ইমরান হুসাইন আদিব
তুমি দাড়ি না রাখার দরুন একজন মানুষ কে ঘৃণা করছো।তোমার মজলিশ থেকে তাকে দূর দূর করে তাকে তাড়িয়ে দিচ্ছ। কেননা সে দাড়ি রাখে না। কেননা সে নবীর সুন্নতের উপর ধরালো অস্ত্র দ্বারা আঘাত হানে ।তুমি তার ওয়াজ বা কেরাত শুনতে অপছন্দ করো। কেননা তার তো দাড়ি নেই।তুমি তাকে জাহান্নমের অতল গভীরে ঠেলে দিচ্ছ কেননা সে দায়েমি গুনাহে লিপ্ত ওয়াজিব তরককারী। তাই তো।
আচ্ছা ভাই আপনার ফ্যামিলির কত জন মানুষ আছে যে, তাদের মুখ ভরা দাড়ি রয়েছে ? আপনি আপনার ফ্যামিলির মানুষদের কে কতদিন বুঝিয়েছেন ? এক সাথে খাবার খাচ্ছেন উঠাবসা করছেন কই তাদের কে তো দাড়ি না রাখার দরুন ঘৃণা করছেন না।আর অপর বেক্তি যে কিনা আপনার পরিবার ভুক্ত নয় আপনি তাকে ঘৃণা করছেন ।আচ্ছা ভাই সে একজন মুসলিম তাই সে কোন এক দিন হলেও তো জান্নাতে যাবে,এই কথা স্মরণ করে আপনি তাকে ভালো ভাবে বুঝিয়ে শুনিয়ে দাড়ি রাখার প্রতি গুরুত্তারোপ করতে পারেন না। অপরের বেলায় খালি ফতুয়া আর নিজের আত্মীয়র বেলায় খবর নাই।আপনি কেন এমনটি করছেন।আপনি পারেন শুধুই ঘৃণা করতে।মনে হয় যে আপনি জান্নাতি হয়ে জাহান্নামের চশমা লাগাইছেন।এখন খালি জাহান্নমি দেখে।তোমার মেয়ে, আর তোমার বোন, রাস্তায় উলঙ্গপনা আর বেহায়ার ন্যায় নিজের শরীর উন্মুক্ত করে দেহ প্রদর্শন করে তাতে তোমার রুচিতে বাধে না।বাধবে কেমন করে সে তো তোমার বোন,তাই না আর অপরের বেলায় যত সব নিয়ম কানুন।
এক ভাই দাড়ি রাখে না বা বোন পর্দা করে না। তাই বলে আপনি তো তাকে ঘৃণা করতে পারেন না।আপনি তাকে বুঝান,নসিহত করুন।ভাল ভাল বই হাদিয়া দিন,বড় বড় মনুষীদের জীবন ইতিহাস তুলে ধরুন।সাথে সাথে আল্লাহ্ তায়লার নিকট দোয়া করুন।হয়তোবা আল্লাহ্ তাকে হেদায়াত দান করবেন।চেষ্টা করার দায়িত্ত আপনার আর দেওয়ার মালিক তো আল্লাহ্।
কেননা তোমার এই সামান্য হিংসা বা দূরে ঠেলে দেওয়ার দরুন সে এই অপমান বা লাঞ্চিত হওয়ার দরুন তার চাইতে আরো বেশি ঘৃণিত পথ অবলম্বন করতে পারে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন