একেই বলে দীনদারী
******************
মাওলানা আশরাফ আলি থানবী রহঃ বলেন
-
আমার এক বন্ধুর ঘটনা।
একবার তিনি ট্রেনে ভ্রমন করছিলেন। তার
সঙ্গে
পনের সেরের বেশী ওজনের কিছু মালপত্র
ছিল। বাড়ি থেকে বের হয়ে ষ্টেশনে
পৌছতে তাঁর বিলম্ব হয়ে যায়। ফলে সময়ের
অভাবে তার মালপত্র আর মাপতে পারেন
নি। তাড়াতাড়ি
গাড়িতে উঠে যান। কিন্তু
গন্তব্যস্থলে পৌছে তিনি ষ্টেশনের
কর্মকর্তার
কাছে গিয়ে বললেন, ভাই তাড়াহুড়ার ফলে
আমি এ
মালপত্র গুলো ওজন করতে
পারিনি। আপনি একটু ওজন করে এর ভাড়াটা
রেখে
দিন। কর্মকর্তা বলল, আমার সময় হবে না, তুমি
চলে
যাও। ভাড়া দিতে হবে না। তিনি
বললেন, জনাব! আপনার তো ভাড়া মাফ করে
দেয়ার
অধিকার নেই। কারণ আপনি রেলওয়ের
মালিক নন;
বেতনভোগী কর্মচারী। আমার
কাছ থেকে ভাড়াটা নিতে অস্বীকার
করছেন
কেন? অগত্যা তিনি ষ্টেশন মাস্টারের
কাছে যান।
সেও বলল, আপনি নিশ্চিন্তে চলে যান,
ভাড়া দিতে হবে না। তিনি তাকেও
বললেন, ভাই!
আপনার তো ভাড়া মাফ করে দেয়ার
অধিকার নেই,
আপনি তো মালিক নন। একথা শুনে
ষ্টেশন মাষ্টার আর পূর্বের কর্মকর্তা
ইংরেজীতে বলাবলি করতে লাগল,
লোকটি মনে
হয় মদ পান করে মাতাল হয়ে এসেছে।
অন্যথায়
আমরা ভাড়া মাফ করে দেয়ার পরও ভাড়া
দেয়ার জন্য
এত পীড়াপীড়ি করছে কেন? আমার বন্ধু বিএ
পাস
ইংরেজী শিক্ষিত। ওদের কথা
শুনে উত্তরে তিনি বললেন, ভাই! আমি মদ
পান করিনি
বরং এটা আমার ধর্মের বিধান যে, অন্যের
পাওনা
নিজের গাড়ে চেপে রেখ না।
একথা শুনে ওরা দুজন বলল, জনাব! যাই বলুন, এ
সময়
আমরা আপনার মাল ওজন করতে পারবো না।
অগত্যা
তিনি মাল গুলো নিয়ে
প্লাটফর্মের বাইরে এসে ভাবতে লাগলেন,
হে
আল্লাহ্! এখন আমি রেলওয়ের এই হক থেকে
নিষ্কৃতি লাভ করি কিভাবে? অবশেষে
আল্লাহর সাহায্য নেমে আসে। বুদ্ধি করে
করে
তিনি হিসাবে মালের যে কটাকা ভাড়া
আসে, সে টাকার
টিকেট ক্রয় করে ছিড়ে ফেলে দেন।
এভাবে তিনি রেলওয়ের পাওনা
যথাস্থানে পৌছে
দেন।
সুত্র-
“থানভী রহঃ নির্বাচিত ঘটনাবলী” নামক বই
থেকে।
পৃষ্টাঃ ২২৩
******************
মাওলানা আশরাফ আলি থানবী রহঃ বলেন
-
আমার এক বন্ধুর ঘটনা।
একবার তিনি ট্রেনে ভ্রমন করছিলেন। তার
সঙ্গে
পনের সেরের বেশী ওজনের কিছু মালপত্র
ছিল। বাড়ি থেকে বের হয়ে ষ্টেশনে
পৌছতে তাঁর বিলম্ব হয়ে যায়। ফলে সময়ের
অভাবে তার মালপত্র আর মাপতে পারেন
নি। তাড়াতাড়ি
গাড়িতে উঠে যান। কিন্তু
গন্তব্যস্থলে পৌছে তিনি ষ্টেশনের
কর্মকর্তার
কাছে গিয়ে বললেন, ভাই তাড়াহুড়ার ফলে
আমি এ
মালপত্র গুলো ওজন করতে
পারিনি। আপনি একটু ওজন করে এর ভাড়াটা
রেখে
দিন। কর্মকর্তা বলল, আমার সময় হবে না, তুমি
চলে
যাও। ভাড়া দিতে হবে না। তিনি
বললেন, জনাব! আপনার তো ভাড়া মাফ করে
দেয়ার
অধিকার নেই। কারণ আপনি রেলওয়ের
মালিক নন;
বেতনভোগী কর্মচারী। আমার
কাছ থেকে ভাড়াটা নিতে অস্বীকার
করছেন
কেন? অগত্যা তিনি ষ্টেশন মাস্টারের
কাছে যান।
সেও বলল, আপনি নিশ্চিন্তে চলে যান,
ভাড়া দিতে হবে না। তিনি তাকেও
বললেন, ভাই!
আপনার তো ভাড়া মাফ করে দেয়ার
অধিকার নেই,
আপনি তো মালিক নন। একথা শুনে
ষ্টেশন মাষ্টার আর পূর্বের কর্মকর্তা
ইংরেজীতে বলাবলি করতে লাগল,
লোকটি মনে
হয় মদ পান করে মাতাল হয়ে এসেছে।
অন্যথায়
আমরা ভাড়া মাফ করে দেয়ার পরও ভাড়া
দেয়ার জন্য
এত পীড়াপীড়ি করছে কেন? আমার বন্ধু বিএ
পাস
ইংরেজী শিক্ষিত। ওদের কথা
শুনে উত্তরে তিনি বললেন, ভাই! আমি মদ
পান করিনি
বরং এটা আমার ধর্মের বিধান যে, অন্যের
পাওনা
নিজের গাড়ে চেপে রেখ না।
একথা শুনে ওরা দুজন বলল, জনাব! যাই বলুন, এ
সময়
আমরা আপনার মাল ওজন করতে পারবো না।
অগত্যা
তিনি মাল গুলো নিয়ে
প্লাটফর্মের বাইরে এসে ভাবতে লাগলেন,
হে
আল্লাহ্! এখন আমি রেলওয়ের এই হক থেকে
নিষ্কৃতি লাভ করি কিভাবে? অবশেষে
আল্লাহর সাহায্য নেমে আসে। বুদ্ধি করে
করে
তিনি হিসাবে মালের যে কটাকা ভাড়া
আসে, সে টাকার
টিকেট ক্রয় করে ছিড়ে ফেলে দেন।
এভাবে তিনি রেলওয়ের পাওনা
যথাস্থানে পৌছে
দেন।
সুত্র-
“থানভী রহঃ নির্বাচিত ঘটনাবলী” নামক বই
থেকে।
পৃষ্টাঃ ২২৩
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন