______________________________
১. কওমী মাদ্রাসা সরকার থেকে যতোটা দূরে অবস্থান করে, তার থেকে কয়েক শতো গুণ বেশী জনগণের নিকটে অবস্থান করে। জগতাদের ভাবনা জুড়ে শুধুই জনগণ ও জনগণের ইহ-পারলৌকিক কল্যাণ।
২. কওমী মাদ্রাসা যতোটা নিজেকে নিয়ে ভাবে, তার থেকে কয়েক লক্ষ গুণ বেশী জনগণের ঈমান-আমল, জনগণের কল্যাণ-অ-কল্যাণ, জনগণের লাভ-লোকসান, দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব নিয়ে ভাবে। তাই যেকোনো বিপদ-আপদে কওমী মাদ্রাসা জনগণকে আহ্বান জানানো ছাড়াই সাথে পায়। মোটকথা, কওমী মাদ্রাসার সাথে জনগণের আত্মীক সম্পর্ক।
৩. সে সম্পর্ক এতো গভীর যে, কোনো চক্রান্ত, কোনো প্রলোভন, কোনো ভয়-ভীতি দিয়ে তা ছিন্ন করা সম্ভব নয়। অতীতে ইংরেজ পারেনি, সামনে ইজরেজদের মানসপুত্র ও ভাবশিষ্যরাও পারবে না।
৪. কওমী মাদ্রাসা ও কওমীপন্থীরা শুধু আল্লাহর জন্য নিবেদিত। তারা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পায় না এবং কারো পরওয়া করে না। তারা দ্বীনের স্বার্থে কোনো চিন্তা-ফিকির ছাড়াই নিজের জান-মাল বিলিয়ে দেয়ার জন্য সদা প্রস্তুত থাকে।
৫. তারা যতো অভাবে পড়ে, তাদের ঈমান ততো দৃঢ় হয়, ততো আল্লাহর সাথে তাদের সম্পর্ক গভীর হয়। তারা যতো কোণঠাসা হয়, তাদের অগ্রযাত্রা ততো তরান্বিত হয়। তারা শুধু আল্লাহর কাছেই সাহায্য চায় এবং তারা আল্লাহর কাছ থেকেই সাহায্য পায়। এ কারণেই এতো ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূলতা এবং বাহ্য নযরে সম্পূর্ণ উপকরণহীনতা সত্ত্বেও তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। ইন শা আল্লাহ, কিয়ামত অবধি এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। কোনো কিছুই তা দমাতে পারবে না।
৬. যদি কেউ তাদের দমাতে আসে, নির্ঘাত সে নিজেই দমে যাবে। তার পরিণতি হবে অতীতের নমরুদ, ফেরাউন, হামান, আবূ জাহল, আবূ লাহাব ও তাদের উত্তরসূরীদের মতো। শুধু দুনিয়ার লাঞ্ছনাই শেষ নয়, তাদের জন্য রয়েছে উভয় জাহানে আল্লাহর কঠিন পাকড়াও, যা একবার নির্ধারিত হয়ে গেলে আর ফেরত হয় না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন