বুধবার, ৮ জুলাই, ২০১৫

সূরা ইয়াসীন এর ফযীলত

রাসুলে আকরাম (দঃ) বলেছেন, যে বেক্তি নিয়মিতভাবে এই সূরা করবে তার জন্য বেহেশতের আটটি দরজাই উন্মুক্ত থাকবে। সেই ব্যাক্তি যেকোনো দরজা দিয়ে বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে।

যে ব্যাক্তি কোন সৎ উদ্দেশ্যে এই সূরা পাঠ করলে আল্লাহ্‌ পাক পাঠকের উদ্দেশ্য পূর্ণ করে দিবেন।
পাগল ও জ্বীগগ্রস্ত লোকের উপর এই সূরা পাঠ করে দিম করলে রোগী অচিরেই আরোগ্য লাভ করবে।
বিপদাপদ ও রোগ-শোকে এই সূরা পাঠ করলে আল্লাহ্‌ পাক মুক্তি ডান করবেন।
রোগী বা বিপথগ্রস্তের গলায় এই সুরা লিখিত তাবিজ বেঁধে দিলে বিশেষ উপকার হয়।
হাদীস শরীফে আছে, এই সূরা একবার পাঠ করলে দশবার কোরআন শরীফ খতম করার সওয়াব পাওয়া লাভ হয় ও পাঠকের সকল গোনাহ্‌খাতা মাফ হয়।
আরেক হাদীসে আছে, সূর্যোদয়য়ের সময় এই সুরা পাঠ করলে পাঠকের সকল প্রকার অভাব দূর হয় হবে এবং সে ধনী হবে।
হাদীসে আরো আছে, রাতে শোয়ার আগে এই সূরা পড়লে সকালে নিষ্পাপ অবস্থায় ঘুম হতে জাগ্রত হবে।
মৃত্যু পথযাত্রীর নিকট বসে এই সূরা পাঠ করলে মৃত্যু যন্ত্রণা কম হয়। কুর যিয়ারতকালে এই সূরা পাঠ করলে কবরের আযাব কম হয়।
সর্বদা এই সূরা পড়লে বিচার দিবসে এই সূরা আল্লাহ্‌র নিকট পাঠকের মুক্তির জন্য শাফাআতের জন্য সুপারিশ করবে।
এই সূরা পড়ে ঘর থেকে বের হলে বাইরে থাকা অবস্থায় কোন ধরণের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে না।
এই সূরায় কোরআনের সকল গুনের সমন্বয় সাধিত হওয়ায়, রাসূল(দঃ) ইহাকে কোরআন মাজীদের অন্তঃকরণ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এই সূরা পাঠকারী কখনো ঈমানহারা হয়ে মৃত্যু বরণ করবেন না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন