ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেওয়ার মানে কী? ধর্মানুভূতি আর মুক্তবুদ্ধি কি সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী? মুক্তবুদ্ধির চর্চা করতে গিয়ে ধর্মের প্রসঙ্গ টেনে আনলেই কি তা ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেওয়া বলে বিবেচিত হবে! ধর্মানুভূতিতে আঘাতের কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা আছে কি? সে রকম সংজ্ঞা থাকেও যদি, তাহলেও কি তার ব্যাখ্যা-ভাষ্য সবার কাছেই একরকম হবে? অপব্যাখ্যার সুযোগ নিয়ে ধর্মান্ধ ও মতলববাজ ধর্মধ্বজীদের বিভিন্ন গোষ্ঠী কি মুক্তবুদ্ধিচর্চার সব পথ বন্ধ করে দিতে চেষ্টা করবে না?" ( যতিন সরকার)
হে হে,উল্টাকইরা কই,
মুক্তচিন্তার সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা আছে কি? সে রকম সংজ্ঞা থাকেও যদি, তাহলেও কি তার ব্যাখ্যা-ভাষ্য সবার কাছেই একরকম হবে? অপব্যাখ্যার সুযোগ নিয়ে "শাহাবাগি" ও মতলববাজ " ধর্মধ্বজাধারীরা" বিভিন্ন গোষ্ঠী কি সামাজিকভাবে ধর্মচর্চার সব পথ বন্ধ করে দিতে চেষ্টা করবে না?
ধর্ম স্রেফ নৈতিকতা না, যেমন সেকুলারিজম নৈতিকতা না, অথবা ধরেন, মুক্তচিন্তার মত শব্দগুলা কিন্তু আদতে ধর্মীয় শব্দই। প্রথমে নৈতিক দাবিই করে। মুশকিল হইল, বাংলাদেশে সেকুলারদের মদ্ধে এখন নৈতিকতার কোন তর্ক নাই। হে হে।
বলি কি জানেন, ইসলামি যে রাষ্ট্র ছিল, সেখানে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যাপক ছিলোনা_ তারা নিজেরা আইন প্রনয়ন করতে পারতনা। নিরাপত্তা ও পরিচালনা ইস্যুতেই বেশি মাথা ঘামাইত। ফলে জুলুম থাকলেও, ধর্ম যেহেতু সামাজিক বিশয় ছিল, সমাজ-চর্চার মদ্ধ দিয়াই, আইন প্রণয়ন হইত। জুলুমকে ধর্ম বানানো হইতনা। আবার আইন-আদালত বর্তমানের মত ছিলোনা। সাধারণ ইস্যুতে কাজিরা বিচার করলেও ফিকহি ট্র্যাডিশনের কাছে তার বাধ্য থাকতে হইত। আধুনিক রাষ্ট্র, এই দুইদিক দিয়া, প্রধানত, আরও বেশি ধর্মীয় রাষ্ট্র । আর মুক্তাচিন্তা হইল, প্রধানত, আধুনিক ধর্মের মোল্লা-মওলবির কাজ_ মানে আমরা যাকে দরবারি আলেম বলি আর কি!
কি কইবেন, আপ্নে রাষ্ট্রবিরোধী? হে হে, আধুনিক তাসাউফ_ আইচ্ছা আপনাদের মাজারটা কই?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন