আল্লাহ কুরআনের কিছু কিছু আয়াতে,অসাধারন কিছু তথ্য দেখিয়ে তার সত্যতার প্রমান দিল।
________________________________________
আল্লাহ খুব সাধারণ কিছু আয়াতে, সাধারণ
কিছু গল্প বা কথোপকথনের মধ্য
দিয়েই অসাধারণ সব তথ্য প্রকাশ
করেন।নিচের আয়াতটি দেখুন
যেখানে আল্লাহ
আমাদেরকে একটি স্ত্রী পিঁপড়ার
একটি মাত্র কথার মধ্য
দিয়ে আমাদেরকে পিঁপড়াদের
সম্পর্কে কত ধরণের তত্থ্য
দিয়েছেনঃ
"আর যখন তারা পিঁপড়াদের উপত্যকায়
পৌছিয়েছিল, একটি পিঁপড়া
(স্ত্রী)বলেছিল, “হে পিঁপড়ারা,
তোমাদের ঘরগুলোতে প্রবেশ কর,
যাতে করে সুলায়মান এবং তার
বাহিনী তোমাদেরকে না বুঝে পিষে না ফেলে”।
(২৭:১৮)
আপনার কাছে মনে হবে, এ ত
ছোটদের কোন গল্পের বইয়ের মত।
এখানে পিঁপড়াদের
সম্পর্কে আল্লাহ নতুন কি জানালেন
আমাদেরকে। লক্ষ্য করুন, এই
আয়াতে আল্লাহ
আমাদেরকে পিঁপড়াদের
সম্পর্কে কতগুলো তথ্য দিয়েছেনঃ
[আয়াতের বিশ্লেষন]…
√“একটি পিঁপড়া(স্ত্রী) বলেছিল” –
পিঁপড়া এখানে স্ত্রী লিঙ্গকে বলা হয়েছে,পুরুষ লিঙ্গ নয়। বাসার
বাইরে স্ত্রী পিঁপড়া থাকে, পুরুষ
পিঁপড়া নয়। আমরা এখন
জানি স্ত্রী পিঁপড়ারা কর্মী পিঁপড়া,
পুরুষরা শুধুই প্রজনন কাজের জন্য
বেঁচে থাকে।
√ “হে পিঁপড়ারা” – বহুবচন যার অর্থ,একটি স্ত্রী পিঁপড়া এক সাথে অন্য একাধিক পিঁপড়াদেরকে নির্দেশ
দিতে পারে। পিঁপড়া ফেরোমোন
নামক একটি রাসায়নিক পদার্থের
প্রতি সংবেদনশীল এবং এর
দ্বারা তারা একে অন্যের
সাথে যোগাযোগ করে এছাড়াও
কিছু প্রজাতির পিঁপড়ারা নিয়ার-
ফিল্ড শব্দ তৈরি করে আশেপাশের
পিঁপড়াদের সাথে যোগাযোগ
করে। এভাবে একটি পিঁপড়া একই
সাথে একাধিক পিঁপড়াকে সংকেত দিতে পারে।
√এই আয়াতে “বলেছিল”শব্দটি আল্লাহ ব্যবহার করেছেন, যা মানুষের কথা বলার বেলায়ও ব্যবহার করা হয়।যার অর্থ মানুষ যেমন শব্দ দিয়ে কথা বলে, সে রকম পিঁপড়াও শব্দ ব্যবহার করে যোগাযোগ করে,যা বিজ্ঞানীরা কয়েক বছর আগে আবিস্কার করেছেন। কয়েক বছর আগেও বিজ্ঞানীরা মনে করতেন পিঁপড়া কোন শব্দ করতে পারেন না এবং তাদের শব্দ শোনার
ক্ষমতা নেই।
√ “তোমাদের ঘরগুলোতে প্রবেশ কর” –
পিঁপড়াদের একাধিক ঘর রয়েছে।
একটি পিঁপড়ার বাসা অনেকগুলো সংযুক্ত ঘর এবং নির্দিষ্ট পিঁপড়া নির্দিষ্ট ঘরে থাকে।স্ত্রী পিঁপড়া জানে পিঁপড়ারা যদি বাসায় ঢুকে পড়ে, তাহলে তাদের কোন ক্ষতি হবে না। পিঁপড়ার বাসা আর্কিটেক্টের জন্য এক বিস্ময় এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অসাধারণ নিদর্শন।
√ “যাতে করে সুলায়মান” –
স্ত্রী পিঁপড়াটি নবী সুলায়মানকে চিনতে পেরেছিল।যার অর্থ,স্ত্রী পিঁপড়া অনেক মানুষের মধ্যে থেকে নির্দিষ্ট মানুষকে চিনতে পারে। যেমন,একটি কুকুর তার মালিককে সহজেই চিনতে পারে। মানুষের
গা থেকেও ফেরোমোন বের হয়।
ধারণা করা হয় স্ত্রী পিঁপড়া হয়ত
নবী সুলায়মানের গা থেকে বের
হওয়া ফেরোমোন সিগনেচার
দিয়ে তাকে চিনতে পেরেছিল,এছাড়াও এখানে লক্ষণীয় যে স্ত্রী পিঁপড়া আগাম বিপদ অনুধাবন করে সংকেত দিতে পারে।অর্থাৎ তাদের এতটুকু বুদ্ধিমত্তা আছে যে তারা বিপদ আগে থেকেই আঁচ করতে পারে।
√ “এবং তার বাহিনী” –
পিঁপড়া বুঝতে পেরেছিল
যে একটি বাহিনী আসছে।পিঁপড়ারা তাদের পা দিয়ে মাটিতে কম্পন অনুভব করতে পারে।একারণে তারা দূরে থেকেই বুঝতে পারে কেউ তাদের দিকে আসছে কিনা।
√ “তোমাদেরকে না বুঝে পিষে না ফেলে”
– স্ত্রী পিঁপড়া আগে থেকেই
বুঝতে পেরেছিল যে নবী সুলায়মান
এবং তার বাহিনী না বুঝে পিঁপড়াদেরকে পিষে ফেলবে।
সুতরাং স্ত্রী পিঁপড়া তার আশেপাশের অবস্থা পর্যালোচনা করে বিপদের প্রকৃতি সম্পর্কে আগে থেকেই বুঝতে পারে।.......
বিজ্ঞানীদের জন্য এই আয়াতে আল্লাহ অনেকগুলো ইংগিত
দিয়ে রেখেছেন।
১/বাসার বাইরে যে পিঁপড়ারা থাকে তারা সবাই স্ত্রী পিঁপড়া।
২/পুরুষ পিঁপড়া সবসময় বাসার ভিতরে থাকে।
৩/সমস্ত কর্মী পিঁপড়া স্ত্রী।
৪/একটি পিঁপড়া হাজার
হাজার পিঁপড়ার সাথে যোগাযোগ
করে রাসায়নিক পদার্থ এবং গন্ধ
দিয়ে।
৫/হাজার হাজার পিঁপড়া সংকেত পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে বাসায়
ঢুকে পড়ে খুবই অল্প সংঘর্ষ করে।
৬/এককভাবে প্রতিটি পিঁপড়ার
বুদ্ধি অল্প, কিন্তু হাজার হাজার
পিঁপড়া সম্মিলিত ভাবে উচ্চতর
বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়
যাকে “সোয়ার্ম ইন্টেলিজেন্স”
বলে।
৭/পিঁপড়ার কোন সামাজিক শ্রেণী বিন্যাস নেই।তাদের কোন দলনেতা নেই।.....
কিভাবে হাজার হাজার পিঁপড়া কোন দলনেতা,রাজা বা রাণী পিঁপড়ার নিয়ন্ত্রন ছাড়া প্রত্যেকে নিজের নিজের কাজ সুশৃঙ্খলভাবে করে যায়,তা এখনও একটি বিরাট বিস্ময় এবং এনিয়ে গত বিশ বছর
ধরে গবেষণা চলছে।
আশ্চার্য হওয়ার মত কথা, ১৫০০ বছর ধরে কুরআনের এসব লুকায়িত তথ্যের প্রমান মিলল বর্তমান যুগে।যুগ যত অগ্রসর হবে কুরআনের বাকি সব লুকায়িত তথ্য এভাবেই সাহ্ম দিবে পৃথিবীতে অবিকৃত একটাই ধর্ম গ্রন্থ,আর তা হল আল-কুরআন।
________________________________________
আল্লাহ খুব সাধারণ কিছু আয়াতে, সাধারণ
কিছু গল্প বা কথোপকথনের মধ্য
দিয়েই অসাধারণ সব তথ্য প্রকাশ
করেন।নিচের আয়াতটি দেখুন
যেখানে আল্লাহ
আমাদেরকে একটি স্ত্রী পিঁপড়ার
একটি মাত্র কথার মধ্য
দিয়ে আমাদেরকে পিঁপড়াদের
সম্পর্কে কত ধরণের তত্থ্য
দিয়েছেনঃ
"আর যখন তারা পিঁপড়াদের উপত্যকায়
পৌছিয়েছিল, একটি পিঁপড়া
(স্ত্রী)বলেছিল, “হে পিঁপড়ারা,
তোমাদের ঘরগুলোতে প্রবেশ কর,
যাতে করে সুলায়মান এবং তার
বাহিনী তোমাদেরকে না বুঝে পিষে না ফেলে”।
(২৭:১৮)
আপনার কাছে মনে হবে, এ ত
ছোটদের কোন গল্পের বইয়ের মত।
এখানে পিঁপড়াদের
সম্পর্কে আল্লাহ নতুন কি জানালেন
আমাদেরকে। লক্ষ্য করুন, এই
আয়াতে আল্লাহ
আমাদেরকে পিঁপড়াদের
সম্পর্কে কতগুলো তথ্য দিয়েছেনঃ
[আয়াতের বিশ্লেষন]…
√“একটি পিঁপড়া(স্ত্রী) বলেছিল” –
পিঁপড়া এখানে স্ত্রী লিঙ্গকে বলা হয়েছে,পুরুষ লিঙ্গ নয়। বাসার
বাইরে স্ত্রী পিঁপড়া থাকে, পুরুষ
পিঁপড়া নয়। আমরা এখন
জানি স্ত্রী পিঁপড়ারা কর্মী পিঁপড়া,
পুরুষরা শুধুই প্রজনন কাজের জন্য
বেঁচে থাকে।
√ “হে পিঁপড়ারা” – বহুবচন যার অর্থ,একটি স্ত্রী পিঁপড়া এক সাথে অন্য একাধিক পিঁপড়াদেরকে নির্দেশ
দিতে পারে। পিঁপড়া ফেরোমোন
নামক একটি রাসায়নিক পদার্থের
প্রতি সংবেদনশীল এবং এর
দ্বারা তারা একে অন্যের
সাথে যোগাযোগ করে এছাড়াও
কিছু প্রজাতির পিঁপড়ারা নিয়ার-
ফিল্ড শব্দ তৈরি করে আশেপাশের
পিঁপড়াদের সাথে যোগাযোগ
করে। এভাবে একটি পিঁপড়া একই
সাথে একাধিক পিঁপড়াকে সংকেত দিতে পারে।
√এই আয়াতে “বলেছিল”শব্দটি আল্লাহ ব্যবহার করেছেন, যা মানুষের কথা বলার বেলায়ও ব্যবহার করা হয়।যার অর্থ মানুষ যেমন শব্দ দিয়ে কথা বলে, সে রকম পিঁপড়াও শব্দ ব্যবহার করে যোগাযোগ করে,যা বিজ্ঞানীরা কয়েক বছর আগে আবিস্কার করেছেন। কয়েক বছর আগেও বিজ্ঞানীরা মনে করতেন পিঁপড়া কোন শব্দ করতে পারেন না এবং তাদের শব্দ শোনার
ক্ষমতা নেই।
√ “তোমাদের ঘরগুলোতে প্রবেশ কর” –
পিঁপড়াদের একাধিক ঘর রয়েছে।
একটি পিঁপড়ার বাসা অনেকগুলো সংযুক্ত ঘর এবং নির্দিষ্ট পিঁপড়া নির্দিষ্ট ঘরে থাকে।স্ত্রী পিঁপড়া জানে পিঁপড়ারা যদি বাসায় ঢুকে পড়ে, তাহলে তাদের কোন ক্ষতি হবে না। পিঁপড়ার বাসা আর্কিটেক্টের জন্য এক বিস্ময় এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অসাধারণ নিদর্শন।
√ “যাতে করে সুলায়মান” –
স্ত্রী পিঁপড়াটি নবী সুলায়মানকে চিনতে পেরেছিল।যার অর্থ,স্ত্রী পিঁপড়া অনেক মানুষের মধ্যে থেকে নির্দিষ্ট মানুষকে চিনতে পারে। যেমন,একটি কুকুর তার মালিককে সহজেই চিনতে পারে। মানুষের
গা থেকেও ফেরোমোন বের হয়।
ধারণা করা হয় স্ত্রী পিঁপড়া হয়ত
নবী সুলায়মানের গা থেকে বের
হওয়া ফেরোমোন সিগনেচার
দিয়ে তাকে চিনতে পেরেছিল,এছাড়াও এখানে লক্ষণীয় যে স্ত্রী পিঁপড়া আগাম বিপদ অনুধাবন করে সংকেত দিতে পারে।অর্থাৎ তাদের এতটুকু বুদ্ধিমত্তা আছে যে তারা বিপদ আগে থেকেই আঁচ করতে পারে।
√ “এবং তার বাহিনী” –
পিঁপড়া বুঝতে পেরেছিল
যে একটি বাহিনী আসছে।পিঁপড়ারা তাদের পা দিয়ে মাটিতে কম্পন অনুভব করতে পারে।একারণে তারা দূরে থেকেই বুঝতে পারে কেউ তাদের দিকে আসছে কিনা।
√ “তোমাদেরকে না বুঝে পিষে না ফেলে”
– স্ত্রী পিঁপড়া আগে থেকেই
বুঝতে পেরেছিল যে নবী সুলায়মান
এবং তার বাহিনী না বুঝে পিঁপড়াদেরকে পিষে ফেলবে।
সুতরাং স্ত্রী পিঁপড়া তার আশেপাশের অবস্থা পর্যালোচনা করে বিপদের প্রকৃতি সম্পর্কে আগে থেকেই বুঝতে পারে।.......
বিজ্ঞানীদের জন্য এই আয়াতে আল্লাহ অনেকগুলো ইংগিত
দিয়ে রেখেছেন।
১/বাসার বাইরে যে পিঁপড়ারা থাকে তারা সবাই স্ত্রী পিঁপড়া।
২/পুরুষ পিঁপড়া সবসময় বাসার ভিতরে থাকে।
৩/সমস্ত কর্মী পিঁপড়া স্ত্রী।
৪/একটি পিঁপড়া হাজার
হাজার পিঁপড়ার সাথে যোগাযোগ
করে রাসায়নিক পদার্থ এবং গন্ধ
দিয়ে।
৫/হাজার হাজার পিঁপড়া সংকেত পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে বাসায়
ঢুকে পড়ে খুবই অল্প সংঘর্ষ করে।
৬/এককভাবে প্রতিটি পিঁপড়ার
বুদ্ধি অল্প, কিন্তু হাজার হাজার
পিঁপড়া সম্মিলিত ভাবে উচ্চতর
বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়
যাকে “সোয়ার্ম ইন্টেলিজেন্স”
বলে।
৭/পিঁপড়ার কোন সামাজিক শ্রেণী বিন্যাস নেই।তাদের কোন দলনেতা নেই।.....
কিভাবে হাজার হাজার পিঁপড়া কোন দলনেতা,রাজা বা রাণী পিঁপড়ার নিয়ন্ত্রন ছাড়া প্রত্যেকে নিজের নিজের কাজ সুশৃঙ্খলভাবে করে যায়,তা এখনও একটি বিরাট বিস্ময় এবং এনিয়ে গত বিশ বছর
ধরে গবেষণা চলছে।
আশ্চার্য হওয়ার মত কথা, ১৫০০ বছর ধরে কুরআনের এসব লুকায়িত তথ্যের প্রমান মিলল বর্তমান যুগে।যুগ যত অগ্রসর হবে কুরআনের বাকি সব লুকায়িত তথ্য এভাবেই সাহ্ম দিবে পৃথিবীতে অবিকৃত একটাই ধর্ম গ্রন্থ,আর তা হল আল-কুরআন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন