উদুরপিন্ডি বুদুড় ঘাড়ে চাপানোর এক অসাধারন নজীর মাশা আল্লাহ বেরেলভীদের কাছে আছে।আর এটা বেরেলভীদের চিরাচরিত অভ্যাস ও বটে।
যারা প্রকৃতপক্ষে গুস্তাকে রাসুল সাঃ তারাই আবার সঠিক আশেকে রাসুল সাঃ দেরকে গুস্তাকে রাসুল বলে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করে জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এবং ভুল তত্ত্ব ও ইসলামের (শরিয়তের) বিভিন্ন হুকুম আহকামকে ভুল ব্যাক্ষ্যা করে মুসলমানদের কে বিভ্রান্ত করে জাহান্নামের ইন্দন বানাচ্ছে।
আসুন আজ বেরেল্ভীদের কিতাবের দিকে কিছু আলোকপাত করি। বেরেলভীদের প্রসিদ্ধ শায়খুল ইসলাম মুফতি আহমেদ ইয়ার খাঁন নঈমীর অসমাপ্ত তাফসীর “তাফসীরে নাঈমী”তে আহমেদ ইয়ার খাঁন নঈমীর সাহেবজাদা (ছেলে) মুফতি ইকতেদার আহমেদ খাঁন নঈমী “তান’কিদাত ইল’ম মাতবুয়াত” কিতাবের বরাত দিয়ে লিখেছেনঃ-
অর্থঃদুরুদ শরিফ অর্থাৎ দুরুদে ইব্রাহিমী শুধুমাত্র নামাজের মধ্যেই পড়া জায়েজ আছে। নামাজের বাইরে দুরুদে শরিফ পড়া মোটেই জায়েজ নয়। কারন দুরুদে ইব্রাহিমীতে সালাতু ওয়া সালাম নেই।এবং “সালাতু ওয়া সালাম” ছাড়া দুরুদ শরিফ পড়া পবিত্র কুরআন শরিফের হুকুমের পরিপন্তি। অতএব নামাজের বাইরে দুরুদ শরিফ পড়া জায়েজ নেই।(তান’কিদাত ইল’ম মাতবুয়াত-২১০পৃষ্ঠা) এবং (তাফসীরে নাঈমী-১১০পৃষ্ঠা)।
দ্বিতীয়ত নামাজের দুরুদ “দুরুদে ইব্রাহিমী” সম্পর্কে এই অযোগ্য মুফতি সাব লিখেছেন “দুরুদে ইব্রাহিমী” শুধুমাত্রই নামাজের মধ্যে পড়া যায়েজ আছে। যদি কুনো ব্যাক্তি দুরুদে ইব্রাহিমী নামাজের বাইরে পড়ে তাহলে সেটা নাজায়েজ হিসাবে গণ্য হবে শুধু তাই নয় বরং নাজায়েজ কাজ করার কারনে তাকে গুনাহের দরজা পর্যন্ত পৌছতে যাবে। যেহেতু নামাজের মধ্যকারের দুরুদ শরিফ “দুরুদে ইব্রাহিমী”তে সালাতু ওয়া সালাম নেই। অতএব দুরুদে ইব্রাহিমী নামাজের বাইরে পড়া নাজায়েজ। (তাফসীরে নাঈমী-খন্ড ১৬, পৃষ্ঠা-১১০) নঈমী কুতুবখানা,মুফতী আহমেদ ইয়ার খাঁন নঈমী রোড,গুজরাত,পাকিস্তান।
এখানে আমাদের প্রশঃ
এই মুফতী একতেদার আহমদ খাঁন দুরুদ শরিফের ভ্রান্ত ও নিজের মনগড়া ব্যাক্ষ্যা করে উম্মতকে ধুকা দিচ্ছেন শুধু তাই নয় বরং দুরুদ শরিফের মতো একটি উত্তম আম'ল থেকে উম্মতকে দুরে ঠেলে দিয়েছেন।
দ্বিতীয়তো মুফতী একতেদার আহমদ খাঁন নাজায়েজ ফতোয়া প্রদান করে পুর্ববর্তী উম্মতকে কবিরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত করেছেনঃ মুফতী সাব নাজায়েজ ফতোয়া প্রদান করে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উম্মতদের কে ও বিরাট এক আমা'ল থেকে দুরে রাখার এক হীন চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।
এই মুফতী একতেদার আহমদ খাঁন দুরুদ শরিফের ভ্রান্ত ও নিজের মনগড়া ব্যাক্ষ্যা করে উম্মতকে ধুকা দিচ্ছেন শুধু তাই নয় বরং দুরুদ শরিফের মতো একটি উত্তম আম'ল থেকে উম্মতকে দুরে ঠেলে দিয়েছেন।
দ্বিতীয়তো মুফতী একতেদার আহমদ খাঁন নাজায়েজ ফতোয়া প্রদান করে পুর্ববর্তী উম্মতকে কবিরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত করেছেনঃ মুফতী সাব নাজায়েজ ফতোয়া প্রদান করে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উম্মতদের কে ও বিরাট এক আমা'ল থেকে দুরে রাখার এক হীন চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।
এখন আসুন আলোকপাত করি হাদীসে রাসূল সাঃ এর দিকেঃ
Hazrat Anas (radi Allahu anhu) narrates that Sayyiduna Rasoolullah (Sallal Laahu Alaihi Wasallim) said: "He who reads a single Durood upon me, Almighty Allah blesses him ten times, ten of his sins are forgiven, and he is increased ten times in stages (internally). (Mishkaat)
অর্থঃ হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্নিত তিনি বলেন হযরত রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন যে ব্যাক্তি আমার উপর একবার দুরুদ শরিফ পাঠ করবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'ওলা তার উপর দশটি রহমত প্রেরণ করেন, তার দশটি গুনাহ মাফ করেন এবং দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। (মিশকাত শরিফ)
Hazrat Anas (radi Allahu anhu) narrates that Sayyiduna Rasoolullah (Sallal Laahu Alaihi Wasallim) said: "He who reads a single Durood upon me, Almighty Allah blesses him ten times, ten of his sins are forgiven, and he is increased ten times in stages (internally). (Mishkaat)
অর্থঃ হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্নিত তিনি বলেন হযরত রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন যে ব্যাক্তি আমার উপর একবার দুরুদ শরিফ পাঠ করবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'ওলা তার উপর দশটি রহমত প্রেরণ করেন, তার দশটি গুনাহ মাফ করেন এবং দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। (মিশকাত শরিফ)
Hazrat Abdullah ibn Ma'sud (radi Allahu anhu) also narrates that Sayyiduna Rasoolullah (Sallal Laahu Alaihi Wasallim) said: "On the Day of Qiyamah, the closest to me from among the people will be those who have read the most amount of Durood Shareef". (Tirmidhi)
অর্থঃ হযরত আব্দুল্লাহ মাসউদ রাঃ থেকে বর্নিত তিনি বলেন হযরত রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন কিয়ামতের দিবসে তোমাদের মধ্যে সেই ব্যাক্তি আমার সবচেয়ে কাছে থাকবে যে ব্যাক্তি আমার উপর সবচেয়ে বেশি দুরুদ শরিফ পাঠ করেছে। (তিরমিযী শরিফ)
অর্থঃ হযরত আব্দুল্লাহ মাসউদ রাঃ থেকে বর্নিত তিনি বলেন হযরত রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন কিয়ামতের দিবসে তোমাদের মধ্যে সেই ব্যাক্তি আমার সবচেয়ে কাছে থাকবে যে ব্যাক্তি আমার উপর সবচেয়ে বেশি দুরুদ শরিফ পাঠ করেছে। (তিরমিযী শরিফ)
আল্লাহ আমাদেরকে এবং গুঠা উম্মতে মুসলিমাকে বেরেলভী,রেজাখানিদের ঈমান,আমা'ল ও আকিদাহ বিধ্বংসি ফেতনা থেকে হেফাজত করুনঃ
বিঃদ্রঃ কপি ও শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।
বিঃদ্রঃ কপি ও শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন