মৌমাছি থেকে মধু সংগ্রহ ও মধুর ওষুধীগুন সম্পর্কে কুরআন যা বলেছিল আজ তা বিজ্ঞান স্বীকার করে নিল।
_________________________________
কুরআন বলে "মৌমাছির পেট
হইতে নির্গত হয় বিবিধ বণের পানীয়,
যাহাতে মানুষের জন্য
রয়েছে আরোগ্য" (সূরা নাহল:৬৮, ৬৯)
আমারা আগে জানতাম মৌমাছি মধু
সংগ্রহ করে বিভিন্ন ফুল থেকে অত:পর
তা মূখে করে মৌচাকে মজুদ করে রাখে সরাসরি।
আসলে তা নয়, বিজ্ঞান কিছুদিন
আগে প্রমাণ করেছে মৌমাছির শরীর
থেকে মধু বের হয়। কোরআন
দ্বারা যা প্রমাণিত। কোরআন
আরো বলেছে মধুর
ওষুধীগুনের কথা। আজ
আমরা জেনেছি মধুর
মধ্যে রয়েছে প্রচুর খাদ্যগুন।
আছে প্রচুর ভিটামিন কে আর
ফ্রুক্টোজ।
আরো আছে মাঝারি এন্টিসেপ্টিক গুন। এক গবেষণায় (২০০৫) জানা যায়,
ডায়রিয়ার জীবাণুগুলোর
বিরুদ্ধে মধু দারুণ কার্যকর। আরেক
বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় জানা যায়,
মধু টাইফয়েড জ্বরের জীবাণুর
বিরুদ্ধেও খুব কার্যকর। যারা অনিদ্রায়
ভোগেন তাদের জন্য মধু অত্যন্ত
উপকারী। এছাড়া দুধ-মধুর
মিশ্রণ মস্তিষ্কের
দুর্বলতা কমিয়ে দেয়। সর্দি-কাশিতে মধুর
উপকারিতা প্রমাণিত। মধু হৃদপিন্ডকে শক্তিশালী করে। ডায়াবেটিকসের চিকিৎসায় মধু
একটি অতুলনীয় ওষুধ। মুত্রথলির সংক্রমণে মধু অসাধারন কাজ করে। যারা ব্রন সমস্যায় রয়েছেন। চুলের খুশকির সমস্যায়। মধুতে গুকোজ ও
ফ্রুকটোজ
আছে যা শরীরে শক্তি যোগায়। মধু রক্তনালীর সমস্যা দূর
করে এবং রক্তের খারাপ
কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০%
পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। হার্ট অ্যাটাকের
ঝুকি কমে যায়।যদি প্রশ্ন করা হয় ১৫০০ বছর আগে কুরআন এসব কি করে জানল? উওরে হয় ত নাস্তিকরা বলবে,নবীজি সেই কালে কবিরাজ ছিলেন তাই তিনি এসব জানতেন।
[মধু ঔষধ হিসেবে কেউ ব্যবহার করতে চাইলে নির্দেশনা গোলি দেখে নিন-http://www.healthtalkbd.com/2014/02/blog-post_20.html?m=1 ]
__
_________________________________
কুরআন বলে "মৌমাছির পেট
হইতে নির্গত হয় বিবিধ বণের পানীয়,
যাহাতে মানুষের জন্য
রয়েছে আরোগ্য" (সূরা নাহল:৬৮, ৬৯)
আমারা আগে জানতাম মৌমাছি মধু
সংগ্রহ করে বিভিন্ন ফুল থেকে অত:পর
তা মূখে করে মৌচাকে মজুদ করে রাখে সরাসরি।
আসলে তা নয়, বিজ্ঞান কিছুদিন
আগে প্রমাণ করেছে মৌমাছির শরীর
থেকে মধু বের হয়। কোরআন
দ্বারা যা প্রমাণিত। কোরআন
আরো বলেছে মধুর
ওষুধীগুনের কথা। আজ
আমরা জেনেছি মধুর
মধ্যে রয়েছে প্রচুর খাদ্যগুন।
আছে প্রচুর ভিটামিন কে আর
ফ্রুক্টোজ।
আরো আছে মাঝারি এন্টিসেপ্টিক গুন। এক গবেষণায় (২০০৫) জানা যায়,
ডায়রিয়ার জীবাণুগুলোর
বিরুদ্ধে মধু দারুণ কার্যকর। আরেক
বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় জানা যায়,
মধু টাইফয়েড জ্বরের জীবাণুর
বিরুদ্ধেও খুব কার্যকর। যারা অনিদ্রায়
ভোগেন তাদের জন্য মধু অত্যন্ত
উপকারী। এছাড়া দুধ-মধুর
মিশ্রণ মস্তিষ্কের
দুর্বলতা কমিয়ে দেয়। সর্দি-কাশিতে মধুর
উপকারিতা প্রমাণিত। মধু হৃদপিন্ডকে শক্তিশালী করে। ডায়াবেটিকসের চিকিৎসায় মধু
একটি অতুলনীয় ওষুধ। মুত্রথলির সংক্রমণে মধু অসাধারন কাজ করে। যারা ব্রন সমস্যায় রয়েছেন। চুলের খুশকির সমস্যায়। মধুতে গুকোজ ও
ফ্রুকটোজ
আছে যা শরীরে শক্তি যোগায়। মধু রক্তনালীর সমস্যা দূর
করে এবং রক্তের খারাপ
কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০%
পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। হার্ট অ্যাটাকের
ঝুকি কমে যায়।যদি প্রশ্ন করা হয় ১৫০০ বছর আগে কুরআন এসব কি করে জানল? উওরে হয় ত নাস্তিকরা বলবে,নবীজি সেই কালে কবিরাজ ছিলেন তাই তিনি এসব জানতেন।
[মধু ঔষধ হিসেবে কেউ ব্যবহার করতে চাইলে নির্দেশনা গোলি দেখে নিন-http://www.healthtalkbd.com/2014/02/blog-post_20.html?m=1 ]
__
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন