শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০১৫

মাতৃগর্ভে বাচ্চার পেশি ও হাড়ের গঠন সম্পর্কে কুরআন যা বলেছিল আজ বিজ্ঞান তা স্বীকার করে নিল। (ইসলামি কলাম)

মাতৃগর্ভে বাচ্চার পেশি ও হাড়ের গঠন সম্পর্কে কুরআন যা বলেছিল আজ বিজ্ঞান তা স্বীকার করে নিল।
________________________________________
কুরআনে বলা হয়েছে মাতৃগর্ভাষয়ে
মাংশপেশী গঠিত হওয়ার আগই বাচ্চার
হাড় গঠিত হয়।
"আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি,অতঃপর আমি তাকে শুক্রবিন্দু রূপে এক সংরহ্মিত আধারে স্থাপন করেছি।এরপর আমি শুক্রবিন্দুকে জমাট রক্তরূপে সৃষ্টি করেছি,অতঃপর জমাট রক্তকে মাংসপিন্ডে পরিণত করেছি,এরপর সেই মাংসপিন্ড থেকে অস্থি সৃষ্টি করেছি,অতঃপর অস্থিকে মাংস দ্বারা আবৃত করেছি,অবশেষে তাকে নতুন রূপে দাঁড় করিয়েছি,নিপুনতম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কত কল্যাণময়"(২৩:১২-১৪)।
কিছুদিন পূর্বেও এম্ব্রয়লোজি জানতো
যে,
এম্ব্রয় এর হাড় ও মাংসপেশী একই সময়ে
তৈরী হয়। এখন আধুনিক এমব্র্যয়লজি
এভাবে দেয়া হয়েছে-"সাত সপ্তাহের মধ্যে কংকালের গঠন শেষ হয়
এবং দেহের সবখানে ছড়িয়ে পরতে থাকে।
এবং হাড় এর বিভিন্ন আকৃতি ধারণ
করে। অষ্টম সপ্তাহের দিকে মাংসপেশী
গঠিত হতে থাকে যা হাড়ের চারপাশে
অবস্থান নিতে থাকে।"
Keith Moore (developing Human, 6
part)-1998 অর্থাৎ মানুষের জন্ম ঠিক সেভাবেই হয়,
যেভাবে কোরআনে বলা হয়েছে।
মার্কিন নাগরিক ও বিজ্ঞানী মার্শাল জনসন
ভ্রুনতত্ত্ব সম্পর্কিত আয়াত প্রসঙ্গে বলেছেন, "ভ্রণের বিকাশের পর্যায়গুলো সম্পর্কে কোরআনের এ বাস্তবতা আবিস্কার করা সম্ভব।কোরআন হল দেড় হাজার বছর আগের গ্রন্থ। সে সময় কোন মাইক্রোসকোপের অস্তিত্ব ছিল না।
তখনও মাইক্রোস্কোপ আবিস্কৃতই হয়নি। কোরআন নাজিলের বহু বছর পরে যখন মাইক্রোস্কোপ আবিস্কৃত হল
তখন ওই মাইক্রোস্কোপ কোন বস্তুকে ১০ গুণের বেশি বড়। করতে পারতো না
এবং স্বচ্ছতাও কম ছিল কাজেই কোরআনের বানী মানুষের হতে পারে না"।
এরপরও কাফের নাস্তিকরা কুরআনকে বিশ্বাস করবেনা, আর আল্লাহ ভালোকরেই জানেন নাস্তিকদের মস্তিষ্ক সম্পর্কে। আল্লাহ নবীজিকে বলেন-"আমি এই কুরআনে মানুষের জন্য সর্বপ্রকার দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছি।
আপনি যদি তাদের কাছে কোন নিদর্শন উপস্থিত করেন,তবে কাফেররা অবশ্যই বলবে,তোমরা
সবাই মিথ্যাপন্থী(৩০:৫৮)"আপনি তাদেরকে সতর্ক করুন বা না করুন,তাদের পহ্মে দুয়েই সমান;তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না।আপনি কেবল তাদেরকেই সতর্ক করতে পারেন,যারা উপদেশ অনুসরণ করে এবং দয়াময় আল্লাহকে না দেখে ভয় করে।
অতএব আপনি তাদেরকে সুসংবাদ দিয়ে দিন হ্মমা ও সম্মানজনক পুরস্কারের।(৩৬:১০,১১)।
_
__»প্রশ্ন বিশেষজ্ঞ

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন