স্মৃতিময় রমজান
রমজানময় স্মৃতি
রমজানময় স্মৃতি
এই রমজানেই ইসলামের ইসলামের কালজয়ী বিজয়-ইতিহাসের শুভ সূচনা হয়েছিলো। এই রমজানেই আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নেতৃত্বে মুসলিম ফওজের চির অগ্রপথিক জিহাদি কাফেলা বদরের রণাঙ্গনে বাতিলকে শোচনীয়ভাবে পরাস্ত করেছিলো। কুফরের বিশদাঁত ভেঙে দিয়েছিলো। কুরআনের ভাষায়-
وَلَقَدْ نَصَرَكُمُ اللَّهُ بِبَدْرٍ وَأَنْتُمْ أَذِلَّةٌ فَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
এবং বদরের যুদ্ধে তোমরা যখন হীনবল ছিলে আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করেছিলেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহ্র কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।'
وَلَقَدْ نَصَرَكُمُ اللَّهُ بِبَدْرٍ وَأَنْتُمْ أَذِلَّةٌ فَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
এবং বদরের যুদ্ধে তোমরা যখন হীনবল ছিলে আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করেছিলেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহ্র কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।'
হ্যাঁ, রমজানেই ইসলাম বাতিলকে পরাভূত করেছিলো!
রমজানেই লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর পতাকা সমুন্নত হয়েছিলো!
রমজানেই কুফরি ও আল্লাহদ্রোহিতা খাক ও খুনে মিশে গিয়েছিলো!
সেদিন, যেদিন দু'টি দল মুখোমুখি হয়েছিলো। একটি দলের সেনাপতি আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর অপর দিকে সেনাপতি ছিলো দাম্ভিক আবু জেহেল। রমজানের আকাশ বাতাস সেদিন প্রত্যক্ষ করেছিলো আবু জেহেলের করুণ পরিণতি। তার দম্ভের রক্তময় বিনাশ। জাহান্নামময় সমাপ্তি। হ্যাঁ, তারিখটা ছিলো ১৭ই রমজান। যখনই আসবে ফিরে ফিরে এই ১৭ই রমজান, তখনই বদর যুদ্ধের স্মৃতি আমাদের মনকে নাড়া দেবে! আমাদের বিবেককে সম্বোধন করে বলবে—
রমজানেই লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর পতাকা সমুন্নত হয়েছিলো!
রমজানেই কুফরি ও আল্লাহদ্রোহিতা খাক ও খুনে মিশে গিয়েছিলো!
সেদিন, যেদিন দু'টি দল মুখোমুখি হয়েছিলো। একটি দলের সেনাপতি আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর অপর দিকে সেনাপতি ছিলো দাম্ভিক আবু জেহেল। রমজানের আকাশ বাতাস সেদিন প্রত্যক্ষ করেছিলো আবু জেহেলের করুণ পরিণতি। তার দম্ভের রক্তময় বিনাশ। জাহান্নামময় সমাপ্তি। হ্যাঁ, তারিখটা ছিলো ১৭ই রমজান। যখনই আসবে ফিরে ফিরে এই ১৭ই রমজান, তখনই বদর যুদ্ধের স্মৃতি আমাদের মনকে নাড়া দেবে! আমাদের বিবেককে সম্বোধন করে বলবে—
'হে বীরের জাতি!
ভুলে যেয়ো না বদরের বিজয় কাহিনী!
বিস্মৃত হয়ো না বদরের গূঢ় রহস্য ও তাৎপয!
এবং ত্যাগ ও বীরত্বের মহিমায় ভাস্বর তার শিক্ষা ও বার্তা!
এখানেই লুকিয়ে আছে তোমাদের আসল পরিচয়!
তোমাদের শৌর্য-বীর্যের দীপ্তিময় সোনালী ইতিহাস!
যদি হয়ে যাও হীনবল, বদর দেবে মনোবল!
যদি হয়ে যাও শত্রুভয়ে ভীত-বিহ্বল, বদর আসবে সাথে নিয়ে শতদল!
যদি কখনো চোখ রাঙায় দুশমনের সংখ্যাধিক্য,
বদর দেবে আশ্বাসে বুক বাঁধার মণি মানিক্য!
যদি কখনো দুশমনের ভিমরতি হয় তোমাদেরকে মিটিয়ে দেয়ার,
নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার,
বদর শোনাবে তোমাদেরকে শেকল ভাঙার 'গান'!
বদরের মাঝে পাবে পদে পদে শিক্ষা আলো চেতনা বিশ্বাস- সবকিছু!
ভুলে যেয়ো না বদরের বিজয় কাহিনী!
বিস্মৃত হয়ো না বদরের গূঢ় রহস্য ও তাৎপয!
এবং ত্যাগ ও বীরত্বের মহিমায় ভাস্বর তার শিক্ষা ও বার্তা!
এখানেই লুকিয়ে আছে তোমাদের আসল পরিচয়!
তোমাদের শৌর্য-বীর্যের দীপ্তিময় সোনালী ইতিহাস!
যদি হয়ে যাও হীনবল, বদর দেবে মনোবল!
যদি হয়ে যাও শত্রুভয়ে ভীত-বিহ্বল, বদর আসবে সাথে নিয়ে শতদল!
যদি কখনো চোখ রাঙায় দুশমনের সংখ্যাধিক্য,
বদর দেবে আশ্বাসে বুক বাঁধার মণি মানিক্য!
যদি কখনো দুশমনের ভিমরতি হয় তোমাদেরকে মিটিয়ে দেয়ার,
নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার,
বদর শোনাবে তোমাদেরকে শেকল ভাঙার 'গান'!
বদরের মাঝে পাবে পদে পদে শিক্ষা আলো চেতনা বিশ্বাস- সবকিছু!
রমজান সাক্ষি— আরেকটি মহান বিজয়ের। মক্কা বিজয়ের। ইসলামের ফিরে আসার বিজয় তার মাতুলালয়ে— স্বগৌরবে সমহিমায়। আল্লাহ্র প্রথম ঘর কা'বাকে মূর্তিমুক্ত করার বিজয়।
إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحاً مُبِيناً
'আমি আপনাকে দান করলাম সুস্পষ্ট বিজয়।'
إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحاً مُبِيناً
'আমি আপনাকে দান করলাম সুস্পষ্ট বিজয়।'
নবীজী মানুষের হৃদয় জয় করেছেন কুরআনের আলো দিয়ে এই রমজানে।
নবীজী মক্কা জয় করেছেন তাওহিদের নিশান উড়িয়ে এই রমজানে।
ইসলামের বড় বড় যুদ্ধগুলো হয়েছে এই রমজানে।
অন্য বড় বড় বিজয়গুলোও এসেছে এই রমজানে। সিন্ধু। আন্দালুস। আইন জালুত। আরো অনেক যুদ্ধ এবং অনেক বিজয় এসেছে এই রমজানে।
ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে এই রমজানই ছিলো মুসলিম উম্মাহর প্রাপ্তির মাস।
বিজয়ের মাস।
নবীজী মক্কা জয় করেছেন তাওহিদের নিশান উড়িয়ে এই রমজানে।
ইসলামের বড় বড় যুদ্ধগুলো হয়েছে এই রমজানে।
অন্য বড় বড় বিজয়গুলোও এসেছে এই রমজানে। সিন্ধু। আন্দালুস। আইন জালুত। আরো অনেক যুদ্ধ এবং অনেক বিজয় এসেছে এই রমজানে।
ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে এই রমজানই ছিলো মুসলিম উম্মাহর প্রাপ্তির মাস।
বিজয়ের মাস।
রমজানের আরেকটি স্মৃতি হলো, 'আমীনুল ওহী'—হযরত জিবরিল আলাইহিস সালাম এই রমজান মাসে বারবার আসতেন নবীজীর কাছে। এসে নবীজীর সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে বসতেন। যেনো দুই বন্ধু। তারপর কখনো হযরত জিবরিল নবীজীকে কুরআন শোনাতেন আবার কখনো নবীজী হযরত জিবরিলকে কুরআন শোনাতেন। তিনি নবীজীকে নিয়ে ডুব দিতেন কুরআনের গভীরে। তিলাওয়াতে তিলাওয়াতে কেটে যেতো সায়্যিদুল মালাইকা আর সায়্যিদুল আম্বিয়ার মধুময় প্রহর। নবীজীর সাথে হযরত জিবরিল আমীনের এই কুরআনী মজলিস ছিলো ইবাদতের শ্রেষ্ঠ মজলিস। পৃথিবীর সেরা মজলিস। যে মজলিসের এক সদস্য হলেন 'আকাশ-নেতা' আরেক সদস্য হলেন 'জমিন-নেতা' সে মজলিসকে তো শ্রেষ্ঠ বলতেই হবে! সময়টাও যখন শ্রেষ্ঠ মাস—রমজান মাস?!
আহ! কী মধুর সেই স্মৃতি! একজন
ইমামতি করছেন তারাবিহ'র আর অন্যরা মুকতাদি,
শুনছে তার তিলাওয়াত!
অশ্রুপূর্ণ চোখে, বিগলিত হৃদয়ে!
কুরআনের অর্থ ও মর্মের মহা সাগরে সাঁতার কেটে কেটে!
রাতের দৈর্ঘ ছিলো না দীর্ঘ- তাদের দীর্ঘ কিয়ামের দৈর্ঘে!
স্মৃতি! কী মধুময় স্মৃতি!!
প্রিয় রোযাদার! এসো না একটু পেছনে ফিরে যাই—
স্মৃতির ডানায় ভর করে!
এসো সেই পুণ্য জামাতের সাথে আমরাও একটু শরিক হই, কল্পনায়!
ঐ তো পৌঁছে গেছি! মসজিদে নববীতে!
কী সুন্দর কুরআনী পরিবেশ!
সাহাবায়ে কেরাম কুরআন শুনছেন আর কাঁদছেন!
কী বিনয়-নম্র ওঠা-বসা!
কী আবেগঘন রুকু-সেজদা!
এমন তিলাওয়াত, এমন জামাত, এমন অবয়ব—
আছে কি তোমার হে রোযাদার?
বিশ্বাস করো! তাহলে তুমিও হতে পারো এ যুগের বদরী সদস্য!
মক্কা বিজয়ের এক নিশান বরদার!
ইসলামের কালজয়ী আদর্শের মহা নায়ক!
রমজান থেকে নেবে কি তুমি এ শিক্ষা?
খুলবে কি তোমার হৃদয়?
দুলবে কি তোমার বিবেক?
জাগবে কি তোমার চেতনা?
জ্বলবে কি তোমার ঈমানী গায়রাত? ......
যদি বলো- হ্যাঁ! তাহলে স্বাগতম! তোমাকে সুস্বাগতম!
রমজান তাহলে তোমারই জন্যে এসেছে!
শুধু তোমার জন্যে!
রমজানের নয়া চাঁদ দেখে আনন্দাশ্রু বর্ষণের অধিকার-
তোমারই আছে!
তুমিই রমজানের সত্যিকারের উত্তরাকিার!
আহ! কী মধুর সেই স্মৃতি! একজন
ইমামতি করছেন তারাবিহ'র আর অন্যরা মুকতাদি,
শুনছে তার তিলাওয়াত!
অশ্রুপূর্ণ চোখে, বিগলিত হৃদয়ে!
কুরআনের অর্থ ও মর্মের মহা সাগরে সাঁতার কেটে কেটে!
রাতের দৈর্ঘ ছিলো না দীর্ঘ- তাদের দীর্ঘ কিয়ামের দৈর্ঘে!
স্মৃতি! কী মধুময় স্মৃতি!!
প্রিয় রোযাদার! এসো না একটু পেছনে ফিরে যাই—
স্মৃতির ডানায় ভর করে!
এসো সেই পুণ্য জামাতের সাথে আমরাও একটু শরিক হই, কল্পনায়!
ঐ তো পৌঁছে গেছি! মসজিদে নববীতে!
কী সুন্দর কুরআনী পরিবেশ!
সাহাবায়ে কেরাম কুরআন শুনছেন আর কাঁদছেন!
কী বিনয়-নম্র ওঠা-বসা!
কী আবেগঘন রুকু-সেজদা!
এমন তিলাওয়াত, এমন জামাত, এমন অবয়ব—
আছে কি তোমার হে রোযাদার?
বিশ্বাস করো! তাহলে তুমিও হতে পারো এ যুগের বদরী সদস্য!
মক্কা বিজয়ের এক নিশান বরদার!
ইসলামের কালজয়ী আদর্শের মহা নায়ক!
রমজান থেকে নেবে কি তুমি এ শিক্ষা?
খুলবে কি তোমার হৃদয়?
দুলবে কি তোমার বিবেক?
জাগবে কি তোমার চেতনা?
জ্বলবে কি তোমার ঈমানী গায়রাত? ......
যদি বলো- হ্যাঁ! তাহলে স্বাগতম! তোমাকে সুস্বাগতম!
রমজান তাহলে তোমারই জন্যে এসেছে!
শুধু তোমার জন্যে!
রমজানের নয়া চাঁদ দেখে আনন্দাশ্রু বর্ষণের অধিকার-
তোমারই আছে!
তুমিই রমজানের সত্যিকারের উত্তরাকিার!
রমজানের আরেকটি মজার স্মৃতি হলো, শয়তানের লাঞ্ছনার স্মৃতি! তার শৃঙ্খলিত হওয়ার স্মৃতি! রমজান এলেই মু'মিনের চিন্তায় খেলে যায়— 'শয়তান! এবার তুমি জব্দ, বন্দি! বন্ধ তোমার শয়তানি!' পাশাপাশি আরো লোভনীয় বিষয় হলো, জান্নাতের দরোজাগুলো রমজানে খুলে দেয়া হয়! এর তাৎপর্য কী? এর রহস্য কী? এর তাৎপর্য ও রহস্য হলো, রমজান মাসে রোযাদার জান্নাতের বিশেষ প্রবেশপথ—'রাইয্যান'-এর একেবারে কাছাকাছি চলে যায়! জান্নাত রোযাদারের জন্যে উন্মুখ হয়ে থাকে! জান্নাত সারাক্ষণ রোযাদারকে 'হাতছানি দিয়ে' ডেকেই চলে— 'এসো! 'রাইয়্যান' দিয়ে এসো! 'রাইয়্যান' তোমার জন্যে খোলা! শুধু তোমার জন্যে!!'
শর্ত হলো একটাই, রোযাদারকে হতে হবে সত্যিকারের রোযাদার! তার আমল হতে হবে ইখলাসপূর্ণ, নিষ্ঠাপূর্ণ!
আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
إن في الجنة بابا يقال له الريان ، يدخل منه الصائمون ، فإذا دخلوا أغلق فلا يدخل منه غيرهم
'জান্নাতের একটি দরোজা আছে, নাম 'রাইয়্যান'। এ দরোজা দিয়ে প্রবেশ করবে কেবল রোযাদারেরা। তারা প্রবেশ করতেই বন্ধ হয়ে যাবে তা। আর কারো জন্যে তা খোলা হবে না।'
শর্ত হলো একটাই, রোযাদারকে হতে হবে সত্যিকারের রোযাদার! তার আমল হতে হবে ইখলাসপূর্ণ, নিষ্ঠাপূর্ণ!
আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
إن في الجنة بابا يقال له الريان ، يدخل منه الصائمون ، فإذا دخلوا أغلق فلا يدخل منه غيرهم
'জান্নাতের একটি দরোজা আছে, নাম 'রাইয়্যান'। এ দরোজা দিয়ে প্রবেশ করবে কেবল রোযাদারেরা। তারা প্রবেশ করতেই বন্ধ হয়ে যাবে তা। আর কারো জন্যে তা খোলা হবে না।'
'রাইয়্যান'! পুণ্যাত্মাদের কাছে এর উচ্চারণ মধুর চেয়ে মধুরতম! 'রাইয়্যান'-এর স্বপ্নে সব সময় তারা থাকেন বিভোর। এই স্বপ্ন-বিভোরতার ভিতরে তাই বলে উঠেছেন এক ছান্দিক—
أتاك شهر السعد والمكرمات فحيه في أجمل الذكريات
يا موسم الغفران أتحفتنا أنت المنى يا زمن الصالحات
'এই যে তোমার দরোজায় কড়া নাড়ছে সৌভাগ্য ও মাহাত্ম্যের মাস! বলো না মধুময় স্মৃতির আঙিনায় দাঁড়িয়ে- স্বাগতম বন্ধু, স্বাগতম!
কতোই দিলে তুমি হে ক্ষমার মওসুম! তুমি আমাদের শ্রেষ্ঠ চাওয়া, তুমিই শ্রেষ্ঠ পাওয়া! তুমিই যে সৎকর্মের শ্রেষ্ঠ সময়!'
أتاك شهر السعد والمكرمات فحيه في أجمل الذكريات
يا موسم الغفران أتحفتنا أنت المنى يا زمن الصالحات
'এই যে তোমার দরোজায় কড়া নাড়ছে সৌভাগ্য ও মাহাত্ম্যের মাস! বলো না মধুময় স্মৃতির আঙিনায় দাঁড়িয়ে- স্বাগতম বন্ধু, স্বাগতম!
কতোই দিলে তুমি হে ক্ষমার মওসুম! তুমি আমাদের শ্রেষ্ঠ চাওয়া, তুমিই শ্রেষ্ঠ পাওয়া! তুমিই যে সৎকর্মের শ্রেষ্ঠ সময়!'
এ মাসে আরো কিছু সুসংবাদ রোযাদারকে প্রচণ্ডভাবে আলোড়িত করে। যেমন হাদীসে বলা হয়েছে, রমজানে রোযাদারের আনন্দ দু'টি। একটি হলো ইফতারের সময় আর অপর আনন্দটি হলো প্রেমময় মালিকের দীদার নসীব হওয়ার আনন্দ। এই আনন্দের মোহনায় নোঙর করতে প্রতিনিয়ত অপেক্ষা করে চলেছে রোযাদারের ব্যাকুল অস্থির মন। যখনই আসে রমজান, তখনই রোযাদার এ দু' আনন্দের দোলায় দুলতে থাকে। ইফতারের মুহূর্তে নিজের অজান্তেই তার মন চলে যায়— জান্নাতে! ইফতারের আনন্দের ভেলায় ভাসতে ভাসতে সে ছবি আঁকে জান্নাতে মাওলার দীদার লাভের আনন্দের! ভাবে—
মালিকের সাথে সাক্ষাতের মুহূর্তটি কীভাবে সূচিত হবে?
সেদিন আল্লাহ তার হাতে কী পুরস্কার তুলে দেবেন?
কেমন করে তুলে দেবেন?
সে পুরস্কার-কাহিনী গোপন রাখার রহস্য কী?
আল্লাহ্র দীদারের কাঙ্খিত লগ্নটি কখন আসবে?
হে জান্নাত!
তুমি না এ দীদারের সেঁতুবন্ধন!
তাহলে তুমি কেনো আমার কাছ থেকে দূরে থাকবে?
আয়! কাছে আয়! দূরত্ব গুটিয়ে নেয়!
আমি রোযাদার! আমার সাথে মাওলার দীদার হবে! দূরে হয়ে যা সব বাধা!!
মালিকের সাথে সাক্ষাতের মুহূর্তটি কীভাবে সূচিত হবে?
সেদিন আল্লাহ তার হাতে কী পুরস্কার তুলে দেবেন?
কেমন করে তুলে দেবেন?
সে পুরস্কার-কাহিনী গোপন রাখার রহস্য কী?
আল্লাহ্র দীদারের কাঙ্খিত লগ্নটি কখন আসবে?
হে জান্নাত!
তুমি না এ দীদারের সেঁতুবন্ধন!
তাহলে তুমি কেনো আমার কাছ থেকে দূরে থাকবে?
আয়! কাছে আয়! দূরত্ব গুটিয়ে নেয়!
আমি রোযাদার! আমার সাথে মাওলার দীদার হবে! দূরে হয়ে যা সব বাধা!!
রমজান সকল গোনাহকে ধুয়ে-মুছে পরিস্কার করে দেয়, এক রমজান থেকে আরেক রমজান। ছোটো-খাটো গোনাহ তো মানুষের হয়েই যায়। তাই রমজানের অপেক্ষায় বসে থাকে রোযাদার—
পাপমুক্ত হওয়ার বাসনায়।
জানা-অজানা গোনাহ থেকে পরিচ্ছন্ন হওয়ার আশায়।
দ্বীন যাদের লক্ষ্য,
পরকাল যাদের কাম্য,
গোনাহ-মুক্তির ব্যাকুলতা তাদেরকে তাড়িত করবেই।
গোনাহ-মুক্তির নববী সুসংবাদ তাদেরকে আকুল করবেই।
এ জন্যেই রমজান এলে তাদের জীবনধারা নতুন বাঁক নেয়।
ছন্দ-ছন্দ রূপ নেয়।
রহমত মাগফেরাত ও মুক্তির চেতনায় উজ্জীবিত হয়।
রমজান-প্রতীক্ষায় মনটা যখন বেশী আকুলি বিকুলি করে,
তখন আর নিজের আবেগকে রোযাদার ধরে রাখতে পারে না!
আপন মনে বলে উঠে—
'এসো না প্রিয়! আর যে দেরী সয় না!'
পাপমুক্ত হওয়ার বাসনায়।
জানা-অজানা গোনাহ থেকে পরিচ্ছন্ন হওয়ার আশায়।
দ্বীন যাদের লক্ষ্য,
পরকাল যাদের কাম্য,
গোনাহ-মুক্তির ব্যাকুলতা তাদেরকে তাড়িত করবেই।
গোনাহ-মুক্তির নববী সুসংবাদ তাদেরকে আকুল করবেই।
এ জন্যেই রমজান এলে তাদের জীবনধারা নতুন বাঁক নেয়।
ছন্দ-ছন্দ রূপ নেয়।
রহমত মাগফেরাত ও মুক্তির চেতনায় উজ্জীবিত হয়।
রমজান-প্রতীক্ষায় মনটা যখন বেশী আকুলি বিকুলি করে,
তখন আর নিজের আবেগকে রোযাদার ধরে রাখতে পারে না!
আপন মনে বলে উঠে—
'এসো না প্রিয়! আর যে দেরী সয় না!'
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন