সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০১৫

প্রশ্ন-জওয়াবঃ

প্রশ্ন-৮. একাকী নামায পড়ার সময় যদি কোন ফরয বা ওয়াজিব কাজে ভুল বা সাহু সিজদা হয়ে যায়, তাহলে কি একদিকে ছালাম ফিরিয়ে সাহু সিজদা দিতে হবে-না কি উভয় দিকে ছালাম ফিরিয়ে?

 জওয়াবঃ ওয়াজিব তরকের ক্ষেত্রে শুধু ডানদিকে ছালাম ফিরিয়ে দুটি সাহু সিজদা দিতে হবে। (১৩ ফরযে ভুল হলে নামায বাতিল হবে-জলিল)।

প্রশ্ন-৯. নিকাহ রেজিস্ট্রার বিবাহ পড়ায়ে টাকা পয়সা নেয়া দুরস্ত আছে কি না?

জওয়াবঃ পূর্বে নির্ধারণ না করে অথবা জবরদস্তি ও বাধ্যতামূলক না করে খুশী হয়ে দিলে গ্রহণ করতে পারবে। আল্লাহ-ই সর্বজ্ঞ। (বর্তমানে ফি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে-তাই দাবী করে নিতে পারবে-জলিল) ।

প্রশ্ন-১০. কাফেরদের নিকট কিছু ঋণ দিয়ে কোন মুসলমান সুদ নিতে পারবে কিনা? অবিভক্ত হিন্দুস্তান কি দারুল হরব-না কি দারুস সালাম?

জওয়াবঃ সুদ এবং ঘুষ খাওয়া কোনরূপ শর্ত ছাড়াই হারাম। অবিভক্ত হিন্দুস্তান দারুল হরব নয়-বরং দারুস সালাম । (দারুল হরব বলা হয়-যেখান থেকে হিজরত করা কিংবা যুদ্ধ করা ফরয)।

প্রশ্ন-১১. কাফেরদের সাথে বসে খানা খাওয়া জায়েয কিনা?

জওয়াবঃ না, জায়েয নেই বরং নিষিদ্ধ।

প্রশ্ন-১২. হিন্দুদের খাওয়ার বস্তুতে ফাতেহা পাঠ করা জায়েয কিনা এবং তাদের ঘরের প্রস্ত্ততকৃত খাদ্য খাওয়া দুরস্ত কি না?

জওয়াবঃ উত্তম হলো মুসলমানদের প্রস্তুতকৃত খাদ্যে ফাতিহা পাঠ করা। হিন্দুদের রান্না করা গোস্ত হারাম। অন্যান্য খাদ্য যদি সন্দেহমুক্ত হয়-তাহলে খাওয়ায় কোন দোষ নেই।  আল্লাহ-ই সর্বজ্ঞ।

প্রশ্ন-১৩. শরিয়তের বিধানমতে ছেলে এবং মেয়ে কখন বালেগ হয়?

জওয়াবঃ ছেলের বেলায় অনুর্ধ ১২ বঃসর এবং মেয়ের বেলায় অনুর্ধ ৯ বৎসর হয়ে গেলে এবং আলামত পাওয়া গেলে শরিয়তের বিধান মতে ছেলে মেয়ে উভয়েই সাবালেগ/সাবালেগা হতে পারে এবং আলামত পাওয়া না গেলে উভয়ের ক্ষেত্রে ১৫ বৎসর বয়সে  ছেলে মেয়েকে বালেগ-বালেগা বলে গণ্য করতে হবে।

প্রশ্ন-১৪. অপবিত্র অবস্থায় কোন মেয়ে লোক মারা গেলে এক গোসলই কি যথেষ্ট-না কি দুই গোসল দিতে হবে?

জওয়াবঃ এক গোসলই যথেস্ট-যদিও তিনবার গোসল ওয়াজিব হোক না কেন। যেমনঃ মেয়েলোকের হায়েয শেষ হওয়ার পর গোসল ফরয হয়েছে, কিন্তু গোসলের পূর্বে স্বামী সহবাস করেছে।  সহবাসের গোসলের পূর্বেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এমতাবস্থায় হায়েযের গোসল, সহবাসের গোসল ও মৃত্যুর গোসল-এই তিনটি একত্রিত হয়েছে। মৃত্যুর গোসলই সব গোসলের জন্য যথেষ্ট হবে। আল্লাহ-ই সর্বজ্ঞ।

প্রশ্ন-১৫. আউলিয়াগণের মধ্যে কার মর্যাদা সবচেয়ে বেশী?

জওয়াবঃ হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদিআল্লাহু আনহুর মর্যাদা বেশী। কেননা তিনি একই সাথে সাহাবী এবং অলী ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন