.....................সবচেয়ে দামী কথা........................
তাকওয়া, মুহাব্বত ও শোকর
তাকওয়াঃ- জনৈক যুবক এক প্রখ্যাত বুজুর্গকে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর ওলী! দয়াকরে আমাকে বলুন, তাকওয়া ( খোদাভীতি) এর আলামত কি?
বুজুর্গ বললেন, দুনিয়ার সকল বস্তুর ভয় অন্তর থেকে দূরীভূত হয়ে একমাত্র আল্লাহর ভয় অন্তরে বিরাজ করাই তাকওয়া তথা খোদাভীতির আলামত। এ কথা শুনে যুবক বিচলিত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললো। কিছুক্ষন পর জ্ঞান ফিরে আসলে সে আবার জিজ্ঞেস করল, বান্দা কি করে বুঝবে যে, তার ভিতর তাকওয়া তথা খোদাভীতি সৃষ্টি হয়েছে?
বুজুর্গ বললেন, দুনিয়ার মোহ এমনভাবে ত্যাগ করা, যেমন অসুস্থ ব্যাক্তি রোগবৃদ্ধির আশঙ্কায় মজাদার খানাপিনা ত্যাগ করে তিক্ত ঔষধের ওপর সবর করে থাকে। তদ্রূপ আল্লাহর ভয়ে ভীত ব্যাক্তিও দুনিয়ার যাবতীয় মোহ ও স্বাদ ত্যাগ করে থাকে। যখন এমনটি হবে, তখন বুঝবে খোদাভীতি সৃষ্টি হয়েছে।
এ জবাব শুনার সঙ্গে সঙ্গে যুবক বিকট স্বরে চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। উপস্থিত লোকেরা মনে করল যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। দীর্ঘ সময় পর তার জ্ঞান ফিরে আসলে সে পুনরায় জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর ওলী! আমাকে বলুন, আল্লাহর মুহাব্বত কি?
বুজুর্গ বললেন, হে বন্ধু! এ অনেক উচ্চাঙ্গের বিষয়। যুবক বলল, আমাকে সামান্য কিছু বলুন। বুজুর্গ বললেন, মানুষের অন্তরে যখন আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হয় তখন তার অন্তর হতে হেজাব ও পর্দা উঠিয়ে দেওয়া হয়। অতপর সে অন্তরে সৃষ্ট নূরের সাহায্যে আল্লাহ পাকের আজমত ও উচ্চ মর্যাদা অবলোকন করতে থাকে। এবং সে ফেরেশ্তাদের দলভুক্ত হয়ে তাদের সমস্ত কাজকর্ম স্বচক্ষে দেখতে থাকে। ঐ সময় সে নিজের সর্বশক্তি দিয়ে আল্লাহর ইবাদতে লিপ্ত হয়। অথচ ওই ইবাদতের বিনিময়ে সে জান্নাতও কামনা করেনা আর তার অন্তরে জাহান্নামের ভয়ও সৃষ্টি হয় না।
বুজুর্গের এ জবাব শুনে যুবক বিকট চিৎকার করে প্রান হারাল। বুজুর্গ বললেন এটাই খোদাভীতি ও আল্লহর মুহাব্বতের আলামত।
শোকরঃ- নবী কারীম সঃ বলেছেন, দুটি গুন যার মাঝে থাকবে, আল্লাহ তাকে শোকরগুযার ও ধৈর্যশীল বান্দা আখ্যায়িত করবেন।
১। ধর্মীয় ব্যাপারে নিজের চেয়ে উঁচুস্তরের কারো দিকে তাকানো এবং তার অনুসরণ করা।
২। দুনিয়ার ব্যাপারে নিজের চেয়ে অসহায় ও দুর্বল কারো দিকে তাকানো এবং আল্লাহর প্রশংসা করা।(তিরমিযী
তাকওয়া, মুহাব্বত ও শোকর
তাকওয়াঃ- জনৈক যুবক এক প্রখ্যাত বুজুর্গকে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর ওলী! দয়াকরে আমাকে বলুন, তাকওয়া ( খোদাভীতি) এর আলামত কি?
বুজুর্গ বললেন, দুনিয়ার সকল বস্তুর ভয় অন্তর থেকে দূরীভূত হয়ে একমাত্র আল্লাহর ভয় অন্তরে বিরাজ করাই তাকওয়া তথা খোদাভীতির আলামত। এ কথা শুনে যুবক বিচলিত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললো। কিছুক্ষন পর জ্ঞান ফিরে আসলে সে আবার জিজ্ঞেস করল, বান্দা কি করে বুঝবে যে, তার ভিতর তাকওয়া তথা খোদাভীতি সৃষ্টি হয়েছে?
বুজুর্গ বললেন, দুনিয়ার মোহ এমনভাবে ত্যাগ করা, যেমন অসুস্থ ব্যাক্তি রোগবৃদ্ধির আশঙ্কায় মজাদার খানাপিনা ত্যাগ করে তিক্ত ঔষধের ওপর সবর করে থাকে। তদ্রূপ আল্লাহর ভয়ে ভীত ব্যাক্তিও দুনিয়ার যাবতীয় মোহ ও স্বাদ ত্যাগ করে থাকে। যখন এমনটি হবে, তখন বুঝবে খোদাভীতি সৃষ্টি হয়েছে।
এ জবাব শুনার সঙ্গে সঙ্গে যুবক বিকট স্বরে চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। উপস্থিত লোকেরা মনে করল যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। দীর্ঘ সময় পর তার জ্ঞান ফিরে আসলে সে পুনরায় জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর ওলী! আমাকে বলুন, আল্লাহর মুহাব্বত কি?
বুজুর্গ বললেন, হে বন্ধু! এ অনেক উচ্চাঙ্গের বিষয়। যুবক বলল, আমাকে সামান্য কিছু বলুন। বুজুর্গ বললেন, মানুষের অন্তরে যখন আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হয় তখন তার অন্তর হতে হেজাব ও পর্দা উঠিয়ে দেওয়া হয়। অতপর সে অন্তরে সৃষ্ট নূরের সাহায্যে আল্লাহ পাকের আজমত ও উচ্চ মর্যাদা অবলোকন করতে থাকে। এবং সে ফেরেশ্তাদের দলভুক্ত হয়ে তাদের সমস্ত কাজকর্ম স্বচক্ষে দেখতে থাকে। ঐ সময় সে নিজের সর্বশক্তি দিয়ে আল্লাহর ইবাদতে লিপ্ত হয়। অথচ ওই ইবাদতের বিনিময়ে সে জান্নাতও কামনা করেনা আর তার অন্তরে জাহান্নামের ভয়ও সৃষ্টি হয় না।
বুজুর্গের এ জবাব শুনে যুবক বিকট চিৎকার করে প্রান হারাল। বুজুর্গ বললেন এটাই খোদাভীতি ও আল্লহর মুহাব্বতের আলামত।
শোকরঃ- নবী কারীম সঃ বলেছেন, দুটি গুন যার মাঝে থাকবে, আল্লাহ তাকে শোকরগুযার ও ধৈর্যশীল বান্দা আখ্যায়িত করবেন।
১। ধর্মীয় ব্যাপারে নিজের চেয়ে উঁচুস্তরের কারো দিকে তাকানো এবং তার অনুসরণ করা।
২। দুনিয়ার ব্যাপারে নিজের চেয়ে অসহায় ও দুর্বল কারো দিকে তাকানো এবং আল্লাহর প্রশংসা করা।(তিরমিযী
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন