■ কুরবানীর গোশত কুরবানীদাতা ও
তার পরিবারের
সদস্যরা খেতে পারবে, আল্লাহ রাব্বুল
আলামিন বলেন,
-‘অতঃপর তোমরা তা থেকে আহার কর
এবং দুঃস্থ, অভাবগ্রস্তকে আহার
করাও।’ [১]
■ কুরবানীর গোশত তিন ভাগ করে এক
ভাগ নিজ পরিবারের খাওয়ার জন্য,
এক ভাগ
প্রতিবেশী যারা কুরবানী করতে পারেনি তাদের
জন্য ও এক ভাগ সায়েল ফক্বীর-
মিসকীনদের মধ্যে বিতরণ
করা মুস্তাহাব। প্রয়োজনে উক্ত
বন্টনে কমবেশী করায় কোন
দোষ
নেই। [২]
■ কুরবানীর গোশত যতদিন
ইচ্ছা ততদিন সংরক্ষণ
করে খাওয়া যাবে। কুরবানীর গোশত
সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ
বলেছেন,
-‘তোমরা নিজেরা খাও ও
অন্যকে আহার করাও এবং সংরক্ষণ
কর।’ [৩]
■ কুরবানীর পশুর গোশত, চামড়া,
চর্বি বা অন্য কোনো কিছু
বিক্রি করা জায়েয নেই।
■ কসাই বা অন্য
কাউকে পারিশ্রমিক
হিসেবে কুরবানীর গোশত
দেওয়া জায়েয নয়। এ
সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ
বলেছেন,
-‘আর তা প্রস্তুতকরণে তা থেকে কিছু
দেওয়া হবে না।’ [৪]
তবে দান বা উপহার
হিসেবে কসাইকে কিছু
দিলে তা না-জায়েয হবে না।
সোর্স:
[১] সূরা আল-হজ্জ: ২৮
[২] সুবুলুস সালাম শরহ বুলূগুল মারাম
৪/১৮৮; আল-মুগনী ১১/১০৮; মির‘আত
২/৩৬৯; ঐ,৫/১২০ পৃঃ।
[৩] সহীহ আল-বুখারী ৫৫৬৯
[৪] বুখারী -১৭১৬
সদস্যরা খেতে পারবে, আল্লাহ রাব্বুল
আলামিন বলেন,
-‘অতঃপর তোমরা তা থেকে আহার কর
এবং দুঃস্থ, অভাবগ্রস্তকে আহার
করাও।’ [১]
■ কুরবানীর গোশত তিন ভাগ করে এক
ভাগ নিজ পরিবারের খাওয়ার জন্য,
এক ভাগ
প্রতিবেশী যারা কুরবানী করতে পারেনি তাদের
জন্য ও এক ভাগ সায়েল ফক্বীর-
মিসকীনদের মধ্যে বিতরণ
করা মুস্তাহাব। প্রয়োজনে উক্ত
বন্টনে কমবেশী করায় কোন
দোষ
নেই। [২]
■ কুরবানীর গোশত যতদিন
ইচ্ছা ততদিন সংরক্ষণ
করে খাওয়া যাবে। কুরবানীর গোশত
সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ
বলেছেন,
-‘তোমরা নিজেরা খাও ও
অন্যকে আহার করাও এবং সংরক্ষণ
কর।’ [৩]
■ কুরবানীর পশুর গোশত, চামড়া,
চর্বি বা অন্য কোনো কিছু
বিক্রি করা জায়েয নেই।
■ কসাই বা অন্য
কাউকে পারিশ্রমিক
হিসেবে কুরবানীর গোশত
দেওয়া জায়েয নয়। এ
সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ
বলেছেন,
-‘আর তা প্রস্তুতকরণে তা থেকে কিছু
দেওয়া হবে না।’ [৪]
তবে দান বা উপহার
হিসেবে কসাইকে কিছু
দিলে তা না-জায়েয হবে না।
সোর্স:
[১] সূরা আল-হজ্জ: ২৮
[২] সুবুলুস সালাম শরহ বুলূগুল মারাম
৪/১৮৮; আল-মুগনী ১১/১০৮; মির‘আত
২/৩৬৯; ঐ,৫/১২০ পৃঃ।
[৩] সহীহ আল-বুখারী ৫৫৬৯
[৪] বুখারী -১৭১৬
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন