মাহে রমজানে সাত মহাবিজয়
ইতিহাসজুড়ে পবিত্র রমজান মাসে মুসলিম উম্মাহর মহা বিজয়ের অসংখ্য ঘটনা দেখা যায়। এসব যুদ্ধ ইতিহাসের গতি বদলে দিয়েছিল। মুসলমানরা অমিত বিক্রমে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছিল। শুরু হয়েছিল নতুন দিগন্তের।
এখানে পবিত্র রমজান মাসে সংঘঠিত সাতটি মহা বিজয়ের কাহিনী তুলে ধরা হলো।
এখানে পবিত্র রমজান মাসে সংঘঠিত সাতটি মহা বিজয়ের কাহিনী তুলে ধরা হলো।
বদর যুদ্ধ (২য় হিজরি)
দ্বিতীয় হিজরিতে ১৭ রমজান বদর প্রান্তরে মহানবির (সা.) নেতৃত্বে মুসলমানরা জিহাদে অবতীর্ণ হয় মক্কার অমুসলিমদের বিরুদ্ধে। মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে এটাই প্রথম যুদ্ধ। সেইসাথে এটাই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিজয়ও ছিল। আরবের মানুষ নতুন শক্তি হিসেবে ইসলামকে স্বীকার করে নেয় এর মাধ্যমে।
এই যুদ্ধের আগেও দুই পক্ষ ছোটখাট কিছু সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল, কিন্তু ব্যাপক শক্তি নিয়ে ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ ছিল এটাই প্রথম।
এই যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর সদস্য ছিলেন মাত্র ৩১৩ জন। আর মক্কার অমুসলিম বাহিনীর সদস্য ছিল ১০০০। অসম যুদ্ধেও মুসলমানরা বিপুল বিজয় হাসিল করে। মক্কার কাফিরদের বেশির ভাগ গুরুত্বপূর্ণ নেতাই নিহত হয়।
দ্বিতীয় হিজরিতে ১৭ রমজান বদর প্রান্তরে মহানবির (সা.) নেতৃত্বে মুসলমানরা জিহাদে অবতীর্ণ হয় মক্কার অমুসলিমদের বিরুদ্ধে। মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে এটাই প্রথম যুদ্ধ। সেইসাথে এটাই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিজয়ও ছিল। আরবের মানুষ নতুন শক্তি হিসেবে ইসলামকে স্বীকার করে নেয় এর মাধ্যমে।
এই যুদ্ধের আগেও দুই পক্ষ ছোটখাট কিছু সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল, কিন্তু ব্যাপক শক্তি নিয়ে ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ ছিল এটাই প্রথম।
এই যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর সদস্য ছিলেন মাত্র ৩১৩ জন। আর মক্কার অমুসলিম বাহিনীর সদস্য ছিল ১০০০। অসম যুদ্ধেও মুসলমানরা বিপুল বিজয় হাসিল করে। মক্কার কাফিরদের বেশির ভাগ গুরুত্বপূর্ণ নেতাই নিহত হয়।
মক্কা বিজয় (৮ম হিজরি)
মুসলমানরা মক্কা বিজয় সম্পন্ন করে ৮ম হিজরির ১৮ রমজান। ইসলামের ইতিহাসে এটা অনন্য একটা ঘটনা।
আসলে মুসলমানরা যুদ্ধ ছাড়াই মক্কা জয় করেছিল। মুসলমানদের শক্তি দেখে অমুসলিমরা যুদ্ধ করার মনোবল হারিয়ে ফেলেছিল। এই জয়ের মাধ্যমে আরব উপদ্বীপ মুসলিমদের হাতে চলে আসে।
মুসলমানরা মক্কা বিজয় সম্পন্ন করে ৮ম হিজরির ১৮ রমজান। ইসলামের ইতিহাসে এটা অনন্য একটা ঘটনা।
আসলে মুসলমানরা যুদ্ধ ছাড়াই মক্কা জয় করেছিল। মুসলমানদের শক্তি দেখে অমুসলিমরা যুদ্ধ করার মনোবল হারিয়ে ফেলেছিল। এই জয়ের মাধ্যমে আরব উপদ্বীপ মুসলিমদের হাতে চলে আসে।
আন্দালুসিয়া বিজয় (৯১ হিজরি)
আন্দালুসিয়া তথা স্পেন জয় মানব ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। এই জয়ের মাধ্যমে জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন যুগের সূচনা হয়। মুসলমানদের স্পেন জয় না হলে আধুনিক ইউরোপের আবির্ভাব হতো কি না তা নিয়ে অনেক গবেষক সন্দিহান।
তারিক ইবনে জিয়াদের নেতৃত্বে এই জয় সম্পন্ন হয়েছিল। এই জয়ের পর ৮০০ বছর স্পেনে মুসলিম শাসন স্থায়ী হয়েছিল।
আন্দালুসিয়া তথা স্পেন জয় মানব ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। এই জয়ের মাধ্যমে জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন যুগের সূচনা হয়। মুসলমানদের স্পেন জয় না হলে আধুনিক ইউরোপের আবির্ভাব হতো কি না তা নিয়ে অনেক গবেষক সন্দিহান।
তারিক ইবনে জিয়াদের নেতৃত্বে এই জয় সম্পন্ন হয়েছিল। এই জয়ের পর ৮০০ বছর স্পেনে মুসলিম শাসন স্থায়ী হয়েছিল।
আইন জালুতের যুদ্ধ (৬৫৮ হিজরি)
দুর্ধর্ষ ও নৃশংস মঙ্গোল বাহিনীর বিরুদ্ধে ১২৬০ সালে মুসলমানরা জয়ী হয়েছিল। এই যুদ্ধের আগে মঙ্গোল বাহিনীর হাতে মুসলমানরা কেবল হারছিলই। মুসলিম ভূমির অস্তিত্ব এর ফলে বিলীন হওয়ার উপক্রম ঘটেছিল। এমন পরিস্থিতিতে জাজরিল উপত্যাকায় (ফিলিস্তিন এলাকা) মঙ্গোলদের শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে মুসলমানরা। এর আগে কখনো মঙ্গোলরা কোনো যুদ্ধে হারলে কিছু দিনের মধ্যে শক্তি সঞ্চয় করে আরো ভয়াবহ হামলা চালিয়ে প্রতিপক্ষকে বিধ্বস্ত করে দিত। কিন্তু এই পরাজয়ের পর তাদের সেই শক্তি আর থাকেনি। তারা আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি।
দুর্ধর্ষ ও নৃশংস মঙ্গোল বাহিনীর বিরুদ্ধে ১২৬০ সালে মুসলমানরা জয়ী হয়েছিল। এই যুদ্ধের আগে মঙ্গোল বাহিনীর হাতে মুসলমানরা কেবল হারছিলই। মুসলিম ভূমির অস্তিত্ব এর ফলে বিলীন হওয়ার উপক্রম ঘটেছিল। এমন পরিস্থিতিতে জাজরিল উপত্যাকায় (ফিলিস্তিন এলাকা) মঙ্গোলদের শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে মুসলমানরা। এর আগে কখনো মঙ্গোলরা কোনো যুদ্ধে হারলে কিছু দিনের মধ্যে শক্তি সঞ্চয় করে আরো ভয়াবহ হামলা চালিয়ে প্রতিপক্ষকে বিধ্বস্ত করে দিত। কিন্তু এই পরাজয়ের পর তাদের সেই শক্তি আর থাকেনি। তারা আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি।
ক্রিমিয়া জয় (৮৮৯ হিজরি)
ইতিহাসে উসমানিয়া সুলমান মোহাম্মদ আল ফাতাহকে চেনে কনস্টানটিনোপল (ইস্তাম্বুল) বিজয়ের জন্য। অথচ এই মহানায়ক আরো অনেক যুদ্ধ জয় করেছেন। এর মধ্যে ছিল সার্বিয়া, বসনিয়া, আলবেনিয়া এবং ক্রিমিয়াসহ কৃষ্ণসাগর উপকূল। ১৪৭৫ সালের এই জয়ের ফলে ১১৭৪ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়া উসমানিয়া তুর্কিদের হাতে থাকে।
ইতিহাসে উসমানিয়া সুলমান মোহাম্মদ আল ফাতাহকে চেনে কনস্টানটিনোপল (ইস্তাম্বুল) বিজয়ের জন্য। অথচ এই মহানায়ক আরো অনেক যুদ্ধ জয় করেছেন। এর মধ্যে ছিল সার্বিয়া, বসনিয়া, আলবেনিয়া এবং ক্রিমিয়াসহ কৃষ্ণসাগর উপকূল। ১৪৭৫ সালের এই জয়ের ফলে ১১৭৪ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়া উসমানিয়া তুর্কিদের হাতে থাকে।
নুবিয়া জয় (৩১ হিজরি)
মুসলিমদের অব্যাহত অগ্রযাত্রার মধ্যেও দক্ষিণ মিসরের নুবিয়ায় তিনটি খ্রিস্টান রাজ্য জয় করা সম্ভব হচ্ছিল না। ৩১ হিজরিতে ২০ হাজার সদস্যের মুসলিম বাহিনী অবশেষে নুবিয়া জয় করে। এই জয়ের মাধ্যমে পূর্ব আফ্রিকা ইসলামের জন্য খুলে যায়।
মুসলিমদের অব্যাহত অগ্রযাত্রার মধ্যেও দক্ষিণ মিসরের নুবিয়ায় তিনটি খ্রিস্টান রাজ্য জয় করা সম্ভব হচ্ছিল না। ৩১ হিজরিতে ২০ হাজার সদস্যের মুসলিম বাহিনী অবশেষে নুবিয়া জয় করে। এই জয়ের মাধ্যমে পূর্ব আফ্রিকা ইসলামের জন্য খুলে যায়।
ইসরাইলকে হারানো (১৩৯৩ হিজরি)
ইসরাইল খুব ছোট হলেও পাশ্চাত্যের প্রত্যক্ষ সমর্থন থাকার কারণে ইহুদি রাষ্ট্রটিকে হারানো সম্ভব হয়নি। ১৯৪৮ ও ১৯৬৭ সালে ফিলিস্তিন ও আরবরা বিশাল এলাকা খোয়ায়।
এমন এক প্রেক্ষাপটে ১৯৭৩ সালের ৬ অক্টোবর (১০ রমজান) মিসর ও সিরিয়ার বাহিনী সিনাই উপত্যাকায় যৌথ হামলা চালায়। এই প্রথম ইসরাইল পরাজয় স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়।
ইসরাইল খুব ছোট হলেও পাশ্চাত্যের প্রত্যক্ষ সমর্থন থাকার কারণে ইহুদি রাষ্ট্রটিকে হারানো সম্ভব হয়নি। ১৯৪৮ ও ১৯৬৭ সালে ফিলিস্তিন ও আরবরা বিশাল এলাকা খোয়ায়।
এমন এক প্রেক্ষাপটে ১৯৭৩ সালের ৬ অক্টোবর (১০ রমজান) মিসর ও সিরিয়ার বাহিনী সিনাই উপত্যাকায় যৌথ হামলা চালায়। এই প্রথম ইসরাইল পরাজয় স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন