বাতাশ ও বৃষ্টির সম্পর্কে কুরআনে দেওয়া তথ্য আজ সত্য প্রমানিত হল।
_________________________________________
"আমি বৃষ্টিগর্ভ বায়ুকে চালিত
করে আকাশের কছে নিয়ে যাই, অত:পর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করি, এরপর তোমাদের তা পান করাই। বস্তুত তোমাদের কাছে এর ভান্ডার নেই" (সূরা হিজর:২২)
বিংশ শতাব্দির প্রথমদিকেও মানুষের
ধারনা ছিল যে, বৃষ্টির সাথে বাতাসের সম্পর্ক হল, বাতাস মেঘকে চালিত করে দূরে নিয়ে যায়,
ফলে বৃষ্টি সমভাবে হয়। বাতাসের
মাধ্যমেই যে জলিয়বাস্প
উপরে উঠে মেঘের সৃষ্টি করে, এ
সম্পর্কে মানুষ জানত না।
বৃষ্টিভর্গ বায়ু বলতে জলিয়বস্পপূর্ণ
বায়ু বুঝানো হয়েছে। "বাতাস
জলিয়বাস্পকে আকাশে উড়িয়ে নেয়,অত:পর মেঘ সৃষ্টি হয়" একই কথা এই আয়াতে। বাতাসের
ভুমিকা না থাকলে সূর্য যতই তাপ দিক না কেনো জলিয়বাস্প কখনোই
আকাশে পৌছতেই পারতো না, মেঘ
হওয়া তো দূরের কথা।
::পরিমানমত বৃষ্টি :
"তিনি সে যিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ
অনুযায়ী পানি পৃথিবীতে বর্ষণ
করেছেন। যা একটি মৃত জমিকেও জীবিত করতে পারে, ঠিক সেভাবে যেভাবে একদিন তোমরা জীবিত হবে" (সূরা যুখরাফ:১১)
প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৬
কোটি পানি বাতাসের সাথে মিশে।
যা বছরে পাচ হাজার তেরশ কোটি টন। এই পানির পুরোটাই আবার প্রতি বছর মাটিতে ফিরে আসে। যদি এই ফিরে আসাটা পরিমিত না হত তাহলে জীববৈচিত্র্য নষ্ট
হয়ে যেতো। যেমন
পাহাড়ি অঞ্চলে বৃষ্টিপাত
বেশী হয়। পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য
ঠিক রাখার জন্য যা খুবি জরুরী।
গবেষনায় দেখা গেছে যদি ঠিক এই পরিমাণ পানি বাতাশে না মিশে কিছু কম মিশতো,তাহলে মেরু অঞ্চলের
জীববৈচিত্র নষ্ট হয়ে যেত। কারন
মেরু অঞ্জলে বরফ স্তরের
গভীরতা বেড়ে যেতো। যা গোটা পৃথিবীর জীববৈচিত্র
রক্ষার সাথে সম্পর্কিত।কুরআন আর কিভাবে প্রমান দিবে?এর পরও যদি নাস্তিকদের হুস জ্ঞান বিশুদ্ধ না হয় তাহলে তাদের আর মরার আগ পর্যন্তু হুস হবেনা।
_________________________________________
"আমি বৃষ্টিগর্ভ বায়ুকে চালিত
করে আকাশের কছে নিয়ে যাই, অত:পর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করি, এরপর তোমাদের তা পান করাই। বস্তুত তোমাদের কাছে এর ভান্ডার নেই" (সূরা হিজর:২২)
বিংশ শতাব্দির প্রথমদিকেও মানুষের
ধারনা ছিল যে, বৃষ্টির সাথে বাতাসের সম্পর্ক হল, বাতাস মেঘকে চালিত করে দূরে নিয়ে যায়,
ফলে বৃষ্টি সমভাবে হয়। বাতাসের
মাধ্যমেই যে জলিয়বাস্প
উপরে উঠে মেঘের সৃষ্টি করে, এ
সম্পর্কে মানুষ জানত না।
বৃষ্টিভর্গ বায়ু বলতে জলিয়বস্পপূর্ণ
বায়ু বুঝানো হয়েছে। "বাতাস
জলিয়বাস্পকে আকাশে উড়িয়ে নেয়,অত:পর মেঘ সৃষ্টি হয়" একই কথা এই আয়াতে। বাতাসের
ভুমিকা না থাকলে সূর্য যতই তাপ দিক না কেনো জলিয়বাস্প কখনোই
আকাশে পৌছতেই পারতো না, মেঘ
হওয়া তো দূরের কথা।
::পরিমানমত বৃষ্টি :
"তিনি সে যিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ
অনুযায়ী পানি পৃথিবীতে বর্ষণ
করেছেন। যা একটি মৃত জমিকেও জীবিত করতে পারে, ঠিক সেভাবে যেভাবে একদিন তোমরা জীবিত হবে" (সূরা যুখরাফ:১১)
প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৬
কোটি পানি বাতাসের সাথে মিশে।
যা বছরে পাচ হাজার তেরশ কোটি টন। এই পানির পুরোটাই আবার প্রতি বছর মাটিতে ফিরে আসে। যদি এই ফিরে আসাটা পরিমিত না হত তাহলে জীববৈচিত্র্য নষ্ট
হয়ে যেতো। যেমন
পাহাড়ি অঞ্চলে বৃষ্টিপাত
বেশী হয়। পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য
ঠিক রাখার জন্য যা খুবি জরুরী।
গবেষনায় দেখা গেছে যদি ঠিক এই পরিমাণ পানি বাতাশে না মিশে কিছু কম মিশতো,তাহলে মেরু অঞ্চলের
জীববৈচিত্র নষ্ট হয়ে যেত। কারন
মেরু অঞ্জলে বরফ স্তরের
গভীরতা বেড়ে যেতো। যা গোটা পৃথিবীর জীববৈচিত্র
রক্ষার সাথে সম্পর্কিত।কুরআন আর কিভাবে প্রমান দিবে?এর পরও যদি নাস্তিকদের হুস জ্ঞান বিশুদ্ধ না হয় তাহলে তাদের আর মরার আগ পর্যন্তু হুস হবেনা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন