আকাশ ও পৃথিবী সম্পর্কে কুরআন যা বলেছিল, আজ বিজ্ঞান তা স্বীকার করে নিল।
================================
১। আকাশের খুটি :
যখন বিজ্ঞানের কোন বালাই নেই সেই সময়ে নাযিল হওয়া কোরআনে লেখা হল-
আকাশের কোন দৃশ্যমান খুটি নেই। “তিনিই আল্লাহ
যিনি আকাশমন্ডলিকে উচুতে স্থাপন করেছেন কোন
দৃশ্যমান স্তম্ভ ছাড়া, যা তোমরা বুঝতে পারবে।
(সূরা রাদ:২)
আমাদের বিজ্ঞান আজ জানিয়েছে আকাশমন্ডলির
কোন দৃশ্যমান স্তম্ভ নেই। এর আছে একটি অদৃশ্য
স্তম্ভ-মধ্যাকর্ষন শক্তি! আর কোরআনও
বলে দিচ্ছে একই কথা।
২। পৃথিবীর আকৃতি :
মহাশুন্যে রকেট পাঠানোর সময়কাল এই তো সেদিন।
পৃথিবী গোলাকার এই সত্যটা মানুষ বিজ্ঞানের
কাছে জেনেছেও অল্প কিছু বছর আগে। আর মাত্র
কিছুদিন আগে মানুষ
জেনেছে পৃথিবী আসলে সম্পূর্ণরূপে গোলাকার নয়,
অনেকটা উপবৃত্তকার অর্থাৎ পাখির ডিমের মত।
চলুন দেখা যাক পৃথিবীর আকৃতি সম্বন্ধে কোরআন
কি বলছে- “আর পৃথিবী, তিনি উহাকে তৈরী করলেন
ডিম্বাকৃতির ন্যায়।”(সূরা নাযিয়াত:৩০)
এই আয়াতে ডিম বুঝাতে দাহাহা ব্যাবহার করা হয়েছে।
যার অর্থ আরও সঠিকভাবে অষ্ট্রিচ (উট পাখি) এর
ডিম। আজ আমরা এটাও নিশ্চিতভাবে দেখতে পাই যে,
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি উট পাখির ডিমের আকৃতির
সাথে সবথেকে ভালোভাবে মিলে যায়।
বলতে পারবেন, একজন নিরক্ষর আরব ব্যাক্তি মুহাম্মাদ(স) কোন প্রযুক্তির
সহায়তা এত নিখুতভাবে পৃথিবীর
আকৃতি বলে দিলেন? তাও আবার দেড় হাজার বছর আগে যখন বিজ্ঞানের কোন অস্তিত্বই ছিলনা! উল্লেখ্য
১৫৫৭ সালে স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক, পৃথিবী গোলাকার
এটা প্রমাণ করেন।
নাস্তিকরা কুরআনের আয়াতকে যতই অপব্যাখ্যা করতেছে ততই কুরআন তার সত্যতার প্রমান দেখিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
================================
১। আকাশের খুটি :
যখন বিজ্ঞানের কোন বালাই নেই সেই সময়ে নাযিল হওয়া কোরআনে লেখা হল-
আকাশের কোন দৃশ্যমান খুটি নেই। “তিনিই আল্লাহ
যিনি আকাশমন্ডলিকে উচুতে স্থাপন করেছেন কোন
দৃশ্যমান স্তম্ভ ছাড়া, যা তোমরা বুঝতে পারবে।
(সূরা রাদ:২)
আমাদের বিজ্ঞান আজ জানিয়েছে আকাশমন্ডলির
কোন দৃশ্যমান স্তম্ভ নেই। এর আছে একটি অদৃশ্য
স্তম্ভ-মধ্যাকর্ষন শক্তি! আর কোরআনও
বলে দিচ্ছে একই কথা।
২। পৃথিবীর আকৃতি :
মহাশুন্যে রকেট পাঠানোর সময়কাল এই তো সেদিন।
পৃথিবী গোলাকার এই সত্যটা মানুষ বিজ্ঞানের
কাছে জেনেছেও অল্প কিছু বছর আগে। আর মাত্র
কিছুদিন আগে মানুষ
জেনেছে পৃথিবী আসলে সম্পূর্ণরূপে গোলাকার নয়,
অনেকটা উপবৃত্তকার অর্থাৎ পাখির ডিমের মত।
চলুন দেখা যাক পৃথিবীর আকৃতি সম্বন্ধে কোরআন
কি বলছে- “আর পৃথিবী, তিনি উহাকে তৈরী করলেন
ডিম্বাকৃতির ন্যায়।”(সূরা নাযিয়াত:৩০)
এই আয়াতে ডিম বুঝাতে দাহাহা ব্যাবহার করা হয়েছে।
যার অর্থ আরও সঠিকভাবে অষ্ট্রিচ (উট পাখি) এর
ডিম। আজ আমরা এটাও নিশ্চিতভাবে দেখতে পাই যে,
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি উট পাখির ডিমের আকৃতির
সাথে সবথেকে ভালোভাবে মিলে যায়।
বলতে পারবেন, একজন নিরক্ষর আরব ব্যাক্তি মুহাম্মাদ(স) কোন প্রযুক্তির
সহায়তা এত নিখুতভাবে পৃথিবীর
আকৃতি বলে দিলেন? তাও আবার দেড় হাজার বছর আগে যখন বিজ্ঞানের কোন অস্তিত্বই ছিলনা! উল্লেখ্য
১৫৫৭ সালে স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক, পৃথিবী গোলাকার
এটা প্রমাণ করেন।
নাস্তিকরা কুরআনের আয়াতকে যতই অপব্যাখ্যা করতেছে ততই কুরআন তার সত্যতার প্রমান দেখিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন