রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

লা মাজহাবী আলেমরা যেখানে কুপোকাত সেখানে তাদের মূর্খ অনুসারীরা করে গালাগাল

এক যুবক ছাত্র ৷ জৈবিক চাহিদা খুব বৃদ্ধি পাচ্ছে ৷ অন্যদিকে পড়ালেখার চাপ ৷ সমাধান নিতে এলো হযরত থানভী রহঃ এর দরবারে ৷ তখন হযরত থানভীর মজলিসে জনৈক লা মাযহাবী আলেম উপস্থিত ছিলেন ৷ যুবক হযরতের নিকট আরজ করলো, হুজুর আমার যৌন তাগাদা বেড়ে চলেছে ৷ বিয়ে করা আমার জন্যে ফরজ হয়ে যাচ্ছে ৷ এদিকে বিয়ে করতে গেলে পড়ালেখার ক্ষতি হবে ৷ এমতাবস্থায় বিয়ে করা আমার পক্ষে সম্ভব নয় ৷ দয়া করে সমাধান দিন ৷
লা মাজহাবী আলেম হযরতের জবাবের আগেই বলে উঠলেন, ভাই হাদীসে রোজার কথা আছে না? রোজা রাখলে তো হয়ে যায় ৷
যুবক বললো, জী হযরত রোজা তো রেখেছি, কিন্তু সমস্যা আরো বেড়ে গেছে ৷ তাই তো হাকীমের কাছে এসেছি ৷
মাওলানার মুখে আর রা নেই ৷ হযরত থানভী রহঃ বললেন, কী মাওলানা চুপ কেন? জবাব দেন না ৷
ওই আলেম বললেন, হযরত জবাব আপনিই দেন ৷
হযরত থানভী রহঃ যুবককে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি সওমে বেসাল রেখেছো না দাউদী?
যুবক বললো, দাউদী রেখেছি ৷
হযরত বললেন, দাউদী কাজ হবে না ৷ বেসাল রাখতে হবে ৷
ওই আলেম বললেন, আপনি এটা কোন হাদীসে পেয়েছেন?
হযরত বললেন, আপনি যে হাদীসের দলিল দিয়েছেন ওই হাদীসেই আছে ৷
মাওলানা থ'!!!
এই একই কথা যখন আমরা ফেবুতে বলি তখন তারা গালাগাল ছাড়া আর কিছুই পারে না ৷
তাহলে বলুন ওই হাদীসটা কী? আর ওই হাদীস থেকে বেসাল কীভাবে নির্ণিত হলো?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন