নামটা ভুলে গেছি। ভাইটি থাকেন ঢাকার সাভারে। বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলায়। বাড়িতে গিয়ে শুনেন বাড়ির মসজিদে এক হাফেজ সাহেব ইমাম হয়েছেন। তিনি আবার লা-মাযহাবী বিদআতি মতবাদের প্রচারক। তো তিনি তাবলীগ জামাতকে মসজিদে প্রবেশ না করতে দিতে কঠোর ফাতওয়া জারি করেছেন। শুধু ফাতওয়া জারি করেই ক্ষান্ত হননি। তাবলীগের এক জামাতকে মসজিদ থেকে পর্যন্ত বের করে দিয়েছেন।
এতে করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাবলীগের উসুল অনুপাতে তাবলীগের মুরুব্বীরা কোন প্রতিবাদে আগ্রহী হলেন না। কিন্তু উক্ত ভাই ছুটে গেলেন ইমাম সাহেবের কাছে। জানতে চাইলেন তার এ বেআদবীর কারণ কি?
লা-মাযহাবী ইমাম বলল- মসজিদে থাকা জায়েজ নয়। প্রচলিত তাবলীগও বিদআত। তাই আমি তাবলীগ জামাতকে মসজিদে প্রবেশ করতে দিবো না।
উক্ত দ্বীনী ভাইটি বললেন- আপনি কি আমাদের আলেমদের সামনে একথা প্রমাণ করতে পারবেন যে, মসজিদে থাকা জায়েজ নয়?
লা-মাযহাবী ইমাম বলে- পারবো। আমি শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ সাহেবকে নিয়ে আসবো বাহাস করার জন্য।
আমাদের দ্বীনী ভাই লা-মাযহাবী ইমামের সাথে কথা বলে আমাকে কল দিলেন।
বললেন উপরোক্ত ঘটনার বিস্তারিত। সেই সাথে নিজের মধ্যে এ সাহস সঞ্চয়ের মূল চালিকা শক্তি আল্লাহর নূসরত এবং বাহ্যিকভাবে আহলে হক মিডিয়ার ভিডিও ওয়েব সাইটের লেখা বলে জানালেন। বললেন- আপনাদের লেখা পড়ে, এবং ভিডিও দেখে আমার মনে অনেক সাহস সঞ্চার হয়েছে। আমার ভিতরে এতটাই মনোবল তৈরী হয়েছে যে, আমার মনে হয়, আমি ইংরেজী শিক্ষিত হলেও তাদের শায়েখদের সাথে বাহাস করতে পারবো।
শুনে আমি হেসে দিলাম। বললাম- তাহলে আমাদের ভিডিও এবং লেখালেখি স্বার্থক। বাহাস বিষয়ে জানালাম- আপনি উক্ত লা-মাযহাবী ইমামকে বলুন- "আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ যদি বসতে রাজি হয়, তাহলে তার আসা যাওয়ার ভাড়া এবং কিছু হাদিয়া পর্যন্ত দিতে রাজি আছে লুৎফুর রহমান ফরায়েজী সাহেব। শুধু তাকে বসতে রাজি করান। তার নিরাপত্তা এবং আসা যাওয়ার পথের খরচ পর্যন্ত আমি বহন করতে রাজি আছে। কিন্তু তাদের মহান শায়েখ বসবেতো?"
এতে করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাবলীগের উসুল অনুপাতে তাবলীগের মুরুব্বীরা কোন প্রতিবাদে আগ্রহী হলেন না। কিন্তু উক্ত ভাই ছুটে গেলেন ইমাম সাহেবের কাছে। জানতে চাইলেন তার এ বেআদবীর কারণ কি?
লা-মাযহাবী ইমাম বলল- মসজিদে থাকা জায়েজ নয়। প্রচলিত তাবলীগও বিদআত। তাই আমি তাবলীগ জামাতকে মসজিদে প্রবেশ করতে দিবো না।
উক্ত দ্বীনী ভাইটি বললেন- আপনি কি আমাদের আলেমদের সামনে একথা প্রমাণ করতে পারবেন যে, মসজিদে থাকা জায়েজ নয়?
লা-মাযহাবী ইমাম বলে- পারবো। আমি শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ সাহেবকে নিয়ে আসবো বাহাস করার জন্য।
আমাদের দ্বীনী ভাই লা-মাযহাবী ইমামের সাথে কথা বলে আমাকে কল দিলেন।
বললেন উপরোক্ত ঘটনার বিস্তারিত। সেই সাথে নিজের মধ্যে এ সাহস সঞ্চয়ের মূল চালিকা শক্তি আল্লাহর নূসরত এবং বাহ্যিকভাবে আহলে হক মিডিয়ার ভিডিও ওয়েব সাইটের লেখা বলে জানালেন। বললেন- আপনাদের লেখা পড়ে, এবং ভিডিও দেখে আমার মনে অনেক সাহস সঞ্চার হয়েছে। আমার ভিতরে এতটাই মনোবল তৈরী হয়েছে যে, আমার মনে হয়, আমি ইংরেজী শিক্ষিত হলেও তাদের শায়েখদের সাথে বাহাস করতে পারবো।
শুনে আমি হেসে দিলাম। বললাম- তাহলে আমাদের ভিডিও এবং লেখালেখি স্বার্থক। বাহাস বিষয়ে জানালাম- আপনি উক্ত লা-মাযহাবী ইমামকে বলুন- "আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ যদি বসতে রাজি হয়, তাহলে তার আসা যাওয়ার ভাড়া এবং কিছু হাদিয়া পর্যন্ত দিতে রাজি আছে লুৎফুর রহমান ফরায়েজী সাহেব। শুধু তাকে বসতে রাজি করান। তার নিরাপত্তা এবং আসা যাওয়ার পথের খরচ পর্যন্ত আমি বহন করতে রাজি আছে। কিন্তু তাদের মহান শায়েখ বসবেতো?"
দ্বীনী ভাইটি খুশি হলেন। দুআ করলেন মন ভরে। বললেন- আমি উক্ত ইমামকে কথাগুলো শুনিয়ে দিচ্ছি।
এমনি দ্বীনী ভাইদের দুআ পাওয়া এবং আল্লাহর রহমাতের আশায় আমাদের পথচলা। জানি এ পথে অজস্র গালি আসবে। জীবনের হুমকি আসবে। এ পথ কন্টকময় জেনেই পা বাড়িয়েছি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমীন।
এমনি দ্বীনী ভাইদের দুআ পাওয়া এবং আল্লাহর রহমাতের আশায় আমাদের পথচলা। জানি এ পথে অজস্র গালি আসবে। জীবনের হুমকি আসবে। এ পথ কন্টকময় জেনেই পা বাড়িয়েছি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমীন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন