বিদ্রোহী কবির এ কথাগুলো কেনো যেনো আমার মনে গভীর দাগ কেটে চলেছে। এতো অল্প কথায় .. হাতে গোনা কয়েকটি শব্দে কী গভীর অভিমান ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। মানুষকে তিনি ভীষণ ভালোবাসতেন। কিন্তু ভালোবাসা পান নি, যা পাওয়ার কথা ছিলো। ভালোবাসা দিয়েও না পাওয়ার তীব্র বেদনাবোধ বাঙ্ময় হয়ে উঠেছে এখানে। এই না-পাওয়া থেকেই তার মনে জন্ম নিয়েছে নীরব আত্মপীড়ার দুঃসহ যাতনা। এ যাতনা সইতে সইতে অপেক্ষা করেছেন তিনি মুক্তির। কিন্তু অনুদার প্রেমহীন নিরস পৃথিবী তার দিকে ফিরেও তাকালো না। নীরবে সয়ে গেলেন কবি নীরব ঘাতকের (স্বার্থপর পৃথিবীর) রূঢ়তা .. নিষ্ঠুরতা। অবশেষে নীরব অভিমানে চিরদিনের জন্যেই চলে গেলেন! আর অবহেলিত অবমূল্যায়িত কবি-সাহিত্যিকদেরকে দিয়ে গেলেন একটা নীরব বার্তা: তোরাও আমার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার জন্যে প্রস্তুত থাক! পৃথিবীটা ভীষণ অনুদার। নিষ্ঠুর। প্রেমহীন। অমানবিক।
.....আমি প্রেম দিতে এসেছিলাম, প্রেম পেতে এসেছিলাম- সে প্রেম পেলাম না বলে আমি এ প্রেমহীন নীরস পৃথিবী থেকে নীরব অভিমানে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলাম ৷'
প্রিয় কবি! আমরা লজ্জিত। তোমার হৃদয়ের ডাকে সাড়া দিতে পারি নি। তোমাকে ভালোবাসতে পারি নি।
প্রিয় কবি! এখন যদি একবার আসতে, তাহলে তোমার অভিমানপ্রবণ মনটা অভিমানে-অভিমানে একেবারে বিষিয়ে যেতো। এখনকার পৃথিবীটা আরো বেশি নিষ্ঠুর। তবে আসলে এবং আমাদের সাথে বসলে প্রথমেই তোমাকে বলতাম:
আরেকটা বিদ্রোহী কবিতা লিখুন!
আবার বলে উঠুন, কারার ঐ লৌহকপাট ভেঙে ফেল, ফেল উপাড়ি, কররে লোপাট, আগুন জ্বালা যতসব বদিশালা .................
প্রিয় কবি! এখন যদি একবার আসতে, তাহলে তোমার অভিমানপ্রবণ মনটা অভিমানে-অভিমানে একেবারে বিষিয়ে যেতো। এখনকার পৃথিবীটা আরো বেশি নিষ্ঠুর। তবে আসলে এবং আমাদের সাথে বসলে প্রথমেই তোমাকে বলতাম:
আরেকটা বিদ্রোহী কবিতা লিখুন!
আবার বলে উঠুন, কারার ঐ লৌহকপাট ভেঙে ফেল, ফেল উপাড়ি, কররে লোপাট, আগুন জ্বালা যতসব বদিশালা .................
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন