগ্রতার অজুহাতে উইঘুর মুসলমানদের ধর্ম, সংস্কৃতি, ইত্যাদির ওপর হস্তক্ষেপ করছে। অথচ চীনের ‘জিনজিয়াং নীতিই’ সেখানে সন্ত্রাসের ও বিছিন্নতাবাদের জন্ম দিচ্ছে। নৃতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার একজন উইঘুর তরুণ প্রতিবাদী হতেই পারেন। ১৮৮৪ সালের আগে তারা যেভাবে ছিলেন, সেভাবে থাকতে চাইতেই পারেন। কিন্তু এসব কারণে তাদের ধর্মীয় ও মানবিক অধিকার কেড়ে নেয়া মানা যায় না। চীন সরকার জানে, উইঘুররা ভালো মুসলমান হয়ে থাকলে তারা কমিউনিস্টদের নাস্তিকতা ও ধর্মহীনতার নীতি মেনে নেবেন না, মেনে নিতে চাইবেন না হান আধিপত্য। তাই তারা উইঘুরদের ওপর অব্যাহত নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে।
এই মাহে রমজানেও একজন উইঘুর মুসলমানের জীবন যে কতটা দুর্বিষহ তা বর্ণনাতীত। অর্ধশতাধিক বছর ধরে মুসলিম উম্মাহর দুঃখ হয়ে আছেন উইঘুর মুসলমানেরা। তারা আজ নিজের দেশে প্রবাসী। চীনা হানদের ব্যাপকভাবে অভিবাসিত করে কর্তৃপক্ষ জিনজিয়াংয়ের মূল অধিবাসী উইঘুরদের কোণঠাসা করে রাখার চেষ্টা করছে। তাদের সংখ্যা ৫৬ শতাংশে নেমে এসেছে। এ সংখ্যা আরো কমে যাওয়া বিচিত্র নয়। এ যুগেও একজন মুসলমান ব্যক্তিগতভাবে দাড়ি রাখতে পারবেন না, মহিলারা হিজাব পরতে পারবেন না, রমজানের রোজা রাখতে বাধার সম্মুখীন হবেন, নিজেদের সন্তানকেও ধর্মের কথা বলতে পারবেন না ও শেখাতে পারবেন নাÑ এটা কি সভ্যযুগে ভাবা যায়? অথচ এটাই হচ্ছে চীনের জিনজিয়াংয়ের উইঘুর মুসলমানদের ক্ষেত্রে। আমাদের কী জানা আছে, জিনজিয়াংয়ের কাশগড় আজো প্রখ্যাত মুসলিম সেনাপতি কোতায়বার স্মৃতি বহন করে। অথচ উম্মাহ আজ বেখবর কোতায়বার উত্তরসূরিদের ব্যাপারে। আমাদের ইসলামি চেতনা লোপ পেতে বসেছে। উম্মাহর সোয়া কোটি সদস্য আজ নিপীড়ন, নির্যাতনের শিকার। এ নির্যাতন ঈমানের কারণে, ধর্মের কারণে। এ নিপীড়ন এ জন্য যে, তারা নিজেদের ঈমান, সভ্যতা-সংস্কৃতি বিলিয়ে দিয়ে নাস্তিকতাবাদী সরকারের উগ্র স্বাজাত্যবোধ মেনে নিতে চান না। তারা এক সময় প্রতিবাদ করেছেন দুনিয়ার অন্যতম নিষ্ঠুর স্বৈরশাসক মাও সেতুংয়ের জুলুমনীতির বিরুদ্ধে। একইভাবে তারা আজ প্রতিবাদ করছেন কমিউনিস্ট তথাকথিত সংস্কারবাদী সরকারের বিরুদ্ধে। চীনের অর্থনীতির রমরমা অবস্থা দেখে অনেক মুসলিম দেশই এসবের বিরুদ্ধে কথা বলে না, বলতে চায় না। আর কথিত বুদ্ধিজীবীরা কথা বলেন না এ জন্য যে, তাদের অনেকের ওপর এখনো মানবতাবিধ্বংসী পুরনো মার্কসীয় তত্ত্বÑ মাও তত্ত্ব ভর করে আছে। তদুপরি, মুসলিম ধর্মীয় স্বাধীনতার ব্যাপারে বরাবরই আমাদের সুশীলসমাজ এক রকম অন্ধ। ধার্মিক মানুষের কান্না তাদের কানে যায় না, কারণ তারা বধির। অসহায় মুসলিম নারী ও শিশুর দুঃখ তারা দেখতে পান না, কারণ তারা অন্ধ। নিরীহ উইঘুর মুসলমানদের ওপর কৃত নিপীড়নের বিরুদ্ধে তারা কথা বলতে পারেন না, কারণ তারা বোবা। এসব বোবা, বধির আর অন্ধদের হাত থেকে উম্মাহকে রক্ষা করতে হবে। হে উম্মাহর সদস্যরা! তোমরা কখন জেগে উঠবে? জিনজিয়াংয়ে বাতাস আর কত আহাজারি ও কান্নায় ভারী হলে তোমাদের চেতনা জাগবে? এভাবেই একটি মুসলিম জনগোষ্ঠী নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে? ১৭০ কোটি মুসলমান বেঁচে থাকতে এটা কী করে হয়? তাই প্রয়োজন উম্মাহর বোধ, প্রয়োজন এক মহান চেতনা। তাহলেই উইঘুরসহ সব নিপীড়িত মুসলিম জনপদে আশা সঞ্চারিত হবে, জেগে ওঠার প্রেরণা জাগবে।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন