বর্তমান বিশ্বনেতৃত্ব যে দার্শনিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত সেটি নাস্তিকতা ও ধর্মহীনতার দ্বারা নির্মিত। এর উপর পোশাকরূপে যে ধর্মীয় আবরণ রয়েছে তা মূলত ধর্মীয় নয়। ধর্ম নামের কিছু কুসংস্কার, ভ্রান্তধারণা ও ঐতিহ্যমাত্র। পাশ্চাত্য দর্শনের মূলভিত্তি হল- বস্তু ও ভোগবাদ, পুঁজি ও মুক্তবাজার। পশ্চিমাজগত অথবা নাস্তিক্যবাদী সমাজতন্ত্র নির্ভর অন্যান্য ব্যবস্থায় কিংবা প্রাচ্যের মুশরিকী, পৌত্তলিক ধর্মবিশ্বাস, প্রবৃত্তিপুজারী সংস্কৃতি আর গণতন্ত্র বা সমাজতন্ত্র যে খোলসেই হোক এর প্রতিটিই চূড়ান্ত বিচারে সভ্যতার দ্বন্দ্বের একটি পক্ষ। শরীক বিহীন এক ও অদ্বিতীয় মহান সত্তা, খালেক, মালেক ও বিধায়ক সর্বশক্তিমান মহান রাব্বুল আলামীনের কর্তৃত্ব ও সার্বভৌমত্ব যারা মানেন এবং নিজেদের জীবন ব্যবস্থায় একমাত্র প্রামাণিক উৎসরূপে নবী রাসুলগণের রিসালাতকে বিশ্বাস ও ধারণ করেন, আল্লাহর নিকট মনোনীত ও গ্রহণযোগ্য একমাত্র দ্বীন, ধর্ম ও জীবনব্যবস্থারূপে ইসলামকে অনুসরণ করেন তারা আরেকটি পক্ষ। এক কথায় পৃথিবী সবসময়ের মত এখনও দুই ভাগে বিভক্ত- إنما المؤمنون إخوة এবং الكفر ملة واحدة।
পাশ্চাত্য গবেষণা একথা বলে দিয়েছে যে, আগামী দিনের পৃথিবী সভ্যতার সংঘাতে মুখরিত থাকবে- একদিকে থাকবে উদীয়মান ইসলামী রাষ্ট্র ও সভ্যতা। অর্থাৎ শরীয়ত ও মারেফতী শক্তি। অপরদিকে এর মোকাবেলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের নেতৃত্বে নতুন বিশ্বব্যবস্থা। ইচ্ছাকৃতভাবে উন্নয়ন ও মানবাধিকারের নামে শরীয়ত ও ইসলামী রূহানী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধ্বংস করে দেয়া। এর আনুষ্ঠানিক রূপ হচ্ছে তথাকথিত বিশ্বায়ন। ধর্মহীন ও বিধর্মীদের এতোসব আয়োজনের পেছনে রয়েছে নবী রাসুলগণের মাধ্যমে ধর্মের আলোকে, ওহীর ভিত্তিতে, শরীয়ত ও সুন্নতের ব্যবস্থাপনা আর উলামা, ফুকাহা, দু‘আত, সুলাহা ও মুজাহিদীনের ত্যাগ-তিতিক্ষায় গড়ে উঠা উন্নত মানবীয় সভ্যতা ও শৃঙ্খলাকে পশুর নৈরাজ্যে ভরে দেয়ার গোপন ষড়যন্ত্র। প্রাচ্য প্রতিচ্যের সমন্বিত ইবলিসী শক্তি যে মানবতাবিরোধী চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে তা মোকাবেলা করতে রাতদিন সাধনায় নিমগ্ন ঈমানী শক্তিটির অস্তিত্ব আজ পৃথিবীর টিকে থাকার জন্যই একান্ত জরুরী।
বিশ্বব্যাপী এ শক্তিটিকে বলা হয়, আহলে হক্বের জামাত। যারা আরব বিশ্বজুড়ে আছেন। ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। পাক-ভারত-বাংলাদেশে তাদের মূল ঠিকানা। তারা হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহর উত্তরসূরী। তারা হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহজিরে মক্কী রহ. এর অনুসারী। তারা মাওলানা কাসেম নানুতুভী রহ. এর চিন্তা-চেতনা ও সাধনার ধারক। তারা মাওলানা ইলিয়াস রহ. এর ব্যথা, যন্ত্রণা ও কান্নার বাহক। তারা মাওলানা আবুল হাসান আলী নদভী রহ. এর শান্তিপূর্ণ আধ্যাত্মিক বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মসাধনার প্রযোজক। বাংলাদেশে এ শক্তিটি আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী, পটিয়ার মুফতী আজিজুল হক মরহুম, হাটহাজারীর অতীত মুরুব্বীগণ, মাওলানা আতহার আলী, পীরজী হুজুর, হাফেজ্জী হুজুর, খতীবে আজম, তাবলীগের মাওলানা আব্দুল আজিজ, মাওলানা আশরাফ আলী, মাওলানা লুৎফুর রহমান, মাওলানা মুনীর আহমদ প্রমুখের ত্যাগ ও তিতিক্ষার জারক রসে সিঞ্চিত।
সময় ও বিশ্ব পরিস্থিতির বিবেচনায় আসন্ন পূর্ণ একটি শতক উচ্চতর প্রজ্ঞা, কৌশল ও সতর্কতার সাথে ওহীপন্থি আহলে হক অপরিহার্য এ শক্তিকে চিন্তা ও তৎপরতা চালাতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী পারস্পরিক যোগাযোগ, ইলমী, সাকাফী ও রুহানী সম্পর্ক জোরদার এবং উপযুক্ত রোডম্যাপ তৈরি করে কাজ করার বিকল্প নেই। এশিয়া, মধ্য এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়া এক্ষেত্রে নেতৃত্বের দায়িত্ব আঞ্জাম দিতে পারে। পাক-ভারত, বাংলাদেশ করতে পারে বিচক্ষণ দিকনির্দেশনার কাজটি। ভারত পাকিস্তানের দাওয়াত, তালীম-তারবীয়ত, ইকতিসাদ, তাযকিয়া ও জিহাদের অঙ্গন গভীরভাবে অধ্যয়ন করে বাংলাদেশ নিতে পারে অসাধারণ শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা। অবিলম্বে এ মুহূর্তে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হকপন্থী আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, দাঈ-মুবাল্লিগ, দ্বীনদার পেশাজীবি, পরহেজগার বুদ্ধিজীবি ও সচেতন সুশিক্ষিত নারীদের ঐক্যবদ্ধ করতে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমগণ উদ্যোগ নিলেই একটি নতুন বিপ্লবের সংঘটন সম্ভব। যার উদ্দেশ্য ঈমান আমলের জাগরণ। ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে কোরআন সুন্নাহর বিধি-বিধান নীতি সংস্কৃতি ও আদব ঐতিহ্যের প্রতিষ্ঠা। এটি অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে পৌঁছে দেবে নববী যুগে মদীনার রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনের উচ্চতায়। যে রূপরেখা বাস্তবায়ন প্রতিটি ঘরানা, প্রতিটি অঙ্গনের প্রতিটি আলেম, দাঈ, ধর্মপ্রাণ পেশাজীবি ও পীর-মাশায়েখের জীবন সাধনার মূল লক্ষ্য। এ নববী পথ ধরে সকল দূরত্ব ও বৈপরিত্ব সত্ত্বেও লক্ষ্যগত ঐক্যে পৌঁছুতে পারলে অতি সহজেই বাংলাদেশ হতে পারবে আধুনিক ইসলামী সমাজ, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাষ্ট্র এবং বিচার ব্যবস্থার মডেল। সারা পৃথিবীর তখন এ দেশ থেকে শেখার থাকবে অনেক কিছু। নিরাপত্তার হুমকিতে কম্পমান, আদর্শিক দেউলিয়াত্বে ভীত সন্ত্রস্ত ও যুদ্ধ সন্ত্রাসের ক্রমবর্ধমান হুমকিতে অস্থির ইউরোপ, আমেরিকা চীন, জাপান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি বড় শক্তিগুলো তখন বাংলাদেশ থেকে দীক্ষা নিতে পারবে শান্তি ও নিরাপত্তার। অল্পেতুষ্টি ও সামগ্রিক সম্প্রীতির অনাবিল সুখ, অল্প জায়গায় অধিক মানুষ ও সীমিত সম্পদ নিয়েও কী করে লাভ করা যায় এই সবক।
আমাদের ধারণায় বেফাকসহ সমগোত্রীয় বোর্ডসমূহের সভাপতি, মহাসচিব ও নেতৃবৃন্দ, তাবলীগী জামাতের মুরব্বী আলেমগণ, হক্কানী পীর-মাশায়েখ ও দাওয়াতুল হকের আমীরগণ, হেফাজতে ইসলামের শুরা, আমেলার মুরব্বীগণ, চরমোনাইর পীর সাহেবান, ইসলাম ও সমমনা দলসমূহের নেতৃবৃন্দ এক সাথে বসে যদি বাংলাদেশে নতুন একটি সমন্বিত দ্বীনি কাজের (ঈমান আমলের আন্দোলন, ঐক্য ও জাগরণের পরিকল্পনা, ইসলাহ, তরবীয়ত ও জান-মাল সময় এবং স্বার্থের কুরবানী দেয়ার সবক, আল্লাহর কালিমাকে সর্বোচ্চ অবস্থানে অধিষ্ঠিত করার সংগ্রামী চেতনা ও শরীয়তী নেতৃত্ব মেনে দ্বীনি সূত্রে সুসংগঠিত থাকার) প্রেরণা ১৫ কোটি মুসলমানের অন্তরে জাগ্রত করেন তাহলে বিক্ষিপ্ত বসন্ত বিলাপকে ফুল-পত্র-পল্লবে ভরে তুলতে ছ মাসের বেশি লাগার কথা নয়। যারা এক হয়ে ডাক দিলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারে উম্মাহর এ আর্তনাদে তারা কি সাড়া দেবেন? -মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী
পাশ্চাত্য গবেষণা একথা বলে দিয়েছে যে, আগামী দিনের পৃথিবী সভ্যতার সংঘাতে মুখরিত থাকবে- একদিকে থাকবে উদীয়মান ইসলামী রাষ্ট্র ও সভ্যতা। অর্থাৎ শরীয়ত ও মারেফতী শক্তি। অপরদিকে এর মোকাবেলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের নেতৃত্বে নতুন বিশ্বব্যবস্থা। ইচ্ছাকৃতভাবে উন্নয়ন ও মানবাধিকারের নামে শরীয়ত ও ইসলামী রূহানী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধ্বংস করে দেয়া। এর আনুষ্ঠানিক রূপ হচ্ছে তথাকথিত বিশ্বায়ন। ধর্মহীন ও বিধর্মীদের এতোসব আয়োজনের পেছনে রয়েছে নবী রাসুলগণের মাধ্যমে ধর্মের আলোকে, ওহীর ভিত্তিতে, শরীয়ত ও সুন্নতের ব্যবস্থাপনা আর উলামা, ফুকাহা, দু‘আত, সুলাহা ও মুজাহিদীনের ত্যাগ-তিতিক্ষায় গড়ে উঠা উন্নত মানবীয় সভ্যতা ও শৃঙ্খলাকে পশুর নৈরাজ্যে ভরে দেয়ার গোপন ষড়যন্ত্র। প্রাচ্য প্রতিচ্যের সমন্বিত ইবলিসী শক্তি যে মানবতাবিরোধী চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে তা মোকাবেলা করতে রাতদিন সাধনায় নিমগ্ন ঈমানী শক্তিটির অস্তিত্ব আজ পৃথিবীর টিকে থাকার জন্যই একান্ত জরুরী।
বিশ্বব্যাপী এ শক্তিটিকে বলা হয়, আহলে হক্বের জামাত। যারা আরব বিশ্বজুড়ে আছেন। ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। পাক-ভারত-বাংলাদেশে তাদের মূল ঠিকানা। তারা হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহর উত্তরসূরী। তারা হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহজিরে মক্কী রহ. এর অনুসারী। তারা মাওলানা কাসেম নানুতুভী রহ. এর চিন্তা-চেতনা ও সাধনার ধারক। তারা মাওলানা ইলিয়াস রহ. এর ব্যথা, যন্ত্রণা ও কান্নার বাহক। তারা মাওলানা আবুল হাসান আলী নদভী রহ. এর শান্তিপূর্ণ আধ্যাত্মিক বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মসাধনার প্রযোজক। বাংলাদেশে এ শক্তিটি আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী, পটিয়ার মুফতী আজিজুল হক মরহুম, হাটহাজারীর অতীত মুরুব্বীগণ, মাওলানা আতহার আলী, পীরজী হুজুর, হাফেজ্জী হুজুর, খতীবে আজম, তাবলীগের মাওলানা আব্দুল আজিজ, মাওলানা আশরাফ আলী, মাওলানা লুৎফুর রহমান, মাওলানা মুনীর আহমদ প্রমুখের ত্যাগ ও তিতিক্ষার জারক রসে সিঞ্চিত।
সময় ও বিশ্ব পরিস্থিতির বিবেচনায় আসন্ন পূর্ণ একটি শতক উচ্চতর প্রজ্ঞা, কৌশল ও সতর্কতার সাথে ওহীপন্থি আহলে হক অপরিহার্য এ শক্তিকে চিন্তা ও তৎপরতা চালাতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী পারস্পরিক যোগাযোগ, ইলমী, সাকাফী ও রুহানী সম্পর্ক জোরদার এবং উপযুক্ত রোডম্যাপ তৈরি করে কাজ করার বিকল্প নেই। এশিয়া, মধ্য এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়া এক্ষেত্রে নেতৃত্বের দায়িত্ব আঞ্জাম দিতে পারে। পাক-ভারত, বাংলাদেশ করতে পারে বিচক্ষণ দিকনির্দেশনার কাজটি। ভারত পাকিস্তানের দাওয়াত, তালীম-তারবীয়ত, ইকতিসাদ, তাযকিয়া ও জিহাদের অঙ্গন গভীরভাবে অধ্যয়ন করে বাংলাদেশ নিতে পারে অসাধারণ শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা। অবিলম্বে এ মুহূর্তে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হকপন্থী আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, দাঈ-মুবাল্লিগ, দ্বীনদার পেশাজীবি, পরহেজগার বুদ্ধিজীবি ও সচেতন সুশিক্ষিত নারীদের ঐক্যবদ্ধ করতে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমগণ উদ্যোগ নিলেই একটি নতুন বিপ্লবের সংঘটন সম্ভব। যার উদ্দেশ্য ঈমান আমলের জাগরণ। ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে কোরআন সুন্নাহর বিধি-বিধান নীতি সংস্কৃতি ও আদব ঐতিহ্যের প্রতিষ্ঠা। এটি অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে পৌঁছে দেবে নববী যুগে মদীনার রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনের উচ্চতায়। যে রূপরেখা বাস্তবায়ন প্রতিটি ঘরানা, প্রতিটি অঙ্গনের প্রতিটি আলেম, দাঈ, ধর্মপ্রাণ পেশাজীবি ও পীর-মাশায়েখের জীবন সাধনার মূল লক্ষ্য। এ নববী পথ ধরে সকল দূরত্ব ও বৈপরিত্ব সত্ত্বেও লক্ষ্যগত ঐক্যে পৌঁছুতে পারলে অতি সহজেই বাংলাদেশ হতে পারবে আধুনিক ইসলামী সমাজ, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাষ্ট্র এবং বিচার ব্যবস্থার মডেল। সারা পৃথিবীর তখন এ দেশ থেকে শেখার থাকবে অনেক কিছু। নিরাপত্তার হুমকিতে কম্পমান, আদর্শিক দেউলিয়াত্বে ভীত সন্ত্রস্ত ও যুদ্ধ সন্ত্রাসের ক্রমবর্ধমান হুমকিতে অস্থির ইউরোপ, আমেরিকা চীন, জাপান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি বড় শক্তিগুলো তখন বাংলাদেশ থেকে দীক্ষা নিতে পারবে শান্তি ও নিরাপত্তার। অল্পেতুষ্টি ও সামগ্রিক সম্প্রীতির অনাবিল সুখ, অল্প জায়গায় অধিক মানুষ ও সীমিত সম্পদ নিয়েও কী করে লাভ করা যায় এই সবক।
আমাদের ধারণায় বেফাকসহ সমগোত্রীয় বোর্ডসমূহের সভাপতি, মহাসচিব ও নেতৃবৃন্দ, তাবলীগী জামাতের মুরব্বী আলেমগণ, হক্কানী পীর-মাশায়েখ ও দাওয়াতুল হকের আমীরগণ, হেফাজতে ইসলামের শুরা, আমেলার মুরব্বীগণ, চরমোনাইর পীর সাহেবান, ইসলাম ও সমমনা দলসমূহের নেতৃবৃন্দ এক সাথে বসে যদি বাংলাদেশে নতুন একটি সমন্বিত দ্বীনি কাজের (ঈমান আমলের আন্দোলন, ঐক্য ও জাগরণের পরিকল্পনা, ইসলাহ, তরবীয়ত ও জান-মাল সময় এবং স্বার্থের কুরবানী দেয়ার সবক, আল্লাহর কালিমাকে সর্বোচ্চ অবস্থানে অধিষ্ঠিত করার সংগ্রামী চেতনা ও শরীয়তী নেতৃত্ব মেনে দ্বীনি সূত্রে সুসংগঠিত থাকার) প্রেরণা ১৫ কোটি মুসলমানের অন্তরে জাগ্রত করেন তাহলে বিক্ষিপ্ত বসন্ত বিলাপকে ফুল-পত্র-পল্লবে ভরে তুলতে ছ মাসের বেশি লাগার কথা নয়। যারা এক হয়ে ডাক দিলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারে উম্মাহর এ আর্তনাদে তারা কি সাড়া দেবেন? -মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন