বিরহ ও কষ্টের দিন কাটাচ্ছি৷ পরিবেশ বদলের নিয়েত বের হলাম বিকেলে৷ শেরপুরের শেরিঘাট? নাবীলার প্রশ্ন ঘাট কী? পুলের উপর দাঁড়িয়ে মাছ ধরার খরা দেখাইলাম৷ মুহাম্মদের প্রশ্ন খরা কী?
জন্ম এদের শহরে৷ নদী, জাল, মাছ ধরা, খরা, বাইর, আইল, বাতার কিছুই জানে না৷ চেনে না৷ শহুরে শহুরে ভাব৷ এই ভাব ভাঙ্গা প্রয়োজন৷ আবরার গ্রামে৷ নদী দেখছে৷ তাঁর মায়ের ফোন নদীতে সাঁতার দিয়ো না৷ বাংলাদেশে জন্ম বয়স দশ হবে অথচ সাঁতার শিখবে না এ কেমন বাঙলার পোলাপান৷ ছাওয়াল পাওয়াল?
তেরোশ নদীর দেশ বাংলাদেশ৷ হাওরের দেশ বাংলাদেশ৷ সাগরের দেশ বাংলাদেশ৷ পদ্মা, মেঘনা যমুনার দেশ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ৷ মরা গাঙে বর্ষাতে হলেও বান আসে৷ জোয়ার ভাটা আছে৷ ভাটিয়ালি সূরে এখনও পালতোলা নৌকা চলে৷ নদী পথ চালু থাকলে কম খরচে সফর চলতো৷ আল্লাহর কুদরত নদীকে আমরা হত্যা করেছি৷ দাদারা নদীর গলা চেপে চেক চেপে হত্যা করছে৷ গাদ্দার ও গর্দবরা নদীতে বাঁধ দেয়৷ নদীকে নদীর মতো চলতে দিতে হবে৷ জালেমরা নদীকে দূষিত করে৷ বাঁধ দেয়৷ পানি আটকিয়ে রাখে৷ জালেমরা ফারাক্কার ফাঁদ পাতে৷
শেরীঘাট থেকে পার্কে৷ শিশু পার্ক৷ জে কে স্কুলের সাথে পার্ক৷ পার্কের সাথে জেলার ঈদগাহ৷ টেনিস খেলার মাঠ৷ পার্কে প্রাচীন শানদার ঘাট পুকুরে৷
শিশু পার্কের টিকেট পাঁচ টাকা৷ বেলুন কিনলাম বাচ্চার জন্য৷ বিশ টাকায়৷ পাঁচ মিনিটেই ফুটুস৷ পৃথিবীটাও ফুটুস বেলুন৷ নাগর দোলায় আমিও ওঠলাম নাবীলা ও মুহাম্মদকে নিয়ে৷ নীচে ওপরে দোলল৷ আমরা যেমন মালের পেছনে দোলতে থাকি৷ চক্রর৷ আমি পাঁচ টাকার বাদাম কিনে টুস টাস করলাম এবং বিট লবনের স্বাদ নিলাম৷ পার্কে নামাযের ব্যবস্থা নেই তবুও পড়লাম বটগাছের নীচে৷ পৃথিবী হলো বাদামের টুসটাস৷ একটু বিট লবনের মজা৷
শিশু পার্কে শিশুর জগৎ৷ এদের আনন্দরা নেচে ওঠে৷ হাসপাতালেও দেখেছি শিশুর জগৎ৷ সেখানে হতাশা৷ মায়ের মুখ মলিন৷ এখানে শিশুরা লাফাচ্ছে৷ মায়ের মুখে হাসি৷ পৃথিবীটা এই আশা ও হতাশার নাম৷ এই হাসি এই কান্না৷
শিশু পার্কে তাঁরা এই প্রথম গেলো৷ প্রায় ৪০/৫০ জন মা বাচ্চাসহ পার্কে৷ মোল্লার পোষাকে শুধু আমি৷ তসবিহ ছাড়া গিয়েছি তাই তসবিহ না টিপে এককোনে বাদাম টিপলাম৷ একজন যুবক যুবতি মোবাইল টিপছে শিশুদের দোলনায় বসে৷ এরা গর্বব টাইপের৷ শিশুদের সামনেও বাঁদরামী৷ বান্দর ও বান্দরীর জায়গা তো শিশু পার্ক নয় তাও বুঝে না এই গাধা গাধীরা৷ পোষাকে মনে হলো কলেজের লেজ আছে৷
শিশুদের পানি পান করার জন্য একটি টেপ আছে তবে ডার্টি৷ ডার্টি বাংলাদেশের জাত স্বভাবে আছে৷ ময়মনসিংহে গিদরিপনা বলে৷ গিদর মানে শুকর৷
হাসপাতালে গিদরিপনা বেশি৷ মাদরাসার আঙ্গিনাও হাসপাতের মতো কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া৷
শিশু পার্কের আছর ছাড়াতে শহরের সবচে মনোরম মসজিদ মাইসাহেবাতে মাগরিব পড়লাম৷ এসি মসজিদ৷ মিনারা দূর থেকে দেখা যায়৷ আজান শোনা যায় দূর থেকে৷ আল্লাহু আকবার৷
এই প্রথম বাচ্চাদের পার্কে নিয়ে গেলাম৷ পার্ক খারাপ কিছু না তবে যারা পার্কে যায় তাদের আরেকটু শালীন ও ভদ্র হতে হবে৷
আর ইসলামপন্থীদের তো পার্ক টার্ক প্রয়োজন নেই!
প্রয়োজন থাকলে ইসলামী পরিবেশসহ দেশে একটি হলেও বিনোদন কেন্দ্র থাকতো৷ থাকতো শিশুদের খেলনাসহ এক খন্ড জায়গা৷
এইসব বললেও সমস্যা৷ থাক পার্কের প্রয়োজন নেই আবার ইসলামী তরিকায় ইশক প্রেম শুরু হবে!
যেমন ইসলামী তরিকায় সুদের আয়োজন আছে ব্যাংকে৷ গান আছে ইসলামী তরিকায়৷ ড্যান্সও হবে হয়তো আগামীতে!
তেরোশ নদীর দেশ বাংলাদেশ৷ হাওরের দেশ বাংলাদেশ৷ সাগরের দেশ বাংলাদেশ৷ পদ্মা, মেঘনা যমুনার দেশ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ৷ মরা গাঙে বর্ষাতে হলেও বান আসে৷ জোয়ার ভাটা আছে৷ ভাটিয়ালি সূরে এখনও পালতোলা নৌকা চলে৷ নদী পথ চালু থাকলে কম খরচে সফর চলতো৷ আল্লাহর কুদরত নদীকে আমরা হত্যা করেছি৷ দাদারা নদীর গলা চেপে চেক চেপে হত্যা করছে৷ গাদ্দার ও গর্দবরা নদীতে বাঁধ দেয়৷ নদীকে নদীর মতো চলতে দিতে হবে৷ জালেমরা নদীকে দূষিত করে৷ বাঁধ দেয়৷ পানি আটকিয়ে রাখে৷ জালেমরা ফারাক্কার ফাঁদ পাতে৷
শেরীঘাট থেকে পার্কে৷ শিশু পার্ক৷ জে কে স্কুলের সাথে পার্ক৷ পার্কের সাথে জেলার ঈদগাহ৷ টেনিস খেলার মাঠ৷ পার্কে প্রাচীন শানদার ঘাট পুকুরে৷
শিশু পার্কের টিকেট পাঁচ টাকা৷ বেলুন কিনলাম বাচ্চার জন্য৷ বিশ টাকায়৷ পাঁচ মিনিটেই ফুটুস৷ পৃথিবীটাও ফুটুস বেলুন৷ নাগর দোলায় আমিও ওঠলাম নাবীলা ও মুহাম্মদকে নিয়ে৷ নীচে ওপরে দোলল৷ আমরা যেমন মালের পেছনে দোলতে থাকি৷ চক্রর৷ আমি পাঁচ টাকার বাদাম কিনে টুস টাস করলাম এবং বিট লবনের স্বাদ নিলাম৷ পার্কে নামাযের ব্যবস্থা নেই তবুও পড়লাম বটগাছের নীচে৷ পৃথিবী হলো বাদামের টুসটাস৷ একটু বিট লবনের মজা৷
শিশু পার্কে শিশুর জগৎ৷ এদের আনন্দরা নেচে ওঠে৷ হাসপাতালেও দেখেছি শিশুর জগৎ৷ সেখানে হতাশা৷ মায়ের মুখ মলিন৷ এখানে শিশুরা লাফাচ্ছে৷ মায়ের মুখে হাসি৷ পৃথিবীটা এই আশা ও হতাশার নাম৷ এই হাসি এই কান্না৷
শিশু পার্কে তাঁরা এই প্রথম গেলো৷ প্রায় ৪০/৫০ জন মা বাচ্চাসহ পার্কে৷ মোল্লার পোষাকে শুধু আমি৷ তসবিহ ছাড়া গিয়েছি তাই তসবিহ না টিপে এককোনে বাদাম টিপলাম৷ একজন যুবক যুবতি মোবাইল টিপছে শিশুদের দোলনায় বসে৷ এরা গর্বব টাইপের৷ শিশুদের সামনেও বাঁদরামী৷ বান্দর ও বান্দরীর জায়গা তো শিশু পার্ক নয় তাও বুঝে না এই গাধা গাধীরা৷ পোষাকে মনে হলো কলেজের লেজ আছে৷
শিশুদের পানি পান করার জন্য একটি টেপ আছে তবে ডার্টি৷ ডার্টি বাংলাদেশের জাত স্বভাবে আছে৷ ময়মনসিংহে গিদরিপনা বলে৷ গিদর মানে শুকর৷
হাসপাতালে গিদরিপনা বেশি৷ মাদরাসার আঙ্গিনাও হাসপাতের মতো কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া৷
শিশু পার্কের আছর ছাড়াতে শহরের সবচে মনোরম মসজিদ মাইসাহেবাতে মাগরিব পড়লাম৷ এসি মসজিদ৷ মিনারা দূর থেকে দেখা যায়৷ আজান শোনা যায় দূর থেকে৷ আল্লাহু আকবার৷
এই প্রথম বাচ্চাদের পার্কে নিয়ে গেলাম৷ পার্ক খারাপ কিছু না তবে যারা পার্কে যায় তাদের আরেকটু শালীন ও ভদ্র হতে হবে৷
আর ইসলামপন্থীদের তো পার্ক টার্ক প্রয়োজন নেই!
প্রয়োজন থাকলে ইসলামী পরিবেশসহ দেশে একটি হলেও বিনোদন কেন্দ্র থাকতো৷ থাকতো শিশুদের খেলনাসহ এক খন্ড জায়গা৷
এইসব বললেও সমস্যা৷ থাক পার্কের প্রয়োজন নেই আবার ইসলামী তরিকায় ইশক প্রেম শুরু হবে!
যেমন ইসলামী তরিকায় সুদের আয়োজন আছে ব্যাংকে৷ গান আছে ইসলামী তরিকায়৷ ড্যান্সও হবে হয়তো আগামীতে!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন