বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

বোরকা ও নেকাবের মাহাত্ম্য!

শিক্ষিকা নামের আগাছাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলা উচিৎ যে, বোরকা হলো নারীদের চলাফেরায় সম্মানের পোষাক.....
.
ঘটনাটি আগেও বলছিলাম, আজও বলতে বাধ্য হলাম!
.
আমার এক মামাত ভাইকে গত ক'দিন আগে হসপিটালে ভর্তি করলাম। হার্টের প্রবলেম। অবস্থা আশঙ্কাজনক। জরুরী ভিত্তিতে আইসিউ বিভাগে প্রেরণ করা হল। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পরে উনাকে রুমে দিয়ে দিলো।
.
একটা নার্স দিন-রাত সেবা-যত্নে লিপ্ত। কিছুক্ষণ পরেই এসে দেখে যান। এক রুমে আছি বিধায় টুকটাক কোন কিছু জিজ্ঞাসা করেন। উনি ভালো আছেন কী না! এসব....
.
আমাকে হুজুর দেখে এমতাবস্থায় একদিন বললেন ভাই, বাসা থেকে আমি রিক্সায় যাতায়াত করি। বখাটে ছেলেরা আমাকে ইঙ্গিত করে অনেক ধরণের কথাবার্তা বলে। আমি অসহ্য হয়ে একদিন টেইলারে গিয়ে বোরকা-হিজাবের ওয়ার্ডার করি। বোরকা রেডি হয়ে গেলে আমি বোরকা পরেই যাতায়াত করতাম।
.
কিন্তু তা থেকেও আমি রেহাই পাইনি! হাত-পা'য়ের দিকে তাকিয়ে বখাটেরা হৈ-হুল্লোর শুরু করে দেয়। কী করবো! ভাবলাম মাদরাসার ছাত্রীদের নিয়ে। তারা হাত-পা'য়ে মোজা পরিধান করে। দেখি আমিও তা পরিধান করে ওদের কাছ থেকে রেহাই পাই কী না।
.
পরেরদিন হাত-পা'য়ে মোজা লাগিয়ে আসলাম। রাস্তায় কোন কিছুই টের পেলাম না! তিনি নিজ থেকেই আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠলেন। আমিও আল্লাহর প্রশংশা করতে কার্পণ্য করিনি।
.
উপরোক্ত ঘটনা বলার কারণ হলো, শুনলাম নেকাব পরার অপরাধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছেন জাবি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষিকা সামিয়া ফারহানা সুমা। নাউযুবিল্লাহ
.
ঐ শিক্ষিকা নামের আগাছাকে নার্সের ঐ ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলা উচিৎ যে, বোরকা হলো নারীদের চলাফেরায় সম্মানের পোষাক। বোরকার কারণেই আজ কোটি কোটি মহিলা বখাটে ছেলেদেরকৃত ইভটিজিংয়ের শিকার থেকে রক্ষা পাচ্ছেন। আর মূল কথা তো এটাই আল্লাহর বিধান।
.
আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করে ইসলামের খাদেম হিসাবে কবুল করেন। আমীন

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন