শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০১৫

বিগ ব্যাং থিওরি, আজ প্রমান করে দিল কুরআন আল্লাহর বানী।

______________________________________
[বিগ ব্যাং থিওরি]
“সত্য প্রত্যাখানকারীরা কি ভেবে দেখে না যে,আকাশমন্ডলি
ও পৃথিবী মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে;অত:পর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম” (আম্বিয়া:৩০)।
আয়াতটি আমাদেরকে
একেবারে
পরিস্কারভাবে বলছে পৃথিবী
ও অন্যান্য গ্রহ-নক্ষত্রেরা একসময় একজায়গায় পুঞ্জিভুত ছিল। এবং একটা নির্দিষ্ট সময়ে এদের
জন্ম হয়।আজকের বিজ্ঞান কি বলে এ সম্বন্ধে ? ষ্টিফেন হকিং এর বিগ ব্যাং থিওরী আজ সর্বময় স্বীকৃত। এ
থিওরী অনুযায়ী মহাবিশ্বের সকল দৃশ্য অদৃশ্য গ্রহ নক্ষত্র সৃষ্টির শুরুতে একটি বিন্দুতে পুঞ্জিভুত ছিল।
এবং একটা বিশাল বিষ্ফোরণের
মাধ্যমে এরা চারিদেকে
ছড়িয়ে যেতে থাকে।কিভাবে মরুভুমির বুকে সংকলিত দেড় হাজার বছর
আগের একটি বই এ এই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটা ধারণ করতে পারল ?
ড:মিলার বলেছেন, এই আয়াতটি নিয়ে চিন্তা-গবেষণার পর কোরআন যে ঐশী গ্রন্থ তা মেনে নিতে বাধ্য হই। যারা প্রচার চালাচ্ছে কোরআন হযরত মুহাম্মদ (স)এর নিজস্ব
বক্তব্য তাদের দাবি নাকচ করার জন্য এই একটি আয়াতই যথেষ্ট।
ড:মিলার বলেছেন, দেড় হাজার বছর আগে ইসলামের নবীর পক্ষে কিভাবে মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য
নিয়ে কথা বলা সম্ভব, যিনি কোন দিন কোন স্কুলে পড়ালেখা করেন নি। কারণ এটি এমন এক
বৈজ্ঞানিক বিষয়, যা সম্পর্কে তত্ত্ব আবিষ্কার করে মাত্র কয়েক বছর আগে ১৯৭৩ সালে নোবেল
পুরুস্কার পেয়েছেন এক বিজ্ঞানী। মিলারের মতে এই আয়াতে সেই বিগ ব্যাং এর কথাই বলা হয়েছে যার মাধ্যমে পৃথিবী, আকাশমন্ডলী ও তারকারাজি সৃষ্টি হয়েছে।এই বিগ ব্যাং থিওরীর একটা অনুসিদ্ধান্ত হল “অনবরত দূরে সরে যাওয়া গ্রহ নক্ষত্রগুলো একসময় আবার
কাছাকাছি আসা শুরু করবে কেন্দ্রবিমুখী বল শুন্য হয়ে যাওয়ার ফলে এবং সময়ের ব্যাবধানে সব গ্রহ নক্ষত্র আবার একত্রে মিলিত
হয়ে একটা পিন্ডে পরিনত হবে”।
“সেই দিন আকাশমন্ডলীকে গুটিয়ে ফেলব,যেভাবে
গুটানো হয় লিখিত দফতর” (সূরা আম্বিয়া :১০৪)
কি,কিছু বুঝা গেল ? এই হল কোরআন যা এই যুগেও সত্য সত্যায়নকারী।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন