নামায
২৯০. প্রশ্ন : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব অনেকগুলো দোষে আক্রান্ত যা মুসল্লীদের কাছে অত্যন্ত খারাপ ঠেকছে। বিষয়গুলো সামনে রেখে সমাধান পেশ করার সুবিধার্থে সেগুলো উল্লেখ করা হল-
০১. আমাদের ইমাম সাহেব বেগানা নারীদের সঙ্গে বেপর্দা সরাসরি দেখা-সাক্ষাত করেন, কথাবার্তা বলেন এবং হাসি-তামাশাও করেন।
০২. ঝাড়-ফুঁক করেন।
০৩. অনেক বিষয়ে তার মিথ্যা বলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
০৪. প্রকাশ্যে এক কথা বলে গোপনে অন্য কাজ করেন।
০৫. অমুসলিম রাজনৈতিক ব্যক্তির ইফতার পার্টিতে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে জুমার নামায পড়াতে পারেননি।
০৬. রাতের অন্ধকারে অন্যের পুকুর থেকে কোঁচ দিয়ে মাছ ধরে থাকেন।
০৭. কবরস্থানের কলা, সুপারী ও অন্যান্য জিনিস বিক্রি করে নিজে ভোগ করেছেন।
০৮. গ্রামের অন্যান্য মুন্সিদের সঙ্গে প্রচলিত মিলাদে শরিক হয়ে দুআ করে খাবার খেয়ে থাকেন।
০৯. গলায় সমস্যা থাকার কারণে নামাজে কেরাত স্পষ্ট হয় না।
উল্লিখিত কারণগুলোর জন্য মসজিদ কমিটি ইমাম সাহেবকে অব্যহতি দেন। ইমাম সাহেব বিদায়ের জন্য কমিটির কাছে দুই মাস সময় চাইলে সময় দেয়া হয়। সেই মোতাবেক গত ০৬/১০/২০১৪ ঈ. ঈদুল আযহার নামাযে ইমাম সাহেব ঈদগাহে প্রায় দেড় হাজার মুসল্লীদের থেকে বিদায় গ্রহণ করেন।
কিন্তু ঈদের পর এসে ইমাম সাহেব দু চারজন লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইমামতি করে যাচ্ছেন।
এখন আমাদের জানার বিষয় হল, এমতাবস্থায়
ক. মুসল্লীরা তার পিছনে নামায আদায় করলে নামায হবে কি না?
খ. এই ইমামের জন্য ইমামতি বৈধ হবে কি না?
গ. পঞ্চম কারণে তার ঈমান ত্রুটিযুক্ত হবে কি না?
কোরআন-হাদীসের আলোকে বিষয়টির সমাধান পেশ করলে আমরা কৃতজ্ঞ হব।
উত্তর : এতগুলো দোষ যার মধ্যে রয়েছে তার ইমামতি করা মাকরুহে তাহরীমি। কাফেরদের দাওয়াতে অংশগ্রহণ করায় ঈমান নষ্ট হবে না। সূরা নূর : ০৩; সূরা আলে ইমরান : ৬১; আদ্দুররুল মুখতার : ১/১৫৯; রদ্দুল মুহতার : ১/৫৬০
২৯০. প্রশ্ন : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব অনেকগুলো দোষে আক্রান্ত যা মুসল্লীদের কাছে অত্যন্ত খারাপ ঠেকছে। বিষয়গুলো সামনে রেখে সমাধান পেশ করার সুবিধার্থে সেগুলো উল্লেখ করা হল-
০১. আমাদের ইমাম সাহেব বেগানা নারীদের সঙ্গে বেপর্দা সরাসরি দেখা-সাক্ষাত করেন, কথাবার্তা বলেন এবং হাসি-তামাশাও করেন।
০২. ঝাড়-ফুঁক করেন।
০৩. অনেক বিষয়ে তার মিথ্যা বলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
০৪. প্রকাশ্যে এক কথা বলে গোপনে অন্য কাজ করেন।
০৫. অমুসলিম রাজনৈতিক ব্যক্তির ইফতার পার্টিতে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে জুমার নামায পড়াতে পারেননি।
০৬. রাতের অন্ধকারে অন্যের পুকুর থেকে কোঁচ দিয়ে মাছ ধরে থাকেন।
০৭. কবরস্থানের কলা, সুপারী ও অন্যান্য জিনিস বিক্রি করে নিজে ভোগ করেছেন।
০৮. গ্রামের অন্যান্য মুন্সিদের সঙ্গে প্রচলিত মিলাদে শরিক হয়ে দুআ করে খাবার খেয়ে থাকেন।
০৯. গলায় সমস্যা থাকার কারণে নামাজে কেরাত স্পষ্ট হয় না।
উল্লিখিত কারণগুলোর জন্য মসজিদ কমিটি ইমাম সাহেবকে অব্যহতি দেন। ইমাম সাহেব বিদায়ের জন্য কমিটির কাছে দুই মাস সময় চাইলে সময় দেয়া হয়। সেই মোতাবেক গত ০৬/১০/২০১৪ ঈ. ঈদুল আযহার নামাযে ইমাম সাহেব ঈদগাহে প্রায় দেড় হাজার মুসল্লীদের থেকে বিদায় গ্রহণ করেন।
কিন্তু ঈদের পর এসে ইমাম সাহেব দু চারজন লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইমামতি করে যাচ্ছেন।
এখন আমাদের জানার বিষয় হল, এমতাবস্থায়
ক. মুসল্লীরা তার পিছনে নামায আদায় করলে নামায হবে কি না?
খ. এই ইমামের জন্য ইমামতি বৈধ হবে কি না?
গ. পঞ্চম কারণে তার ঈমান ত্রুটিযুক্ত হবে কি না?
কোরআন-হাদীসের আলোকে বিষয়টির সমাধান পেশ করলে আমরা কৃতজ্ঞ হব।
উত্তর : এতগুলো দোষ যার মধ্যে রয়েছে তার ইমামতি করা মাকরুহে তাহরীমি। কাফেরদের দাওয়াতে অংশগ্রহণ করায় ঈমান নষ্ট হবে না। সূরা নূর : ০৩; সূরা আলে ইমরান : ৬১; আদ্দুররুল মুখতার : ১/১৫৯; রদ্দুল মুহতার : ১/৫৬০
যাকাত
মুহা. হানীফ মোল্লা
জুরাইন, ঢাকা
২৯১. প্রশ্ন : আমার ছেলের স্ত্রীর একভরি স্বর্ণের অলঙ্কার আছে। এছাড়া তার অন্য কোন স্বর্ণ-রূপা ও টাকা-পয়সা নেই। এমতাবস্থায় আমি কি তাকে যাকাতের টাকা দিতে পারব?
উত্তর : উপরোল্লিখিত অবস্থায় ছেলের স্ত্রীকে যাকাতের টাকা দেওয়া যাবে। রদ্দুল মুহতার : ২/২৯৫; ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/২৫১; আলবাহরুর রায়েক : ২/৪২৫
মুহা. হানীফ মোল্লা
জুরাইন, ঢাকা
২৯১. প্রশ্ন : আমার ছেলের স্ত্রীর একভরি স্বর্ণের অলঙ্কার আছে। এছাড়া তার অন্য কোন স্বর্ণ-রূপা ও টাকা-পয়সা নেই। এমতাবস্থায় আমি কি তাকে যাকাতের টাকা দিতে পারব?
উত্তর : উপরোল্লিখিত অবস্থায় ছেলের স্ত্রীকে যাকাতের টাকা দেওয়া যাবে। রদ্দুল মুহতার : ২/২৯৫; ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/২৫১; আলবাহরুর রায়েক : ২/৪২৫
মুহা. ফয়জুল্লাহ
২৯২. প্রশ্ন : আমি ৭০ হাজার টাকা দিয়ে একটি অটো রিকশা ক্রয় করেছি। গাড়িটি ভাড়ায় চালিত। দৈনিক আমি ২২৫ টাকা ভাড়া বাবদ পাই। আমার জানার বিষয় হল, এই গাড়ির উপর যাকাত আসবে কি না? যদি আসে তাহলে কিভাবে আদায় করব?
উত্তর : ভাড়ায় চালিত গাড়ির উপর যাকাত আসে না। সুতরাং উপরোল্লিখিত অটো রিকশার উপর যাকাত আসবে না। হ্যাঁ, গাড়ি থেকে ভাড়া বাবদ যে টাকা আয় হয় যদি তা নেসাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর জমা থাকে তবে তার উপর যাকাত আসবে। ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/২৪১; ফাতাওয়া কাজীখান : ১/১৫৬; ইমদাদুল ফতোয়া : ২/৩৯
২৯২. প্রশ্ন : আমি ৭০ হাজার টাকা দিয়ে একটি অটো রিকশা ক্রয় করেছি। গাড়িটি ভাড়ায় চালিত। দৈনিক আমি ২২৫ টাকা ভাড়া বাবদ পাই। আমার জানার বিষয় হল, এই গাড়ির উপর যাকাত আসবে কি না? যদি আসে তাহলে কিভাবে আদায় করব?
উত্তর : ভাড়ায় চালিত গাড়ির উপর যাকাত আসে না। সুতরাং উপরোল্লিখিত অটো রিকশার উপর যাকাত আসবে না। হ্যাঁ, গাড়ি থেকে ভাড়া বাবদ যে টাকা আয় হয় যদি তা নেসাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর জমা থাকে তবে তার উপর যাকাত আসবে। ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/২৪১; ফাতাওয়া কাজীখান : ১/১৫৬; ইমদাদুল ফতোয়া : ২/৩৯
হজ্জ
আবদুল কুদ্দুস বিশ্বাস
পাবনা
২৯৩. প্রশ্ন : যে ব্যক্তি নিজে হজ্জ আদায় করেনি তার জন্য অন্যের পক্ষ থেকে বদলী হজ্জ করার হুকুম কী?
উত্তর : যে ব্যক্তির উপর হজ্জ ফরজ নয় সে নিজে হজ্জ না করলেও অন্যের পক্ষ থেকে বদলী হজ্জ করতে পারবে। অবশ্য পূর্বে হজ্জ করেছে এমন কারো মাধ্যমে করানো উত্তম। আর যে ব্যক্তির উপর হজ্জ ফরজ তার জন্য নিজের ফরজ হজ্জ আদায়ের পূর্বে অন্যের বদলী হজ্জ করা মাকরূহ। রদ্দুল মুহতার : ২/৬০৩; ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/৩২২;
আবদুল কুদ্দুস বিশ্বাস
পাবনা
২৯৩. প্রশ্ন : যে ব্যক্তি নিজে হজ্জ আদায় করেনি তার জন্য অন্যের পক্ষ থেকে বদলী হজ্জ করার হুকুম কী?
উত্তর : যে ব্যক্তির উপর হজ্জ ফরজ নয় সে নিজে হজ্জ না করলেও অন্যের পক্ষ থেকে বদলী হজ্জ করতে পারবে। অবশ্য পূর্বে হজ্জ করেছে এমন কারো মাধ্যমে করানো উত্তম। আর যে ব্যক্তির উপর হজ্জ ফরজ তার জন্য নিজের ফরজ হজ্জ আদায়ের পূর্বে অন্যের বদলী হজ্জ করা মাকরূহ। রদ্দুল মুহতার : ২/৬০৩; ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/৩২২;
২৯৪. প্রশ্ন : যারা তাওয়াফ অবস্থায় মোবাইলে কথা বলে তাদের তাওয়াফ হবে কি না?
উত্তর : তাওয়াফ অবস্থায় প্রয়োজনে মোবাইলে কথা বলা যাবে, তবে না বলাই উত্তম। আর বিনা প্রয়োজনে কথা বলা মাকরূহ। মুসতাদরাকে হাকেম : ১/৪৫৯; মানাসেকে মোল্লা আলী ক্বারী : ১৬৫
মসজিদ-মাদরাসা-ওয়াকফ
ইকবাল হাসান
২৯৫. প্রশ্ন : আমাদের গ্রামের পুরনো জামে মসজিদ আগে রাস্তার ঢালু অংশ ঘেঁষে অবস্থিত ছিল। বর্তমানে রাস্তা সম্প্রসারণ করাতে রাস্তার পাকা অংশ মসজিদের দেয়াল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে এবং রাস্তার ঢালো অংশ মসজিদের সামনে পিছনে কয়েক হাত বর্ধিত। এ পরিস্থিতিতে মসজিদ কমিটির জন্য নিম্ন বর্ণিত কাজ আঞ্জাম দেয়া যাবে কি না?
ক. রাস্তার ঢালু অংশ সমপরিমাণ জায়গা মসজিদ থেকে ছেড়ে দেয়া যাবে কি না?
খ. আমাদের মসজিদের উত্তর পাশে পাঁচ ফুট খালি জায়গা এবং তারপর ব্যক্তি মালিকানা কবরস্থান রয়েছে। রাস্তার ঢালু অংশ পরিমাণ জায়গা ছেড়ে দিলে মসজিদ সংকীর্ণ হয়ে যাবে বিধায় মসজিদ সম্প্রসারণ করে কবরস্থানের উপর নেয়া যাবে কি না? উল্লেখ্য এ কবরস্থানে একটি নতুন কবর রয়েছে যাতে চার মাস পূর্বে কবর দেয়া হয়েছে।
গ. উপরোক্ত কাজটি যদি করা না যায় তাহলে মসজিদের পূর্বাংশে মসজিদের নামে একটি বড় জায়গা রয়েছে, তাতে মসজিদ স্থানান্তর করে পুরাতন মসজিদে অন্য কোন কাজ যেমন, মাদরাসা, অজুখানা, ইমাম সাহেবের থাকার কামরা ইত্যাদি করা যাবে কি না?
উত্তর : উপরোল্লিখিত বিবরণ মতে সমাধান নিম্নরূপ :
ক. মসজিদ নির্মাণের শুরুতে যদি তার কোন অংশ সরকারী জায়গায় না পড়ে থাকে তাহলে মসজিদের কোন অংশ রাস্তার জন্য ছাড়া যাবে না। যদি মসজিদের কোন অংশ সরকারী জায়গায় পড়ে থাকে এবং এর জন্য সরকার থেকে অনুমতি না নেয়া হয়ে থাকে তাহলে বর্তমানে এই মসজিদের কারণে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটলে রাস্তার ঢালু অংশ পরিমাণ জায়গা মসজিদ থেকে ছেড়ে দেয়া যাবে। আর যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন না ঘটলে মসজিদের উক্ত অংশ সরকারী জায়গায় হওয়া সত্ত্বেও না ছাড়লে কোন অসুবিধা নেই।
খ. কবরস্থান যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন হয় এবং তাতে কোন নতুন কবর না থাকে (নতুন কবর বলতে যে কবরে মৃতদেহের অস্তিত্ব অবশিষ্ট থাকে) তাহলে মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে মসজিদ সম্প্রসারণ করে কবরস্থানের উপর নেয়া যাবে।
গ. যে স্থানে একবার শরয়ী মসজিদ নির্মিত হয় তা কিয়ামত পর্যন্ত মসজিদ হয়ে থাকবে। তাতে অন্য কিছু করা যাবে না এবং তা স্থানান্তরও করা যাবে না। ফাতাওয়া তাতারখানিয়া : ৮/১৫৮; আলবাহরুর রায়েক : ৫/৪২৮; তাবয়ীনুল হাকায়েক : ৪/২৭৩; আলমুহীতুল বুরহানী ; ৯/১২৬-১২৭
উত্তর : তাওয়াফ অবস্থায় প্রয়োজনে মোবাইলে কথা বলা যাবে, তবে না বলাই উত্তম। আর বিনা প্রয়োজনে কথা বলা মাকরূহ। মুসতাদরাকে হাকেম : ১/৪৫৯; মানাসেকে মোল্লা আলী ক্বারী : ১৬৫
মসজিদ-মাদরাসা-ওয়াকফ
ইকবাল হাসান
২৯৫. প্রশ্ন : আমাদের গ্রামের পুরনো জামে মসজিদ আগে রাস্তার ঢালু অংশ ঘেঁষে অবস্থিত ছিল। বর্তমানে রাস্তা সম্প্রসারণ করাতে রাস্তার পাকা অংশ মসজিদের দেয়াল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে এবং রাস্তার ঢালো অংশ মসজিদের সামনে পিছনে কয়েক হাত বর্ধিত। এ পরিস্থিতিতে মসজিদ কমিটির জন্য নিম্ন বর্ণিত কাজ আঞ্জাম দেয়া যাবে কি না?
ক. রাস্তার ঢালু অংশ সমপরিমাণ জায়গা মসজিদ থেকে ছেড়ে দেয়া যাবে কি না?
খ. আমাদের মসজিদের উত্তর পাশে পাঁচ ফুট খালি জায়গা এবং তারপর ব্যক্তি মালিকানা কবরস্থান রয়েছে। রাস্তার ঢালু অংশ পরিমাণ জায়গা ছেড়ে দিলে মসজিদ সংকীর্ণ হয়ে যাবে বিধায় মসজিদ সম্প্রসারণ করে কবরস্থানের উপর নেয়া যাবে কি না? উল্লেখ্য এ কবরস্থানে একটি নতুন কবর রয়েছে যাতে চার মাস পূর্বে কবর দেয়া হয়েছে।
গ. উপরোক্ত কাজটি যদি করা না যায় তাহলে মসজিদের পূর্বাংশে মসজিদের নামে একটি বড় জায়গা রয়েছে, তাতে মসজিদ স্থানান্তর করে পুরাতন মসজিদে অন্য কোন কাজ যেমন, মাদরাসা, অজুখানা, ইমাম সাহেবের থাকার কামরা ইত্যাদি করা যাবে কি না?
উত্তর : উপরোল্লিখিত বিবরণ মতে সমাধান নিম্নরূপ :
ক. মসজিদ নির্মাণের শুরুতে যদি তার কোন অংশ সরকারী জায়গায় না পড়ে থাকে তাহলে মসজিদের কোন অংশ রাস্তার জন্য ছাড়া যাবে না। যদি মসজিদের কোন অংশ সরকারী জায়গায় পড়ে থাকে এবং এর জন্য সরকার থেকে অনুমতি না নেয়া হয়ে থাকে তাহলে বর্তমানে এই মসজিদের কারণে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটলে রাস্তার ঢালু অংশ পরিমাণ জায়গা মসজিদ থেকে ছেড়ে দেয়া যাবে। আর যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন না ঘটলে মসজিদের উক্ত অংশ সরকারী জায়গায় হওয়া সত্ত্বেও না ছাড়লে কোন অসুবিধা নেই।
খ. কবরস্থান যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন হয় এবং তাতে কোন নতুন কবর না থাকে (নতুন কবর বলতে যে কবরে মৃতদেহের অস্তিত্ব অবশিষ্ট থাকে) তাহলে মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে মসজিদ সম্প্রসারণ করে কবরস্থানের উপর নেয়া যাবে।
গ. যে স্থানে একবার শরয়ী মসজিদ নির্মিত হয় তা কিয়ামত পর্যন্ত মসজিদ হয়ে থাকবে। তাতে অন্য কিছু করা যাবে না এবং তা স্থানান্তরও করা যাবে না। ফাতাওয়া তাতারখানিয়া : ৮/১৫৮; আলবাহরুর রায়েক : ৫/৪২৮; তাবয়ীনুল হাকায়েক : ৪/২৭৩; আলমুহীতুল বুরহানী ; ৯/১২৬-১২৭
মাওলানা কামাল উদ্দীন
আব্দুল্লাহপুর, মুন্সিগঞ্জ
২৯৬. প্রশ্ন : একজন ধর্মপ্রাণ হিতাকাক্সক্ষী ব্যক্তি সর্বদা আমাদের মাদরাসায় দান-সদকা করে থাকেন। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় তাঁকে দাওয়াত করে থাকেন। এক্ষেত্রে খাওয়া-দাওয়ার প্রসঙ্গ এলে তিনি বলেন, আমি এই মাদরাসায় দান করি, তাই আমার জন্য মাদরাসার খানা খাওয়া জায়েয হবে না। জানার বিষয় হল, উক্ত ব্যক্তির জন্য আসলেই কি মাদরাসার খানা খাওয়া জায়েয নয়?
উত্তর : সাধারণত মাদরাসা কর্তৃপক্ষ অফিস ও যাবতীয় মেহমানদারীর খরচ জেনারেল ফান্ড থেকে বহন করে থাকেন। প্রশ্নোক্ত মাদরাসায় যদি এভাবে খরচ করে তাহলে উক্ত ব্যক্তির জন্য মাদরাসার খাবার খাওয়া জায়েয হবে। জেনারেল ফান্ডে পর্যাপ্ত টাকা না থাকলে গোরাবা তহবিল থেকে বৈধ পন্থায় খরচ করতে হবে।
গোরাবা ফান্ড থেকে সাধারণ কাজে খরচ করার বৈধ একটি পদ্ধতি হল, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এই শর্তে গরীব-অসহায় ছাত্রদের উকীল (প্রতিনিধি) হয়ে দাতাদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করবেন যে, তা তাদের এবং মাদরাসার কল্যাণে ব্যয় হবে। এর ফলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের হাতে সদকার টাকা আসার সাথে সাথে দাতার মালিকানা রহিত হয়ে যায়। তাই মাদরাসার দাওয়াত গ্রহণ করা জায়েয। ফাতহুল বারী : ৫/৫১৯; তাবয়ীনুল হাকায়েক : ৬/২১৫; আহসানুল ফাতাওয়া : ৪/২৫৯
আব্দুল্লাহপুর, মুন্সিগঞ্জ
২৯৬. প্রশ্ন : একজন ধর্মপ্রাণ হিতাকাক্সক্ষী ব্যক্তি সর্বদা আমাদের মাদরাসায় দান-সদকা করে থাকেন। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় তাঁকে দাওয়াত করে থাকেন। এক্ষেত্রে খাওয়া-দাওয়ার প্রসঙ্গ এলে তিনি বলেন, আমি এই মাদরাসায় দান করি, তাই আমার জন্য মাদরাসার খানা খাওয়া জায়েয হবে না। জানার বিষয় হল, উক্ত ব্যক্তির জন্য আসলেই কি মাদরাসার খানা খাওয়া জায়েয নয়?
উত্তর : সাধারণত মাদরাসা কর্তৃপক্ষ অফিস ও যাবতীয় মেহমানদারীর খরচ জেনারেল ফান্ড থেকে বহন করে থাকেন। প্রশ্নোক্ত মাদরাসায় যদি এভাবে খরচ করে তাহলে উক্ত ব্যক্তির জন্য মাদরাসার খাবার খাওয়া জায়েয হবে। জেনারেল ফান্ডে পর্যাপ্ত টাকা না থাকলে গোরাবা তহবিল থেকে বৈধ পন্থায় খরচ করতে হবে।
গোরাবা ফান্ড থেকে সাধারণ কাজে খরচ করার বৈধ একটি পদ্ধতি হল, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এই শর্তে গরীব-অসহায় ছাত্রদের উকীল (প্রতিনিধি) হয়ে দাতাদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করবেন যে, তা তাদের এবং মাদরাসার কল্যাণে ব্যয় হবে। এর ফলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের হাতে সদকার টাকা আসার সাথে সাথে দাতার মালিকানা রহিত হয়ে যায়। তাই মাদরাসার দাওয়াত গ্রহণ করা জায়েয। ফাতহুল বারী : ৫/৫১৯; তাবয়ীনুল হাকায়েক : ৬/২১৫; আহসানুল ফাতাওয়া : ৪/২৫৯
বিবাহ-তালাক-ইদ্দত
মুহা. মুস্তফা
শ্যামপুর
২৯৭. প্রশ্ন : গত নয় বছর আগে ঝগড়া করে আমি আমার স্ত্রীকে বলেছিলাম- যা তুই তালাক। তারপর মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে বিষয়টি জানালে তিনি বললেন- কিছু হবে না, তওবা কর। এরপর আমরা পরস্পর ঘর-সংসার করতে থাকি। আনুমানিক দুই-তিন সপ্তাহ আগে আবার ঝগড়া করে রাগের মাথায় বলেছি- যা তুই তালাক। একথা বলার সময় কোন সাক্ষী উপস্থিত ছিল না, শুধু আমরা দুজনই ছিলাম। এরপর আমার স্ত্রী আল্লাহর ভয়ে বলে- আপনার সঙ্গে ঘর-সংসার করতে আমার ভয় হয়। আমি বললাম- আমি তো মন থেকে বলিনি। মাটি হাতে নিয়ে বলছি- মন থেকে বলিনি। তাছাড়া তালাক বললে তালাক হয়ে যায় এটা আমার জানা ছিল না। শরীয়তের দৃষ্টিতে এর সঠিক সমাধান জানতে চাই।
উত্তর : স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তালাক শব্দ উচ্চারণ করলে তালাক হয়ে যায়। কোন নিয়তের প্রয়োজন হয় না এবং তালাকের ব্যাপারে অজ্ঞতা ধর্তব্য নয়। আপনার স্ত্রীর উপর দুই তালাকে রাজঈ পতিত হয়েছে। এখন আপনি ইচ্ছা করলে আপনার স্ত্রীকে ইদ্দত (তিন হায়েয) অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে ফিরিয়ে নিতে পারেন এবং আগের মতো ঘর-সংসার করতে পারেন। আবার ইচ্ছা করলে ন্যায় সঙ্গতভাবে ছেড়েও দিতে পারেন। ইদ্দত শেষ হযে যাওয়ার পর নতুন বিবাহ ছাড়া ফিরিয়ে আনার সুযোগ থাকবে না। আর যদি আপনি আপনার স্ত্রীকে কখনো তৃতীয় তালাক দিয়ে ফেলেন তাহলে উক্ত স্ত্রী আপনার জন্য সম্পূর্নরূপে হারাম হয়ে যাবে। ফলে তাকে পুনরায় সরাসরি বিবাহ করলেও বিবাহ শুদ্ধ হবে না। সূরা বাকারা : ২২৯-৩০; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবাহ : হাদীস নং- ১৮০২৭; হিদায়াহ : ২/৩৯৪; আদ্দুররুল মুখতার : ৩/২৪১
মুহা. মুস্তফা
শ্যামপুর
২৯৭. প্রশ্ন : গত নয় বছর আগে ঝগড়া করে আমি আমার স্ত্রীকে বলেছিলাম- যা তুই তালাক। তারপর মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে বিষয়টি জানালে তিনি বললেন- কিছু হবে না, তওবা কর। এরপর আমরা পরস্পর ঘর-সংসার করতে থাকি। আনুমানিক দুই-তিন সপ্তাহ আগে আবার ঝগড়া করে রাগের মাথায় বলেছি- যা তুই তালাক। একথা বলার সময় কোন সাক্ষী উপস্থিত ছিল না, শুধু আমরা দুজনই ছিলাম। এরপর আমার স্ত্রী আল্লাহর ভয়ে বলে- আপনার সঙ্গে ঘর-সংসার করতে আমার ভয় হয়। আমি বললাম- আমি তো মন থেকে বলিনি। মাটি হাতে নিয়ে বলছি- মন থেকে বলিনি। তাছাড়া তালাক বললে তালাক হয়ে যায় এটা আমার জানা ছিল না। শরীয়তের দৃষ্টিতে এর সঠিক সমাধান জানতে চাই।
উত্তর : স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তালাক শব্দ উচ্চারণ করলে তালাক হয়ে যায়। কোন নিয়তের প্রয়োজন হয় না এবং তালাকের ব্যাপারে অজ্ঞতা ধর্তব্য নয়। আপনার স্ত্রীর উপর দুই তালাকে রাজঈ পতিত হয়েছে। এখন আপনি ইচ্ছা করলে আপনার স্ত্রীকে ইদ্দত (তিন হায়েয) অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে ফিরিয়ে নিতে পারেন এবং আগের মতো ঘর-সংসার করতে পারেন। আবার ইচ্ছা করলে ন্যায় সঙ্গতভাবে ছেড়েও দিতে পারেন। ইদ্দত শেষ হযে যাওয়ার পর নতুন বিবাহ ছাড়া ফিরিয়ে আনার সুযোগ থাকবে না। আর যদি আপনি আপনার স্ত্রীকে কখনো তৃতীয় তালাক দিয়ে ফেলেন তাহলে উক্ত স্ত্রী আপনার জন্য সম্পূর্নরূপে হারাম হয়ে যাবে। ফলে তাকে পুনরায় সরাসরি বিবাহ করলেও বিবাহ শুদ্ধ হবে না। সূরা বাকারা : ২২৯-৩০; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবাহ : হাদীস নং- ১৮০২৭; হিদায়াহ : ২/৩৯৪; আদ্দুররুল মুখতার : ৩/২৪১
মাওলানা আব্দুর রহমান
২৯৮. প্রশ্ন : যে মহিলার স্বামী মারা গেছে সে ইদ্দত অবস্থায় বিবাহ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য দিনের বেলা ঘর থেকে বের হতে পারবে কি না? এই শর্তে যে সে দিনে দিনে ঘরে ফিরে আসবে এবং ঐ মহিলার জন্য নাকের অলঙ্কার খুলে ফেলা জরুরী কি না?
উত্তর : বিধবা মহিলার ইদ্দত অবস্থায় বিবাহ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ঘর থেকে বের হওয়া জায়েয নেই। বিবাহ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বের হওয়া জরুরী প্রয়োজন বহির্ভূত কাজ। এই মহিলা ইদ্দত অবস্থায় নাকের অলঙ্কারও ব্যবহার করতে পারবে না। বাদায়েউস সানায়ে : ৩/৩২৪, ৩৩০; আদ্দুররুল মুখতার : ৩/৫৩১
২৯৮. প্রশ্ন : যে মহিলার স্বামী মারা গেছে সে ইদ্দত অবস্থায় বিবাহ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য দিনের বেলা ঘর থেকে বের হতে পারবে কি না? এই শর্তে যে সে দিনে দিনে ঘরে ফিরে আসবে এবং ঐ মহিলার জন্য নাকের অলঙ্কার খুলে ফেলা জরুরী কি না?
উত্তর : বিধবা মহিলার ইদ্দত অবস্থায় বিবাহ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ঘর থেকে বের হওয়া জায়েয নেই। বিবাহ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বের হওয়া জরুরী প্রয়োজন বহির্ভূত কাজ। এই মহিলা ইদ্দত অবস্থায় নাকের অলঙ্কারও ব্যবহার করতে পারবে না। বাদায়েউস সানায়ে : ৩/৩২৪, ৩৩০; আদ্দুররুল মুখতার : ৩/৫৩১
মুআমালা-লেনদেন
হাফেজ আব্দুল হালিম
২৯৯. প্রশ্ন : আমাদের এলাকায় এভাবে জমি বন্ধক দেয়া হয়, জমির মালিক যার কাছে জমি বন্ধক রাখে তাকে এভাবে বলে, আমি ২৫ শতাংশ জমি এক লক্ষ টাকায় তোমার কাছে বন্ধক রাখতে চাই। বন্ধক গ্রহিতা রাজি হলে জমির মালিক তাকে বন্ধক দেয়। বন্ধকগ্রহিতা ঐ জমি ততদিন ভোগ করে যতদিন পর্যন্ত বন্ধকদাতা টাকা ফিরিয়ে না দেয়।
এভাবে জমি বন্ধক দেয়া জায়েয আছে কি? জায়েয না হলে কোন পদ্ধতিতে জায়েয হবে তা জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর : জমি বন্ধকের উক্ত পদ্ধতি শরীয়ত সম্মত নয়। কারণ, বন্ধকী বস্তু ব্যবহার করা এবং তার থেকে ফায়দা ভোগ করা উভয়টিই শরীয়তে নিষিদ্ধ। প্রশ্নোক্ত সূরতে ঋণদাতার জন্য বন্ধকী জমি থেকে ফায়দা ভোগ করার শর্ত করা হয়েছে। জমির মালিকের উদ্দেশ্য যেহেতু ঋণ গ্রহণ করা তাই সে প্রথমে সুদমুক্ত ঋণের জন্য চেষ্টা করবে। চেষ্টার পরও যদি সুদমুক্ত ঋণ না পায় তাহলে এমতাবস্থায় নিম্নোক্ত পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারবে-
জমির মালিক ঋণদাতাকে বলবে- আমার অমুক জমি আপনার কাছে বিক্রয় করতে চাই। পরবর্তীতে যখন আমি জমির মূল্য ফেরত দিব তখন আপনি আমার কাছে উক্ত জমি বিক্রয় করে দিবেন। ঋণদাতা সম্মত হলে পরবর্তী কোন এক বৈঠকে ঋণদাতার সঙ্গে শুধু বিক্রয়চুক্তি সম্পাদন করবে। তখন পূর্বোক্ত ওয়াদার পুনরাবৃত্তি করবে না।
বিক্রেতা যখন ক্রেতাকে জমির মূল্য ফেরত দিবে তখন ক্রেতার জন্য আবশ্যক হবে আগের মূল্যে বিক্রেতার কাছে বিক্রয় করে দেয়া। এ জমি যতদিন ক্রেতার মালিকানাধীন থাকবে ততদিন সে এর ফায়দা ভোগ করতে পারবে। কিন্তু অন্য কারো কাছে বিক্রয় করতে পারবে না। জামিউল ফুসূলাইন : ১/১৭১; আদ্দুররুল মুখতার : ৬/৪৮৩; ইমদাদুল ফতোয়া : ৩/১০৮-৯
হাফেজ আব্দুল হালিম
২৯৯. প্রশ্ন : আমাদের এলাকায় এভাবে জমি বন্ধক দেয়া হয়, জমির মালিক যার কাছে জমি বন্ধক রাখে তাকে এভাবে বলে, আমি ২৫ শতাংশ জমি এক লক্ষ টাকায় তোমার কাছে বন্ধক রাখতে চাই। বন্ধক গ্রহিতা রাজি হলে জমির মালিক তাকে বন্ধক দেয়। বন্ধকগ্রহিতা ঐ জমি ততদিন ভোগ করে যতদিন পর্যন্ত বন্ধকদাতা টাকা ফিরিয়ে না দেয়।
এভাবে জমি বন্ধক দেয়া জায়েয আছে কি? জায়েয না হলে কোন পদ্ধতিতে জায়েয হবে তা জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর : জমি বন্ধকের উক্ত পদ্ধতি শরীয়ত সম্মত নয়। কারণ, বন্ধকী বস্তু ব্যবহার করা এবং তার থেকে ফায়দা ভোগ করা উভয়টিই শরীয়তে নিষিদ্ধ। প্রশ্নোক্ত সূরতে ঋণদাতার জন্য বন্ধকী জমি থেকে ফায়দা ভোগ করার শর্ত করা হয়েছে। জমির মালিকের উদ্দেশ্য যেহেতু ঋণ গ্রহণ করা তাই সে প্রথমে সুদমুক্ত ঋণের জন্য চেষ্টা করবে। চেষ্টার পরও যদি সুদমুক্ত ঋণ না পায় তাহলে এমতাবস্থায় নিম্নোক্ত পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারবে-
জমির মালিক ঋণদাতাকে বলবে- আমার অমুক জমি আপনার কাছে বিক্রয় করতে চাই। পরবর্তীতে যখন আমি জমির মূল্য ফেরত দিব তখন আপনি আমার কাছে উক্ত জমি বিক্রয় করে দিবেন। ঋণদাতা সম্মত হলে পরবর্তী কোন এক বৈঠকে ঋণদাতার সঙ্গে শুধু বিক্রয়চুক্তি সম্পাদন করবে। তখন পূর্বোক্ত ওয়াদার পুনরাবৃত্তি করবে না।
বিক্রেতা যখন ক্রেতাকে জমির মূল্য ফেরত দিবে তখন ক্রেতার জন্য আবশ্যক হবে আগের মূল্যে বিক্রেতার কাছে বিক্রয় করে দেয়া। এ জমি যতদিন ক্রেতার মালিকানাধীন থাকবে ততদিন সে এর ফায়দা ভোগ করতে পারবে। কিন্তু অন্য কারো কাছে বিক্রয় করতে পারবে না। জামিউল ফুসূলাইন : ১/১৭১; আদ্দুররুল মুখতার : ৬/৪৮৩; ইমদাদুল ফতোয়া : ৩/১০৮-৯
গিয়াস উদ্দীন
লক্ষীবাজার, ঢাকা
৩০০.প্রশ্ন : আমার এক ব্যবসায়ী ভাই কাপড়ের ব্যবসা করে। সে গেরে কাপড় কিনে প্রিন্ট করে বিক্রি করে। নগদ টাকা দিয়ে ক্রয় করলে সে প্রতি গজ ৫০ পয়সা কমে গেরে কাপড় ক্রয় করতে পারে। বাকিতে ক্রয় করলে ৫০ পয়সা কমে ক্রয় করতে পারে না। এখন তার কাছে নগদ টাকা নেই। আমি তাকে এ শর্তে টাকা দেই যে, সে এই টাকা দিয়ে নগদে গেরে কাপড় কিনবে। ঐ কাপড় প্রিন্ট হয়ে তার দোকানে আসার পর গজ প্রতি যে ৫০ পয়সা কমে কিনেছে তা আমাকে দিয়ে দিবে। এই টাকা কি আমার জন্য জায়েয? তবে ৫০ পয়সা করে দেয়াটা শর্ত নয় যে, সে আমাকে ৫০ পয়সাই দিতে হবে। কোন মাসে যদি ৪০ পয়সা কমে অথবা ৬০ পয়সা বেশিতে কিনে তাও হতে পারে। আর কোন মাসে যদি সে কমে কিনতে না পারে এবং আমাকে কিছু না দেয় তাহলে আমাদের মধ্যে কোনরূপ সমস্যা হয় না।
উল্লেখ্য, টাকা গ্রহণকারী টাকা প্রদানকারীকে উক্ত টাকা ফেরত দিতে হবে। চাই সে ব্যবসায় লাভবান হোক বা ক্ষতিগ্রস্ত হোক।
উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত চুক্তিটি শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত বৈধ কোন চুক্তির আওতায় পড়ে না; বরং তা সুদের আওতায় পড়ে বিধায় এ টাকা গ্রহণ করা আপনার জন্য জায়েয নয়। কারণ, তা ঋণ দিয়ে উপকার লাভ করা হচ্ছে। আর ঋণ দিয়ে উপকার লাভ করা শরীয়ত সুদ বলে সাব্যস্ত করেছে। বিধায় আপনার জন্য তা জায়েয নয়। ই’লাউস সুনান : ১৪/৫০১; তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম : ১/৫৭৫
লক্ষীবাজার, ঢাকা
৩০০.প্রশ্ন : আমার এক ব্যবসায়ী ভাই কাপড়ের ব্যবসা করে। সে গেরে কাপড় কিনে প্রিন্ট করে বিক্রি করে। নগদ টাকা দিয়ে ক্রয় করলে সে প্রতি গজ ৫০ পয়সা কমে গেরে কাপড় ক্রয় করতে পারে। বাকিতে ক্রয় করলে ৫০ পয়সা কমে ক্রয় করতে পারে না। এখন তার কাছে নগদ টাকা নেই। আমি তাকে এ শর্তে টাকা দেই যে, সে এই টাকা দিয়ে নগদে গেরে কাপড় কিনবে। ঐ কাপড় প্রিন্ট হয়ে তার দোকানে আসার পর গজ প্রতি যে ৫০ পয়সা কমে কিনেছে তা আমাকে দিয়ে দিবে। এই টাকা কি আমার জন্য জায়েয? তবে ৫০ পয়সা করে দেয়াটা শর্ত নয় যে, সে আমাকে ৫০ পয়সাই দিতে হবে। কোন মাসে যদি ৪০ পয়সা কমে অথবা ৬০ পয়সা বেশিতে কিনে তাও হতে পারে। আর কোন মাসে যদি সে কমে কিনতে না পারে এবং আমাকে কিছু না দেয় তাহলে আমাদের মধ্যে কোনরূপ সমস্যা হয় না।
উল্লেখ্য, টাকা গ্রহণকারী টাকা প্রদানকারীকে উক্ত টাকা ফেরত দিতে হবে। চাই সে ব্যবসায় লাভবান হোক বা ক্ষতিগ্রস্ত হোক।
উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত চুক্তিটি শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত বৈধ কোন চুক্তির আওতায় পড়ে না; বরং তা সুদের আওতায় পড়ে বিধায় এ টাকা গ্রহণ করা আপনার জন্য জায়েয নয়। কারণ, তা ঋণ দিয়ে উপকার লাভ করা হচ্ছে। আর ঋণ দিয়ে উপকার লাভ করা শরীয়ত সুদ বলে সাব্যস্ত করেছে। বিধায় আপনার জন্য তা জায়েয নয়। ই’লাউস সুনান : ১৪/৫০১; তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম : ১/৫৭৫
জায়েয-নাজায়েয
হাফীজুর রহমান
৩০১. প্রশ্ন : পুরাতন কুরআন শরীফ পুড়ে ফেলা কি জায়েয?
উত্তর : যখন কুরআন শরীফের কপি পুরাতন হয়ে যায় এবং পড়ার অনুপযোগী হয়ে পড়ে তখন তা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে পবিত্র কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে সংরক্ষিত কোন স্থানে দাফন করে দেওয়া উচিত। কুরআন শরীফের পুরাতন কপি পুড়িয়ে ফেলা জায়েয হলেও তা অনুত্তম। বুখারী শরীফ : ২/৭৪৬; ফাতাওয়া সিরাজিয়া : ৩১৩; রদ্দুল মুহতার ; ৯/৬০৫
হাফীজুর রহমান
৩০১. প্রশ্ন : পুরাতন কুরআন শরীফ পুড়ে ফেলা কি জায়েয?
উত্তর : যখন কুরআন শরীফের কপি পুরাতন হয়ে যায় এবং পড়ার অনুপযোগী হয়ে পড়ে তখন তা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে পবিত্র কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে সংরক্ষিত কোন স্থানে দাফন করে দেওয়া উচিত। কুরআন শরীফের পুরাতন কপি পুড়িয়ে ফেলা জায়েয হলেও তা অনুত্তম। বুখারী শরীফ : ২/৭৪৬; ফাতাওয়া সিরাজিয়া : ৩১৩; রদ্দুল মুহতার ; ৯/৬০৫
নূরুল আমীন
অস্ট্রেলিয়া
৩০২. প্রশ্ন : অযু ছাড়া কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা ও শ্রবণ করা যাবে কি না? এমনিভাবে গোসল ফরজ অবস্থায় এর বিধান কী?
উত্তর : অযুবিহীন ব্যক্তির জন্য কুরআন শরীফ স্পর্শ করা ছাড়া কুরআন তিলাওয়াত করা ও শ্রবণ করা উভয়টি জায়েয। আর গোসল ফরজ অবস্থায় তিলাওয়াত করা ও স্পর্শ করা উভয়টিই নাজায়েয। তবে এ অবস্থায়ও শ্রবণ করা জায়েয। তিরমিযী শরীফ : ১/৩৮; হিদায়াহ : ১/৬৩; হাশিয়াতুত তাহতাভী আলাল মারাকী : ১১৩
অস্ট্রেলিয়া
৩০২. প্রশ্ন : অযু ছাড়া কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা ও শ্রবণ করা যাবে কি না? এমনিভাবে গোসল ফরজ অবস্থায় এর বিধান কী?
উত্তর : অযুবিহীন ব্যক্তির জন্য কুরআন শরীফ স্পর্শ করা ছাড়া কুরআন তিলাওয়াত করা ও শ্রবণ করা উভয়টি জায়েয। আর গোসল ফরজ অবস্থায় তিলাওয়াত করা ও স্পর্শ করা উভয়টিই নাজায়েয। তবে এ অবস্থায়ও শ্রবণ করা জায়েয। তিরমিযী শরীফ : ১/৩৮; হিদায়াহ : ১/৬৩; হাশিয়াতুত তাহতাভী আলাল মারাকী : ১১৩
আব্দুল কবীর
৩০৩. প্রশ্ন : কারো নাম ‘কবীর’ রাখা বা কাউকে ‘কবীর’ বলে ডাকার হুকুম কী?
উত্তর : কারো নাম ‘কবীর’ রাখা বা কাউকে ‘কবীর’ বলে ডাকা জায়েয। তবে ‘আবদুল কবীর’ নাম রাখা ও ‘আবদুল কবীর’ বলে ডাকাই উত্তম। ফাতাওয়া সিরাজিয়া : ৩১৯; আদ্দুররুল মুখতার : ৬/৪১৭
৩০৩. প্রশ্ন : কারো নাম ‘কবীর’ রাখা বা কাউকে ‘কবীর’ বলে ডাকার হুকুম কী?
উত্তর : কারো নাম ‘কবীর’ রাখা বা কাউকে ‘কবীর’ বলে ডাকা জায়েয। তবে ‘আবদুল কবীর’ নাম রাখা ও ‘আবদুল কবীর’ বলে ডাকাই উত্তম। ফাতাওয়া সিরাজিয়া : ৩১৯; আদ্দুররুল মুখতার : ৬/৪১৭
৩০৪. প্রশ্ন : আমরা প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর তাসবীহে ফাতেমী ৩৩ বার সুবহাল্লাহ, ৩৩ আলহামদুল্লিাহ, ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পড়ে থাকি। আমার প্রশ্ন হল, এই তাসবীহকে তাসবীহে ফাতেমী কেন বলে?
উত্তর : হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রশ্নোল্লিখিত তাসবীহ সর্বপ্রথম তাঁর কন্যা ফাতেমা রাযি. কে শিক্ষা দিয়েছেন তাই এ তাসবীহকে তাসবীহে ফাতেমী বলা হয়। বুখারী শরীফ : ১/৪৩৯, ২/৯৩৫
উত্তর : হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রশ্নোল্লিখিত তাসবীহ সর্বপ্রথম তাঁর কন্যা ফাতেমা রাযি. কে শিক্ষা দিয়েছেন তাই এ তাসবীহকে তাসবীহে ফাতেমী বলা হয়। বুখারী শরীফ : ১/৪৩৯, ২/৯৩৫
৩০৫. প্রশ্ন : ছবি তোলা এবং এর উপর গ্রাফিক্সের কাজ করাকে উপার্জনের মাধ্যম বানানোর হুকুম কী?
উত্তর : কোন প্রাণীর ছবি তোলা এবং এর উপর গ্রাফিক্সের কাজ করাকে উপার্জনের মাধ্যম বানানো হারাম। কারণ, ফটো গ্রাফিক্সের ডিজাইনে প্রাণীর ছবিও হারাম ছবির অন্তর্ভুক্ত। বরং তা আরো উন্নত মানের ছবি। এজন্য ছবি হারাম হওয়ার হুকুম তাতেও প্রযোজ্য হবে। বুখারী শরীফ : ২/৮৮০; শরহে নববী আলা সহীহ মুসলিম : ২/১৯৯; কিফায়াতুল মুফতী : ৯/২৪৩
উত্তর : কোন প্রাণীর ছবি তোলা এবং এর উপর গ্রাফিক্সের কাজ করাকে উপার্জনের মাধ্যম বানানো হারাম। কারণ, ফটো গ্রাফিক্সের ডিজাইনে প্রাণীর ছবিও হারাম ছবির অন্তর্ভুক্ত। বরং তা আরো উন্নত মানের ছবি। এজন্য ছবি হারাম হওয়ার হুকুম তাতেও প্রযোজ্য হবে। বুখারী শরীফ : ২/৮৮০; শরহে নববী আলা সহীহ মুসলিম : ২/১৯৯; কিফায়াতুল মুফতী : ৯/২৪৩
আব্দুল্লাহ, ঢাকা
৩০৬. প্রশ্ন : এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অপর হাতের আঙ্গুলের মধ্যে ঢুকিয়ে (তাশবীক করে) বসা শরীয়তের দৃষ্টিতে কেমন?
উত্তর : এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অপর হাতের আঙ্গুলের মধ্যে ঢুকানোর (তাশবীকের) নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে বহু হাদীস বর্ণিত আছে। তিরমিযী শরীফে হযরত কা’ব বিন উজরাহ রাযি. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি ভালভাবে অযু করে মসজিদের উদ্দেশে বের হয় তখন সে যেন তার আঙ্গুলে তাশবীক না করে। কেননা সে যেন তখন নামাযে রয়েছে। একই অর্থে আবূ দাউদ শরীফেও একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
মুসনাদে আহমদে হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন মসজিদে থাকে তখন সে যেন তাশবীক না করে। কেননা তাশবীক শয়তানের পক্ষ থেকে হয়। আর তোমাদের কেউ যতক্ষণ মসজিদে থাকে মসজিদ থেকে বের হওয়া পর্যন্ত সে যেন নামাযের মধ্যেই আছে।
এ সকল হাদীসের আলোকে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, মসজিদে থাকা অবস্থায় চাই সে নামাযরত হোক বা না হোক সর্বাবস্থায় তাশবীক করা মাকরুহে তাহরীমি। আর নামাযরত অবস্থায় যে কোন স্থানে তাশবীক মাকরুহে তাহরীমি। চাই সে মসজিদেই নামায পড়–ক বা অন্য কোন জায়গায়। এমনিভাবে নামাযের আনুষাঙ্গিক বিষয়াদিতেও তাশবীক করা মাকরুহে তাহরীমি। উপরোক্ত সময় ব্যতীত অন্য সময় অনর্থক তাশবীক করা মাকরুহে তানযীহি তবে প্রয়োজনে যেমন, ব্যয়াম বা আরাম লাভের জন্য তাশবীক করা মাকরুহ হবে না। তিরমিযী শরীফ : ১/৮৮; আবূ দাঊদ শরীফ : ১/৮৩; আদ্দুররুল মুখতার : ২/৩৫৩
৩০৬. প্রশ্ন : এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অপর হাতের আঙ্গুলের মধ্যে ঢুকিয়ে (তাশবীক করে) বসা শরীয়তের দৃষ্টিতে কেমন?
উত্তর : এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অপর হাতের আঙ্গুলের মধ্যে ঢুকানোর (তাশবীকের) নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে বহু হাদীস বর্ণিত আছে। তিরমিযী শরীফে হযরত কা’ব বিন উজরাহ রাযি. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি ভালভাবে অযু করে মসজিদের উদ্দেশে বের হয় তখন সে যেন তার আঙ্গুলে তাশবীক না করে। কেননা সে যেন তখন নামাযে রয়েছে। একই অর্থে আবূ দাউদ শরীফেও একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
মুসনাদে আহমদে হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন মসজিদে থাকে তখন সে যেন তাশবীক না করে। কেননা তাশবীক শয়তানের পক্ষ থেকে হয়। আর তোমাদের কেউ যতক্ষণ মসজিদে থাকে মসজিদ থেকে বের হওয়া পর্যন্ত সে যেন নামাযের মধ্যেই আছে।
এ সকল হাদীসের আলোকে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, মসজিদে থাকা অবস্থায় চাই সে নামাযরত হোক বা না হোক সর্বাবস্থায় তাশবীক করা মাকরুহে তাহরীমি। আর নামাযরত অবস্থায় যে কোন স্থানে তাশবীক মাকরুহে তাহরীমি। চাই সে মসজিদেই নামায পড়–ক বা অন্য কোন জায়গায়। এমনিভাবে নামাযের আনুষাঙ্গিক বিষয়াদিতেও তাশবীক করা মাকরুহে তাহরীমি। উপরোক্ত সময় ব্যতীত অন্য সময় অনর্থক তাশবীক করা মাকরুহে তানযীহি তবে প্রয়োজনে যেমন, ব্যয়াম বা আরাম লাভের জন্য তাশবীক করা মাকরুহ হবে না। তিরমিযী শরীফ : ১/৮৮; আবূ দাঊদ শরীফ : ১/৮৩; আদ্দুররুল মুখতার : ২/৩৫৩
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন