مَّن يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ ۖ وَمَن تَوَلَّىٰ فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا
যে লোক রসূলের হুকুম মান্য করবে সে আল্লাহরই হুকুম মান্য করল। আর যে লোক বিমুখতা অবলম্বন করল, আমি আপনাকে (হে মুহাম্মদ), তাদের জন্য রক্ষণাবেক্ষণকারী নিযুক্ত করে পাঠাইনি। (সূরা-নিচা৮০)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- মহান আল্লাহর কাছে সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রিয় সেই তরুণ সুদর্শন যুবক, যে তার যৌবন ও সৌন্দর্য্য আল্লাহর উদ্দেশ্যে পেশ করে, তাঁর হুকুম পালনে খরচ করে। তিনি সে ব্যক্তি সম্পর্কে তাঁর ফেরেশতাগণের কাছে গর্ব করেন। তিনি বলেন, “এই আমার প্রকৃত বান্দা।” (আল-হাদিস)
আপনি জখন তরুন সুদশর্ন যুবক আপনি নামাজ, রোজা, জিকির, করে কাটিয়ে দিন কেননা মহান আল্লাহর কাছে সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রিয় সেই তরুণ সুদর্শন যুবক, যে তার যৌবন ও সৌন্দর্য্য আল্লাহর উদ্দেশ্যে পেশ করে, তাঁর হুকুম পালন করে। কিন্তু আমরা কি দেখি আমাদের তরুনরা গান বাজনা, মিউজিক, মেয়ে-বন্দু, জুয়া, আড্ডা ...... নিয়ে বেস্ত থাকে। বয়স যখন ৫০-৫৫ হয় তখন নামাজ পড়ে মসজিদে আসে কিন্তু বেশির ভাগ সময় এই বয়সে অযু দরে রাখতে পারে না বা অযু করতে ভুলে যায় তাই তাদের নামাজ আল্লাহ কবুল করে না। যদি আপনি যুবক বয়সে ঠিক মত নামাজ পড়েন আল্লাহকে খুশি করতে পারেন তা হলে বৃদ্ধ বয়সে আপনার ভুল আল্লাহ খমা করে দিবেন। তাই আল্লাহ বলেন তোমরা যুবক আমার কছে সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রিয় সেই, যে তার যৌবন ও সৌন্দর্য্য আল্লাহর উদ্দেশ্যে পেশ করে ও ৫ ওয়াক্ত নামাজ দিয়ে আল্লাহকে খুশি করে। আসুন আমর আমদের ...... যৌবন নামায, রোজা, জিকির দিয়ে আল্লাহ কে খুশি করি। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন (আমিন)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন