সিম যাচাই-বাছাইয়ের প্রাথমিক কাজ শেষে সঠিক ও ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে নিবন্ধিত সিম শনাক্ত করা হবে। তার আগ পর্যন্ত সিম নিবন্ধন নিয়ে গ্রাহকের দুর্ভোগ পোহানোর কোনো আশঙ্কা নেই।
নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) কর্তৃপক্ষ বর্তমানে সিম যাচাই-বাছাইয়ের প্রাথমিক কাজটি করছে। এরপর সঠিক ও ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে নিবন্ধিত সিম শনাক্ত করা হবে। তাই আপাতত সিম নিবন্ধন নিয়ে গ্রাহকের ভোগান্তির কোনো আশঙ্কা নেই। তবে ১৬ই ডিসেম্বর থেকে সব সিম কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহককে সশরীরে সেবাকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে ক্রয়ের আনুঠানিকতা সংক্রান্ত সকল কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) কর্তৃপক্ষ বর্তমানে সিম যাচাই-বাছাইয়ের প্রাথমিক কাজটি করছে। এরপর সঠিক ও ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে নিবন্ধিত সিম শনাক্ত করা হবে। তাই আপাতত সিম নিবন্ধন নিয়ে গ্রাহকের ভোগান্তির কোনো আশঙ্কা নেই। তবে ১৬ই ডিসেম্বর থেকে সব সিম কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহককে সশরীরে সেবাকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে ক্রয়ের আনুঠানিকতা সংক্রান্ত সকল কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
সিম কার্ডের নিবন্ধনের বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিটিআরসি। এতে বলা হয়, সিম নিবন্ধনের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রকৃত জাতীয় পরিচয়পত্রধারীদের একাধিক সিম থাকলে কিংবা ভুয়া পরিচয়পত্রের মাধ্যমে যেসব নিবন্ধিত আছে, সেগুলোর ব্যবহারকারীকে প্রকৃত জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে নিবন্ধনের জন্য টেলিকম কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে অনুরোধ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন না করলে ওই সিম বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে সব সিম কেনার সময়ই আঙুলের ছাপসহ নিবন্ধন করতে হবে। সব গ্রাহককে সশরীরে কাস্টমার কেয়ার বা সেবাকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিবন্ধন করতে হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন