ইসলামের তাওহীদ সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও সুবিচারের আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্যে যারা কাজ করে গেছেন, বি-বাড়িয়ার মাওলানা তাজুল ইসলাম (রহ.) ফখরে বাঙ্গাল (বাঙ্গলার গৌরব) তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ফখরে বাঙ্গাল এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আশার প্রদীপ জ্বেলে গেছেন। তিনি গতকাল শুক্রবার সকালে ১৯৬৭ সনের ৩ এপ্রিল মৃত্যুবরণকারী মাওলানা তাজুল ইসলাম ফখরে বাঙ্গাল সম্পর্কে নেজামে ইসলাম পার্টি আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন। সহ-সভাপতি মাওলানা আবদুর রশিদ মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ফখরে বাঙ্গালের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিকের ওপর আলোকপাত করে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা মো. আবদুল করিম খাঁন, মাওলানা শেখ লোকমান হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাওলানা মো. শওকত আমীন, মাওলানা একেএম আশরাফুল হক, আলহাজ মো. ওবায়দুল হক, মাওলানা ইসমাইল বুখারি ও ইসলামী ছাত্র সমাজের সভাপতি ইলিয়াস আতহারী। মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী বলেন, তিনি (ফখরে বাঙ্গাল) একাগ্রতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, দৃঢ় মনোবল, আত্মবিশ^াস, নিঃস্বার্থ সেবার আদর্শ নিয়ে ইসলামী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন এমন এক রাষ্ট্রের যেখানে থাকবে ইসলামের বিকাশের পূর্ণ সুযোগ। আদর্শিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কলাকৌশল অবলম্বন করে এদেশে ইসলামী চেতনাকে এক নতুন খাতে প্রবাহিত করতে শুরু করেন ফখরে বাঙ্গালসহ অন্যান্যরা। তাঁদের মাধ্যমেই এদেশের ইসলামপন্থীরা পেলো তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠন নেজামে ইসলাম পার্টি। ফখরে বাঙ্গাল আত্মনিয়োগ করেন বিচ্ছিন্ন ইসলামী সমাজকে একীভূত করতে। চেষ্টা চালিয়ে গেছেন, ইসলামপন্থীদের নেজামে ইসলামের পতাকাতলে সংঘবদ্ধ করতে। ফলে তিনি ভূষিত হন ফখরে বাঙ্গাল উপাধিতে। নেজামে ইসলাম পার্টির মাধ্যমে ইসলামের কাফেলা নিয়ে স্বচেষ্ট হন তিনি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন